চোখজুড়ানো নিসর্গ আর ইতিহাসের মেলবন্ধনে সুন্দরী গড়পঞ্চকোট
কেন যাবেন: পুরুলিয়া জেলায় গড়পঞ্চকোটের অবস্থান। পাঞ্চেত পাহাড়ের পাদদেশে সবুজ চাদরে মোড়া জায়গাটি। যত দূর চোখ যায়, পাহাড় আর ঘন জঙ্গল। সবুজ বনানী চিরে চলে গিয়েছে কালো পিচঢাকা রাস্তা। দিনের বেলা জঙ্গলের গাছে-গাছে পাখির কলতান, রাতে অপার নৈঃশব্দ্য। চাঁদের আলোয় উঁচুনীচু পাহাড়গুলি অদ্ভূত দেখায়। গ্রীষ্মের চামড়াপোড়ানো গরম ছাড়া বছরে যে কোনও সময় আসা যায় গড়পঞ্চকোটে। বর্ষায় সবুজ পাহাড় ধুয়ে ছন্দে নেমে আসে জলধারা। বসন্তেও গড়পঞ্চকোটের রূপ একমেবাদ্বিতীয়ম।
আরও পড়ুন: ছুটিতে আদিম অরণ্যের অন্দরমহলে, চলুন মেন্দাবাড়ি
গড়পঞ্চকোটে কিছু প্রাচীন মন্দিরের ভগ্নাবশেষ রয়েছে। বিষ্ণুপুরের জোড়বাংলা মন্দিরের ধাঁচে পাথর দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল পঞ্চরত্ন মন্দিরটি। এটি গড়পঞ্চকোটের অন্যতম দ্রষ্টব্য।
হাতে সময় থাকলে দেখে নিন পাঁচ কিলোমিটার দূরের পাঞ্চেত জলাধার।
কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে দু'ভাবে পৌঁছনো যায় গড়পঞ্চকোট। রেল অথবা সড়কপথে।
হাওড়া থেকে ১৩৩১৭ ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস, ১১৪৪৮ শক্তিপুঞ্জ এক্সপ্রেস, ১২৩৩৯ কোলফিল্ড এক্সপ্রেস ধরে আসুন কুমারডুবি। কুমারডুবি স্টেশন থেকে গড়পঞ্চকোট ২০ কিলোমিটার।
সড়কপথে এলে জিটি রোড ধরতে হবে। বরাকর-বেগুনিয়া মোড় থেকে বামদিকে ঢুকে যাচ্ছে দিশেরগড় রোড। এই রাস্তা ধরে পৌঁছতে হবে গড়পঞ্চকোটে।
আবার রেল বা সড়কপথে পুরুলিয়া পৌঁছে সেখান থেকে যাওয়া যায় গড়পঞ্চকোট। দূরত্ব ৬৫ কিলোমিটার।
কোথায় থাকবেন: থাকার জন্য রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বন উন্নয়ন নিগমের বাংলো। এখানে এসি ঘরও পাবেন। এ ছাড়া আছে কটেজ। ভাড়া একটু বেশি হলেও থাকার আয়োজন বেশ ভালো। যোগাযোগ করুন: পশ্চিমবঙ্গ বন উন্নয়ন নিগম, কেবি-১৯, সেক্টর-৩, সল্ট লেক, কলকাতা-৯৮ (ফোন: ০৩৩-২৩৩৫০০৬৪/033-23350064)।
পশ্চিমবঙ্গ বন উন্নয়ন নিগমের সাইটে গিয়েও বুকিং করা যায়। দেখতে পারেন: www.wbfdc.com













Click it and Unblock the Notifications