মিনি লোনাভলা, চলে আসুন কলকাতার কাছে এই লোকেশনে
মিনি লোনাভলা। বর্ষা মানেই লোনাভলা। মহারাষ্ট্রের জনপ্রিয় এই পর্যটন কেন্দ্র সারাবছর যাওয়া যায় ঠিকই কিন্তু বর্ষাকালে যেন এটই জায়গাটি আরও মোহমহয় হয়ে ওঠে। সেরকমই কলকাতার কাছে রয়েছে একটি মিনি লোনাভলা। সেখানেও সারাবছর যাওয়া যায় তবে বর্ষায় তার মাধুর্য অন্যরকম।
কোথায় রয়েছে এই মিনি লোনাভলা। অনেকেই অবাক হবেন শুনলে। মিনি লোনাভলা আসলে রয়েছে আমাদের পাশের রাজ্য জাড়কণ্ডে। যাকে ঘাটশিলা বলা হয়। ঘাটশিলা অবশ্য বাঙালির কাছে অন্যকারণে পরিচিত। জনপ্রিয় বাংলা সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুবাদে ঘাটশিলার পরিচিতিটা একটু অন্যভাবেই হয়েছে। তার লেখা আরণ্যক উপন্যাসের পরতে পরতে জড়িয়ে রয়েছে এই ঘাটশিলা।

পাশের রাজ্যেই অবস্থিত পাহাড়-জঙ্গস-নদী-ঝরনায় ঘেরা ঘাটশিলা। যার সঙ্গে লোভনার মিল রয়েছে। বর্ষায় যেমন মোহময় হয়ে ওঠে লোনাভলা। ঠিক তেমনই মোহময় হয়ে ওঠে ঘাটশিলা। বর্ষায় আরও সুন্দর এই জায়গায়। মাত্র তিনঘণ্টাতেই কলকাতা থেকে ঘাটশিলা পৌঁছে যাওয়া যায়। কাজেই সপ্তাহান্তের ছুটির পারফেক্ট ডেস্টিনেশন।
ঘাটশিলায় পা রাখলেই বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়েলর লেখা আরণ্যক উপন্যাসের কথা মনে পড়ে যায়। যার পরতে পরতে ছড়িয়ে রয়েছে ঘাটশিলার। এখানকার প্রধান আকর্ষণ জঙ্গল। ছোট ছোট টিলার পাহাড়ে উঠলে দিগন্ত বিস্তৃত মালভূমির ছবি দেখা যায়। সুবর্ণ রেখা নদীর পাড়ে এই জায়গাটি একসময় ছিল বাঙালিদের হাওয়া বদলের জায়গা। সেকারণে এখানে এলে অনেক বাঙালির দেখা মেলে।

এখানে এলে একাধিক জয়গা রয়েছে দেখার। সািহত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি। বরুডি লেক, ফুলডুংরি। গালুডি, তামার খনি সবটাই রয়েছে এখানে। অসংখ্য হোটেল রয়েছে এই ঘাটশিলায়। তাই থাকার কোনও অসূুবিধা নেই। অনায়াসে এখানে থাকা যায়। এঅনেক কম করচে ২ দিনের ট্যুরে ঘুরে আসা যায় ঘাটশিলা।












Click it and Unblock the Notifications