Gurguripal Eco Park: কান পাতলেই শোনা যায় হাতির ডাক, সপ্তাহান্তের ছুটিতে চলে আসুন কলকাতার কাছেই এই জায়গা
হাতির ডেরা। বর্ষায় খাবারের সন্ধানে নিজেদের জঙ্গল থেকে বেরিয়ে পড়ে তাঁরা। কাছে পিঠের গ্রামে গঞ্জে প্রায়ই হানা দেয় হািতর দল। পশ্চিম মেদিনীপুরের সেই হাতির ডেরা হয়ে উঠতে পারে আপনার সপ্তাহান্তের ছুটি কাটানোর সেরা জায়গা।
কলকাতা থেকে বেশিদূরে নয় গুড়গুড়িপাল জঙ্গল। বর্ষায় যেখানে উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ জঙ্গল বন্ধ থাকে সেখানে দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়া বাঁকুড়ার প্রায় সব জঙ্গলেই কিন্তু অবারিত দ্বার। কাজেই যাঁরা জঙ্গল সাফারির মজা নিতে চান বা জঙ্গলের বুনো গন্ধে সময় কাটাতে চান তাঁদের জন্য আদর্শ জায়গা গুড়গুড়িপাল ফরেস্ট।

দলমার জঙ্গল হয়ে হাতির জল চলে আসে পশ্চিমবঙ্গে। এলিফ্যান্ট করিডর তৈরি করে দেওয়া আছে তাঁদের জন্য। কিন্তু তার পরেও হাজির দল পথ বদলে ঢুকে পড়ে গ্রামের ভেতরে। ধানের ক্ষেতে, সবজির খেতে খাবারের লোভে চলে আসে তারা। পশ্চিম মেদিনীপুরের অনেক গ্রামই হাতির তাণ্ডবে জর্জরিত। বর্ষাকালে আর শীতকালে হাতিদের লোকালয়ে প্রবেশের প্রবণতা বেশি দেখা যায়।
গুড়গুড়িপাল ফরেস্ট এমন একটা জায়গা অবস্থিত পশ্চিম মেদিনীপুরের। বর্ষাকালে পশ্চিম মেদিনীপুরের জঙ্গল আরও ঘন হয়ে যায়। সবুজ পাতার ভিঁড়ে শালকাজগুলি ভরে থাকে। লালমাটির জঙ্গলে বর্ষাকালে বে়ড়ানোর মজাই আলাদা। পাথরা েদখার পর চলে আসুন গুড়গুড়ি পাল জঙ্গলে। এখানে একটি রিসর্ট রয়েছে। জঙ্গলের মাঝে থাকার অ্যাডভেঞ্চার পাওয়া যাবে এখানে। এই জঙ্গলের মধ্য দিয়েই হাতির পাল দলে দলে ঘুরে বেড়ায়। মাঝে মধ্যেই রাতের অন্ধকারে কান পাতলে শোনা যাবে তাদের ডাক।

বেশ একটা রোমহর্ষক অভিজ্ঞতা। জঙ্গলের মাঝে রয়েছে একটা বড় জলাশয়। আগে সেখানে বোটিংয়ের সুবিধা ছিল কিন্তু এখন আর সেটা হয়না। যাতায়াতও খুব সহজ। মেদিনীপুর স্টেশনে নেমে সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে গুজগুড়ি পালে যাওয়া যায়। থাকার খুব একটা সুবন্দোবস্ত নেই। খড়গপুরে থেকে বেড়িয়ে আসতে পারেন পাথরাও।তবে ক্যাম্পিং করা যেতেই পারে। আগে থেকে বনদফতরের সঙ্গে কথা বলে রাখাতে হবে তার জন্য।












Click it and Unblock the Notifications