Dorem: পাহাড়ি নদীর উপর দিয়ে গিয়েছে বাঁশের সাঁকো, মাত্র ৬ ঘর লোকের বাস, বেড়িয়ে আসুন এই অজানা গ্রামে
ছোট্ট গ্রামটির নাম দোরেম। পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে ছোট্ট পাহাড়ি নদী। তার উপরে একটা ছোট্ট বাঁশের সাঁকো। সেই সাঁকো পেরিয়ে যেতে হয় গ্রামে। দূরে বরফের পাহাড় হাতছানি দিচ্ছে। চারিদিকে সবুজ উঁচু উচুঁ গাছ। মনে হবে কোনও রূপকথার েদশে দাঁড়িয়ে আছেন।
জায়গাটির নাম দোরেম। সিকিম-পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তের অচেনা একটি ছোট্ট গ্রাম। সিকিম মানেই যাঁরা নাথুলা-গ্যাংটক-ছাঙ্গু বলে জানেন তাঁদের সকলের কাছেই একেবারে অচেনা এই গ্রামটি। মাত্র ৬টি পরিবার বাস করে এই গ্রামে। তাহলেই আন্দাজ করতে পারছেন কতটা নির্জন আর অফবিট এই গ্রামটি। দোরেম শব্দের অর্থ হল বিশ্রাম নেওয়া। এখানে যাঁরা বাস করেন তাঁরা সকলেই নেপালি। নেপালি ভাষাতেই কথা বলেন তাঁরা।

বাংলা-সিকিম সীমান্তে রয়েছে গ্রামটি। অনেকেই জানেন না এই অজানা জায়গাটির কথা। আকাশে বাতালে তোনও দূষণ এখনও এখানে ছুঁতে পারেনি। দুদিকে দুটি নদী। মাঝ খানে রয়েছে গ্রামটি। সর্ব সাকুল্যে ৬টি বাড়ি রয়েছে। আমাদের রাজ্যের শেষ গ্রাম। খুব বেশি হয়ে ২০-২২ জনের বাস। চাষের কাজ করেই দিন কাটান এখানকার বাসিন্দারা।
পড়াশোনা করতে এই গ্রামের ছেলে মেয়েরা হয় পশ্চিমবঙ্গে যায় না হলে সিকিমে। গ্রামের ৬টি বাড়িই একেবারে সাবেকি পাহাড়ি ধাঁচের। কাঠের দোতলা বাড়ি দেখতে পাবেন এখানে এলে। এখানে থাকার কিন্তু তেমন কোনও হেম স্টে নেই এখানে আসতে হলে কাগে, লুংসে এই রকম জায়গায় থাকতে হবে। সেখান থেকে আসতে হবে এই গ্রামে। একেবারে সাদামাঠা গ্রামের স্বাদ পেতে হলে এখানে আসতেই হবে। দোরেমের শেষে রয়েছে ঋষি নদী।

গ্রামের একমাত্র মন্দির রয়েছে পাহাড়ের মাথায়। সেখানে পৌঁছতে একটু ট্রেক করতে হয়। পুরোিহতকে ডেকে নিয়ে পৌঁছতে হয় সেই মন্দিরে। তাঁর কাছেই তাকে মন্দিরের চাবি। তিনি প্রতিদিন পুজো দিয়ে আবার ফিরে যান নিেজর বাড়িতে। গ্রামের লোকেরা উৎসব অনুষ্ঠান ছাড়া এখানে আসেন না। মন্দিরের নাম বিশ্বেশ্বর শিবালয়। পুরো দোরেম গ্রামে এই একটিই মন্দির। অনায়াসেই সেখানে চলে আসতে পারেন। একেবারে অন্যরকম অভিজ্ঞতা হবে।












Click it and Unblock the Notifications