যেতে হবে না পাহাড়ে, কলকাতার কাছেই রয়েছে বৈষ্ণোদেবীর মন্দির
বৈষ্ণোদেবীর মূল মন্দিরের আদলে না হলেও এই মন্দিরও যথেষ্ট সুন্দর
বৈষ্ণোদেবী দর্শণ করতে আর ট্রেনে চড়ে দিন রাত কাটিয়ে যেতে হবে না কাটরা। ঘরের কাছেই রয়েছে বৈষ্ণোদেবীর মন্দির। একেবারে কলকাতাতে বললে ভুল হবে না। কারণ এখন বৃহত্তর কলকাতা হয়ে গিয়েছে। বেহালায় তৈরি হয়েছে এই বৈষ্ণোদেবী মন্দির।

বৈষ্ণোদেবী মন্দির
কলকাতাতেই রয়েছে বৈষ্ণোদেবী মন্দির। একেবারে ঘরের কাছে। এক বেলাতেও বেড়িয়ে আসা যায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বেহালায় রয়েছে সেই মন্দির। একেবারে বৈষ্ণোদেবী মন্দিরের আদলে না হলেও সেই বৈষ্ণোদেবী মন্দির কিন্তু কোনও অংশে কম নয়। কাটরার বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে কোনও মূর্তি নেই। একটি শিলাকেই দেবী রূপে উপাসনা করা হয়ে থাকে। কিন্তু বেহালার এই বৈষ্ণোেদবী মন্দিরে রয়েছে দেবীর শ্বেত পাথরের মূর্তি।

কীভাবে যাবেন
বেহালার এই বৈষ্ণোদেবী মন্দিরে গাড়িতে ট্রেনে উভয় পথেই যাওয়ায়। ট্রেনে যেতে হলে শিয়ালদহ স্টেশন থেকে দক্ষিণশাখার বজবজ লাইনের ট্রেন ধরতে হবে। নামতে হবে নিউ আলিপুর স্টেশনে। সেখান থেকে রিকশা করে পৌঁছে যাওয়া যায় এই বৈষ্ণোদেবীর মন্দিরে। না হলে অটো করে যেতে হবে। নামতে হবে চণ্ডীতলায় নামতে হবে। বাসে করেও আসা যায়। ধর্মতলা থেকেডায়মন্ডহারবার রুটের বাসে করে বেহালা ১৪ নম্বর বাসস্ট্যান্ডে নামতে হবে। সেখান থেকে অটোয় চণ্ডীতলা। সেখানেই রয়েছে বৈষ্ণোদেবী মন্দির।

প্রতিদিন খোলা মন্দির
এই মন্দির প্রতিদিন খোলা থাকে। সকাল ৭ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত। কাশী থেকে পুরোহিত নিয়ে আসা হয়েছে মন্দিরের পুজোর জন্য। নিয়ম করে এখানে আরতি এবং বিশেষ পুজো হয়। সেটা দেখতে স্থানীয়রা িভড় করেন। সন্ধেরে দিকে অক অসম্ভব সুন্দর পরিবেশ তৈরি হয় মন্দিরের ভেতরে। এখানে মা চণ্ডীর মন্দিরও রয়েছে। আবার প্রতিবছর জৈষ্ঠ মাসে বড় করে মেলা বসে এখানে।

বিনোদনের পার্ক
মন্দিরের চত্ত্বরেই রয়েছে ছোটদের পার্ক। সেখানে দোলনা থেকে শুরু করে একাধিক খেলার সামগ্রি রয়েছে। কাজেই এই দিরে ছোটেদের নিয়ে এলেও তারা মজা করতে পারবে। মন্দির চত্ত্বরেই রয়েছে একটা জলাশয়। মন্দির চত্ত্বরে আরও অনেক দেবতার মন্দির রয়েছে। মন শান্ত করতে চলে আসুন ঘরের কাছেই এই বৈষ্ণোদেবীর মন্দিরে। অনেকেই গিয়ে উঠতে পারেননি অতদূরে। তাঁদের জন্য রয়েছে এই মন্দির।
ছবি সৌ:ট্যুর অ্যান্ড ডাইন/ইউটিউব












Click it and Unblock the Notifications