জানেন কোথায় আছে অবন ঠাকুরের বাড়ি, ঘরের কাছেই রয়েছে সেই বাগানবাড়ি
কলকাতার কাছেই কোন্নগরে রয়েছে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ি
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সকলেই জানেন তাঁর নাম। জানেন কি গঙ্গার পাড়েই রয়েছে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাগানবাড়ি। তাও আবার কলকাতার একেবারেই কাছে। সারা বছরই খোলা থাকে বাগানবাড়িটি। টিকিট কেটে দেখা যায়। অনেকেই জানেন না সেকথা। বাংলা বিমুখ বাঙালির কাছে এই সাহিত্যিকের বাড়ি দেখার সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেখান থেকে ঘুরে আসা যায়।

অবন ঠাকুরের বাংলো
অবনীন্দ্র নাথ ঠাকুর। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান নেহাত কম নয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাইপো। ঠাকুরবাড়ির নাম রেখেছিলেন তিনিও। একদিকে চিত্রশিল্পী অন্যদিকে সাহিত্য। বিশেষ করে শিশু সাহিত্য সৃষ্টিতে তিনি পারদর্শী ছিলেন। তাঁর লেখা ক্ষীরের পুতুল, শকুন্তলা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। তবে অবন ঠাকুরের ছবি আঁকার প্রতি ভালবাসা ছিল অদম্য। আজও অমর হয়ে রয়েছে তাঁর সৃষ্টি। ওমর খৈয়াম, সুজাতা, বুদ্ধ তাঁর জনপ্রিয় তম ছবি গুলির মধ্যে অন্যতম।

অবন ঠাকুরের বাগান বাড়ি
বিশ্বভারতীতে জীবনের অধিকাংশ সময় কাটিয়ে দিলেও হুগলি নদীর পাড়ে একটি বাগান বাড়ি ছিল তাঁর। সেখানে তিনি মাঝে মাঝে এসে থাকতেন। হুগলির কোন্নগরে রয়েছে সেই বাগানবাড়ি। অনেকেই সেকথা জানেন না। সেটি সুন্দর করে আজও সাজিয়ে রাখা হয়েছে। রাজ্য সরকার রক্ষণাবেক্ষণ করেন। দর্শকদের জন্য খুলেও দেওয়া হয়েছে সেই বাগানবাড়িটি। টিকিট কেটে দেখার সুযোগ রয়েছে। গাছগাছালিতে ঠাসা এই বাগানবাড়িতে গেলে মন ভরে যাবে। দেড়শো বছরের পুরনো এই বাড়িটি। এটি তৈরি করেছিলেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাবা।

কী রয়েছে এখানে
অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়িতে হলেও এই বাড়িতে তাঁর শৈশবের দীর্ঘ সময় কেটেছে। এমনকী তার একাধিক ছবি আঁকা সাহিত্য রচনা এই বাড়িটিতে বসেই করেছেন তিনি। শিল্পীর বাড়ি তাঁর বাগান বাড়ির প্রায় প্রতিটি ঘরেই রয়েেছ তাঁর আঁকা ছবির সম্ভার। শিল্পীর আঁকা একাধিক ছবি দিয়ে ঘরগুলি সাজানো রয়েছে। তাঁর তৈরি কাটুম-কুটুমও রয়েছে এখানে। জাপানি চিত্র শিল্পীতেও পারদর্শী ছিলেন অবন ঠাকুর।

কখন যাবেন
এখানে অবন ঠাকুরের আঁকা শাহজাহান এবং মাদার ইন্ডিয়া ছবির রেপ্লিকা দেখা যায়। সপ্তাহের সাত দিনই খোলা থাকে। কোন্নগর স্টেশন থেকে আসা যায় টোটো বা অটোতে আবার গাড়িতেও বালি ব্রিজ পেরিয়ে আসা যায় এই অবন ঠাকুরের বাংলোয়। এখানে ছোটদের খেলার জায়গাও রয়েছে। কাজেই সপ্তাহান্তে অনায়ােসই বেড়িয়ে আসা যায় এই অবন ঠাকুরের বাংলো।












Click it and Unblock the Notifications