এখানেই পূজিত হন শ্বেতকালী, ঘুরে আসুন কলকাতার কাছেই এই আশ্চর্য মন্দির থেকে

শ্বেতকালী। এই নামটি এখন বেশ জনপ্রিয় হয়েছে এক ওয়েব সিরিজের দৌলতে। কিন্তু জানেন কী কলকাতার খুব কাছেই রয়েছে এমনই এক শ্বেতকালীর মন্দির। সাধারণত কালী ঠাকুর কালো বা নীল হিসেবেই পুজো করে থাকি আমরা। কিন্তু এই মন্দিরে কালী প্রতিমার রং সাদা। শ্বেত বর্ণের প্রতিমাই পুজো করা হয়। এক দিনের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন এই মন্দির থেকে।

শ্বেতকালী মন্দির কলকাতায়

শ্বেতকালী মন্দির কলকাতায়

কলকাতার কাছেই রয়েছে শ্বেতকালী মন্দির। শুনে অনেকেই অবাক হবেন। ওয়েব সিরিজের কল্যাণে শ্বেতকালী এখন বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু বাস্তবে শ্বেতকালী মন্দির রয়েছে কলকাতার খুব কাছেই। তার জন্য যেতে হবে কলকাতার একেবারে কাছেই হুগলি জেলায়। হুগলি জেলার রাজবলহাট। সেখানেই রয়েছে এই শ্বেতকালী মন্দির বা রাজবল্লভী মায়ের মন্দির।

রাজবল্লভী মায়ের মন্দির

রাজবল্লভী মায়ের মন্দির

হুগলির রাজবলহাটের এই মন্দির স্থানীয় ভাবে খুবই জনপ্রিয়। প্রায় প্রতিদিনই কোনে ভক্ত সমাগম হয়ে থাকে। এই মন্দিরের নাম অনুসারেই এই জায়গাটির নাম হয়েছে। ৫০০ বছরের পুরনো ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে এই মন্দিরের সঙ্গে। বর্ধমান মহারাজের জামাই সদানন্দ রায় এই মন্দিরটি তৈরি করেছিলেন। ভুরসুট সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল এই রাজবল্লভী মায়ের মন্দির।

শ্বেতকালী

শ্বেতকালী

ইতিমধ্যেই শ্বেতকালী নামে একটি ওয়েব সিরিজ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাস্তবেই সেই শ্বেতকালীর দর্শণ মিলবে এই রাজবল্লভী মায়ের মন্দিরের। গঙ্গামাটি দিয়ে তৈরি করা হয়েছে মায়ের মূর্তি। জ্যোৎস্নার মত শুভ্র তার গায়ের রঙ। তার একহাতে রয়েছে ছুরি আর এক হাতে রক্তপাত্র। বাম পা রয়েছে শিব ঠাকুরের বুকের উপরে আগে ডান পা রয়েছে কাল ভৈরবের বুকের উপরে। প্রতিদিন প্রায় ১২০০ পূন্যার্থীর মহাপ্রসাদ তৈরি হয় এই মন্দিরে।

গড়গড়ায় তামাক পান করেন

গড়গড়ায় তামাক পান করেন

এই মন্দিরের আরকটি বিশেষত্ব হল এই শ্বেতকালী মায়ের প্রসাদ সবটাই সিদ্ধ রান্না। এখানে কাপড় দিয়ে পুজো দেন ভক্তরা। কারণ এই এলাকাটি মূলত তাঁত শিল্পীদের এলাকা। রাতে তাঁকে গড়গড়া দিয়ে তামাক সেবন করেন তিনি। প্রতি ১৩ বছর অন্তর বিগ্রহ বদল করা হয়। গঙ্গামাটি দিয়ে নতুন বিগ্রহ তৈরি করা হয়। অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে তাঁর মূর্তি প্রতিষ্ঠা করা হয় নতুন করে। দুর্গাপুজোর দিন ধুমধাম করে পুজো হয়। নবমীতে এই মন্দিরে মোষবলি হয়ে তাকে।

কীভাবে যাবেন

কীভাবে যাবেন

কলকাতা শহরের একেবারে কাছেই রয়েছে এই রাজবলহাট। হাওড়া স্টেশন থেকে তারকেশ্বর গামী লোকাল ট্রেনে চেপে নামতে হবে হরিপাল স্টেশনে। সেখান থেকে বাসে অথবা টোটোতে করে আসতে হবে রাজবলহাট। রয়েছে একাধিক জায়গা রয়েছে। রাজবলহাটের কাছেই রয়েছে আটপুর। সেখানে স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতি বিজরিত একাধিক স্থান রয়েছে।

ছবি সৌ:পিটিআই ও ফেসবুক

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+