সবুজ আর সাতগুরুং! 'রূপকথার দেশ' দুয়ারসিনি
আরও পড়ুন: বেশি দূর নয়, ছুটিতে চলুন ২৮ মাইল!
আরও পড়ুন: মধুচন্দ্রিমার দারুণ ঠিকানা সবুজে সবুজ নিরিবিলি গারুচিরা
কেন যাবেন: পুরুলিয়া জেলার দুয়ারসিনি যেন অপার শান্তির দেশ। জীবন কত নির্মল হয়, মানুষ আজও কত সরল, সেটা বোঝা যাবে দুয়ারসিনি গেলে। চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছোটখাটো পাহাড়। সঙ্গে সবুজের সমারোহ। দুয়ারসিনির জঙ্গলে রয়েছে শাল, পিয়াল, শিমুল, পলাশ, বহেড়া ইত্যাদি গাছ। এঁকেবেঁকে বয়ে চলেছে সাতগুরুং নদ। এখানকার জঙ্গলে হাতি, ভল্লুক, বুনো শুয়োর, নেকড়ে বাঘ ইত্যাদির প্রাণীর বাস। আর আছে চেনা-অচেনা পাখির দল। পড়ন্ত বিকেলে সাতগুরুংয়ের ধারে বসে কেটে যাবে আনমনা সময়। রাতে দূরের আদিবাসী গাঁ থেকে ভেসে আসা মাদলের মিহি শব্দ শুনতে শুনতেই চলে যাবেন ঘুমের দেশে। ভোরবেলা পাখিরা আপনার ঘুম ভাঙাবে। ট্রেকারদের কাছে দুয়ারসিনি ভালো ট্রেকিংয়ের জায়গাও বটে।
কীভাবে যাবেন: পুরুলিয়ায় অবস্থান হলেও ঝাড়খণ্ডের ঘাটশিলা অথবা গালুডি হয়ে দুয়ারসিনি পৌঁছনো সুবিধাজনক। হাওড়া থেকে সকাল ৬-৫৫ মিনিটে ছাড়ছে ১২৮৭১ ইস্পাত এক্সপ্রেস। ট্রেনটি ঘাটশিলা পৌঁছচ্ছে সকাল ৯-৫২ মিনিটে। আর গালুডি পৌঁছচ্ছে সকাল ১০-০৩ মিনিটে। ঘাটশিলা থেকে দুয়ারসিনি ২০ কিলোমিটার এবং গালুডি থেকে ১৩ কিলোমিটার। স্টেশন চত্বর থেকে গাড়ি পাবেন। কলকাতা থেকে গাড়িতে এলে বান্দোয়ান হয়ে আসতে হবে দুয়ারসিনি।
কোথায় থাকবেন: এখানে থাকার জন্য রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বন উন্নয়ন নিগমের কটেজ। যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায়: ৬-এ, রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার, কলকাতা-৭০০০১৩ (ফোন নম্বর: ০৩৩-২২৩৭০০৬০/033-22370060 এবং ০৩৩-২২৩৭০০৬১/033-22370061)।
এ ছাড়াও, পশ্চিমবঙ্গ বন উন্নয়ন নিগমের ওয়েবসাইটে গিয়ে সরাসরি খোঁজখবর করা যাবে।













Click it and Unblock the Notifications