কম খরচে অযোধ্যা ঘুরবেন কীভাবে ? কোথায় কোথায় যাবেন, জেনে নিন বিস্তারিত
দেশের এখন সবচেয়ে দামি পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে অযোধ্যা। হোটেলের ভাড়া চড়েছে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ ১ রাতের জন্য ১ লক্ষ টাকা চাইছে একাধিক বড় বড় হোটেল। কিন্তু তীর্থক্ষেত্রে এতো টাকা দিয়ে থাকার সামর্থ সকলের থাকে না। তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই কম খরচেও অযোধ্যা ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে।
একাধিক ট্রাভেল কোম্পানি কম খরচে অযোধ্যা সফরের প্যাকেজ দিচ্ছে। সেখানে একবার পৌঁছতে পারলে খাবার দাবারের জন্য খুব একটা খরচ করতে হবে না। এই সুযোগে হু হু করে বেড়েছে অযোধ্যার হোটেলগুলির ভাড়া। একটা সময়ে যেখানে ৫০০ টাকাতেও হোটেলের ঘরভাড়া পাওয়া যেত। সেই অযোধ্যায় এখন এক রাতের জন্য ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হোটেল ভাড়া চাওয়া হচ্ছে। আর তাতে মোটামুটি হয়রান অবস্থা পর্যটকদের। রামলালার দর্শন করতে সকলেরই মন চাইছে। কিন্তু পকেটে অতো টাকা কোথায়। তবে নিরাশ হওয়ার কারণ নেই এই দুর্মুল্যের বাজারেও সস্তায় থাকা খাওয়ার সুযোগ রয়েছে অযোধ্যায়।

কম খরচে অযোধ্যা ঘুরতে গেলেই সবার আগেই যে বিষয়টি আসবে সেটা হল ট্রেন ভাড়া। এক্ষেত্রে কম খরচে অযোধ্যায় পৌঁছতে গেলে সরাসরি অযোধ্যায় না গিয়ে পৌঁছে যান বারাণসীতে। কলকাতা থেকে অজস্র ট্রেন রয়েছে বিভিন্ন বাজেটের। তাতে বারাণসীতে। সেখানে একাধিক ধর্মশালা এবং হোটেল রয়েছে থাকার মতো। মহেশ্বরের দর্শন করে বেরিয়ে পড়ুন অযোধ্যার উদ্দেশ্য। বারাণসী থেকে ফ্রি বাস সার্ভিস চালু করেছে যোগী সরকার অযোধ্যা যাওয়ার জন্য। যাতে সব পুন্যার্থীরা সেখানে যেতে পারেন। সেই বাসে করে একেবারে নিখরচায় পৌঁছে যান অযোধ্যায়। তবে একটু সতর্ক থাকবেন যাতে কোনও দালালের খপ্পরে না পড়েন।
অযোধ্যায় পৌঁছে কোনও হোটেলের খোঁজ করতে যাবেন না। যেহেতু অযোধ্যা অনেক প্রাচীণ এক ধর্মস্থান সেহেতু সেখানেও বারাণসীর মতো একাধিক ধর্মশালা রয়েছে। সেগুলিতে হয়তো সেরকম জৌলুস নেই ঠিকই তবে স্বাচ্ছন্দে থাকতে পারবেন। অযোধ্যা রেলস্টেশনের কাছেই রয়েেছ গুজরাতি ধর্মশালা যেখানে সাধ্যের মধ্যে ঘর পেয়ে েযতে পারেন। খুব বেশি হলে ১০০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া গুঁণতে হবে। ঘর না পেলে ডরমেটরি বুক করে নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে ১০০ টাকাতেই থাকতে পারবেন। আবার এখানে বিনা মূল্যে খাবারও পাওয়া যায়। এছাড়াও রয়েছে সীতা রাজমহল ধর্মশালা। এখানে ৬০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে ঘর বা ডরমেটারি পেয়ে যাবেন। মাত্র ৭০ টাকা দিয়ে খাবারও পেয়ে যাবেন।
রাম মন্দিরের কাছেই রয়েছে মানস ভবন। সেখানেও ৭০০ থেকে ১০০০ টাকার মধ্যে ঘর ভাড়া পাওয়া যাবে। ডরমেটরি রুমও পেয়ে যাবেন। কম্বো বিলের ব্যবস্থা রয়েছে এই হোেটলে। অযোধ্যা রেলস্টেশনের কাছেই রয়েছে এই ধর্মশালািট। আবার অযোধ্যার একটি কম খরচের থাকার জায়গা হল কণক ভবন। এখানে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত টাকা পাওয়া যাবে। এখানেও প্রতিদিন বিনামূল্যে ভান্ডারে খাবার দেওয়া হয়। এছাড়াও রয়েছে বিড়লা ধর্মশালা। এখানেও কম খরচে থাকতে পারবেন। এখানেও ১০০০ টাকার মধ্যে ঘর এবং ডরমেটরি পেয়ে যাবেন।
অযোধ্যা রেলস্টেশনের তিন কিলোমিটারের মধ্যে যে জায়গাগুলি রয়েেছ তার মধ্যে রয়েছে, রামাকোট মন্দির, সপ্তারি মন্দি, চন্দ্রহরি মন্দির, ধর্মহরি মন্দির, বিল্লহরি মন্দির, পুণ্যগিরি মন্দির গুপ্তহরি চক্রহরি মন্দির, হনুমান ঘরি মন্দির,স্কিরেশ্বরাথ মন্দির,পঞ্চমুখী মহাদেব মন্দির,স্বর্গদ্বার মন্দির,নাগেশ্বরনাথ মন্দির,ত্রেতা ঠাকুর মন্দির,মঠগেন্ড মন্দির,সপ্তসাগর মন্দির,শ্রীমণিপ্রভাত মন্দির,শোেণশ্বর মন্দির, কালেরাম মন্দির, শ্রীচুক্তিদেবী মন্দির,শ্রীত্রিপুরাজি মন্দির, শ্রীকালিকাদেবী মন্দির, শ্রী বড়ক্ষেত্র মন্দির
জম্বুতীর্থ মন্দির, তুন্ডিলাশ্রম মন্দির, অগস্তসর মন্দির, শ্রী পাহারশ্বর মন্দির, গোকুল শ্রীখণ্ড মহালক্ষ্মী মন্দির, শ্রী স্বপ্নেশ্বরী মন্দির,তিলোদগী সংঘম মন্দির, শ্রী অশোক বাটিকা মন্দির, লক্ষ্মণজি মন্দির, দর্শণেশ্বর মন্দির, ছোটি দেবকালী মন্দির, রনোপলি মন্দির, পটহার মন্দির, রািনবারুই মন্দির, শ্রীযজ্ঞদেবী মন্দির, রাশিয়ান মন্দির, েনপালি মন্দির, রামায়ণ ভবন, সত্যর মন্দির, রত্ন সিংহাসন মন্দির, নভি নগর মন্দির, গোরাপুর মন্দির, বন্দি দেবীর মন্দির, ভারত হনুমান মিলন মন্দির, কবিরপন্থ মন্দির, ফুলপুর মন্দির, আশরফি ভবন মন্দির, শ্রীলোমেশ মুণি আশ্রম।
এছাড়া রয়েছে কুর্মি মন্দির, তিলক মন্দির, পটাভর মন্দির, কোরি মন্দির, বেলদার মন্দির, সন্ত রবিদাস মন্দির, বিশ্বকর্মা মন্দির, হালওয়াই মন্দির, পাণ্ডব ক্ষত্রিয় মন্দির, যাদব মন্দির, পাসি মন্দির। আবার ছোট ছোট একাধিক পাহাড়ও রয়েছে অযোধ্যায়। মণি পর্বত, অঙ্গদ টিলা, কুবের টিলা, সুগ্রীব টিলা, নল-নীল টিলা এই সবগুলির দর্শন করে আসতে পারেন।












Click it and Unblock the Notifications