Geonkhali: রূপনারায়ণ আর দামোদরের সঙ্গমস্থল, বর্ষায় ইলিশের স্বাদ নিতে চলে আসুন কলকাতার কাছেই এই জায়গায়
বর্ষা মানেই ইলিশ। বাঙালি প্রিয় ইলিশ মাছ। সারাবছর সেকারণেই বর্ষার জন্য অপেক্ষা করে থাকেন তাঁরা। বর্ষা মানেই রূপোলি শস্যের সন্ধানে উন্মুখ হয়ে থাকেন সকলে। এই বর্ষায় কলকাতার কাছেই এমন একটি জায়গা অপেক্ষা করছে যেখানে গেলে বেড়ানোও হবে আবার ইলিশের স্বাদও নেওয়া যাবে।
ইলিশ আর সমুদ্রের টানে বর্ষায় দিঘা-মন্দারমনি-কাকদ্বীপে পাড়ি দেন সকলে। কিন্তু এই জায়গাটি কলকাতা থেকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার দূরত্বে অবস্থাত। দুটি নদী দামোদর এবং রূপনারায়ণের পাড়ে অবস্থিত জায়গাটির নাম গেঁওখালি। কলকাতা থেকে হলদিয়া যাওয়ার পথেই মেলে এই জাগাটি।

ট্রেন এবং লঞ্চ দুই পথেই যাওয়া যায় এই গেঁওখালি। গাদিয়াড়া থেকে লঞ্চে যাওয়া যায় গেঁওখালি। এখানে একটি রামকৃষ্ণ আশ্রমও রয়েছে। সেখানেও প্রসাদ খেতে পারেন। তবে আগে থেকে জানিয়ে দিতে হয়। আশ্রমের চারপাশে প্রচুর বাগান রয়েছে। সেখানে নানা রকমের ফল-ফুলের গাছ রয়েছে। আশ্রমে এলেই শান্ত পরিবেশ শান্তি বিরাজ করে এখানে।
গেঁওখালি লঞ্চ ঘাটেও অনেকটা সময় বসে থাকা যায়। আবার লঞ্চে করে দারকেশ্বর এবং দামোদর নদে ঘুরে আসা যায়। পড়ন্ত বিকেলে অসাধারণ লাগে এখান থেকে। যাঁরা রিলস করতে ভালোবাসেন তাঁদের জন্য আদর্শ জায়গা বললে ভুল হবে না। আর গেঁওখালিতেই রয়েছে বাঙালির সবচেয়ে প্রিয় খাবার ইলিশ মাছের আড়ত। কাজেই বাড়ি ফিরে যাওয়ার আগে এখান থেকে কিনে নিয়ে যেতে পারেন রূপনারায়ণের রূপোলি ফসল। কাজেই বেড়ানোর পাশাপাশি জমে যাবে ইলিশ মাছ খাওয়াও।

কলকাতার আশপাশে অনেকেই আসেন এখানে ইলিশ মাছ কিনতে। এখন থেকে ইলিশ মাছ কিনে নিয়ে যান অনেকে। কাছেই রয়েছে গেঁওখালির চার্চ। ডিসেম্বর মাসে বড় করে উৎসব হয় এখানে। চার-পাঁচদিন ধরে এখানে উৎসব হয়। কাজেই এখানে সারা বছরই বেড়াতে আসা যায়। তবে উপরি পাওনা ইলিশ মাছ।












Click it and Unblock the Notifications