Travel: জানেন কোথায় ছিল ঋষি বাল্মিকীর আশ্রম, কোথায় জন্মেছিলেন লব-কুশ, বেড়িয়ে আসুন কলকাতার কাছে সেই জায়গা থেকে
রামায়ণ পৌরাণিক কাহিনি হলেও তার বাস্তবতা নিয়ে অনেক প্রমাণ এবং গবেষণা রয়েছে। জানেন কি কলকাতার কাছেই রয়েছে একাধিক পৌরাণিক স্থান। ওড়িশার ময়ুরভঞ্জ, কেওনঝড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে এমনই অনেক স্থান। শোনা যায় ঋষি বাল্মিকীর আশ্রম ছিল এই অঞ্চলে।

বাল্মিকীর আশ্রম
ঋষি বাল্মিকীর আশ্রম। যার লেখনিতেই রামায়ণ রূপ পেয়েছিল। সেই ঋষি বাল্মিকীর আশ্রম কোথায় ছিল জানেন। কলকাতার কাছেই ওড়িশার কেওনঝড় এবং ময়ুরভঞ্জে রয়েছে সেই আশ্রম। এই বাল্মিকীর আশ্রমেই নাকি লব-কুশের জন্ম দিয়েছিলেন সীতা। এখানে লব-কুশ এবং রাবণ ছায়া নামে তিনটি পাহাড় রয়েছে। সেখানেই নাকি গন্ধমাদন পর্বতের একটা অংশও রয়েছে। এই খান থেকেই গন্ধমাদন পর্বতের একটি অংশ তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন হনুমান।

ভীমকুণ্ড
গন্ধমাদন পর্বদের কাছেই রয়েছে ভীম কুণ্ড। পথে পড়বে বৈতরণী নদী। বর্ষায় সেই নদী আরও স্রোতস্বিনী হয়ে ওঠে। প্রায় ১৫০ ফুট উপর থেকে ঝাঁপিয়ে নীচে পড়ছে বৈতরণী নদী। সেখানে একটি কুণ্ড তৈরি হয়েছে। ২৬০ ফুট গভীর সেটি। ভীমেক গদার ঘায়ে নাকি এই কুণ্ড তৈরি হয়েছিল। সেকারণেই এই কুণ্ডের নাম ভীম কুণ্ড। ১৪ বছর বনবাসের সময় এলাকায় জলকষ্ট দূর করতে এই কুণ্ড তৈরি হয়েছিল

জটেশ্বর শিব মন্দির
এখানকার আরেকটি জনপ্রিয় জায়গা জটেশ্বর শিবমন্দির। তার আগে দেখা মিলবে এক সুন্দরী ঝরনার। ৮০ ফুট উচ্চতা থেকে সজোরে নীচে পড়ছে জলরাশি। সেখান থেকে জটেশ্বর শিবমন্দির দেখার পর মুরগা মহাদেবের মন্দিরও দর্শন করতে পারেন। বিশাল মন্দিরের পাশ দিয়ে ঝরে পড়ছে তিনটি জলধারা। এখানেই শেষ হয়না এখানকার সফর। রয়েছে আরও অনেক দর্শনীয় স্থান।

পুনডুল জলপ্রপাত
এখান থেকে বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরে রয়েছে পুনডুল জলপ্রপাত রয়েছে পাচেরি জলপ্রপাত। কাছেই রয়েছে কারো নদীর উৎস্যস্থল। পাশেই আদিবাসী গ্রাম মেঘহাতাপুরু। আবার কাছেই কিরিবুরু পাহাড়। পুরোটাই আদিবাসী জনজাতিদের বাস। কোথাও সন্ধে হলেই এখানে শুরু হয় ধামসা মাদলে নাচ গান। আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ একানে আদিবাসীদের হাটও দেখার মতো।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications