মন ভাল করা গরমপানি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য পর্যটকদের অপেক্ষায়
মন ভাল করা গরমপানি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য পর্যটকদের অপেক্ষায়
করোনা ভাইরাসের প্রভাব কিছুটা লাঘব হতেই বেরিয়ে পড়েছেন ভ্রমণপ্রিয় বাঙালি। ইতিমধ্যেই বাড়তে থাকা গরম যে খোলামেলা ভ্রমণের অন্তরায় হতে পারে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এহেন অবস্থায় মনোরম পরিবেশে খানিক শান্তির খোঁজ দিতে পারে গরমপানি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য। মন ভাল করা এই জঙ্গল পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডেকে চলেছে।

অবস্থিতি
অসমের কাবিং আংলং জেলায় অবস্থিত গরমপানি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্যের মোট আয়তন ৬.০৫ বর্গ-কিলোমিটার। গোলাঘাট থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত এই বন অসমের অন্যতম আকর্ষণ। রেংমা থেকে নাগা পাহাড়ের পাদদেশ পর্যন্ত এই জঙ্গলের বিস্তার। যেখানে প্রায়ই ভীড় জমান পর্যটকরা।

কীভাবে যাবেন
কলকাতা থেকে ট্রেনে গুয়াহাটি পৌঁছে সেখান থেকে গাড়িতে পৌঁছে যাওয়া যায় গরমপানি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্যে। যদিও দূরত্ব ৩৩০ কিলোমিটার হওয়ায় সেই ঝক্কি অনেকেই নিতে চান না। পরিবর্তে বিমানে ডিমাপুর কিংবা জোরহাট পৌঁছে সেখান থেকে গাড়িতে এই বনে পৌঁছে যান পর্যটকরা। ডিমাপুর ও জোরহাট থেকে গরমপানি বন্যপ্রাণ অভয়াণ্যের দূরত্ব যথাক্রমে ৫৫ ও ৮৫ কিলোমিটার।

ইতিহাস
১৯৫২ সালে অসমের এই জঙ্গলটি সংরক্ষণ করা হয়। এরপর সেটিকে বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্যের মর্যাদা দেওয়া হয়। এই বনে রয়েছে বেশ কয়েকটি গরম জলের জলাশয়। সে অনুযায়ী এই বনের নাম রাখা হয়েছে গরমপানি।

কী কী দেখবেন
কেবল গরম জলের পুকুর নয়, অসমের এই বনে চিতাবাঘ, জঙ্গলী বিড়াল, হরিণ, সম্বর, হাতি, বন্য শুকোর, প্যাঙ্গোলিন, শিয়াল, পশ্চিমা ভাল্লুক, সোনালী বানর দেখতে ভিড় জমান পর্যটকরা। গরমপানি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্যে পাইথন, কোবরার মতো বিষাক্ত সরীসৃপরা নড়েচড়ে বেড়ায়। সবুজ বনে নানা মরসুমে ভিড় জমায় নানা ধরনের পরিযায়ী পাখি। সব মিলিয়ে ৫১ প্রজাতির অর্কিডও পাওয়া যায় গরম জলের বনে।












Click it and Unblock the Notifications