শুধু দক্ষিণ ২৪ পরগনা বা টাকি নয়, জানেন কলকাতার কাছেই রয়েছে আরও এক সুন্দরবন? বেড়িয়ে আসুন ছোট্ট ছুটিতে

মালভূমিতেও হয় সুন্দরবন। বেড়িয়ে আসুন পুরুলিয়ার সুন্দরবন থেকে

সুন্দর বনে সুন্দরী গাছ। সেই সুন্দরী গাছের টানেই দেশ-বিদেশের পর্যটকরা ভিড় করেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবনে। এই জায়গা গোটা দুনিয়ার কাছে বিস্ময়ের। আবার টাকির মিনি সুন্দরবনেও যান অনেক পর্যটক। কিন্তু জানেন কি এই দুই সুন্দরবন ছাড়াও এই বাংলাতেই রয়েছে আরও এক সুন্দরবন। সেটাও কলকাতার কাছেই, কিন্তু একেবারেই অন্যরুটে। পুরুলিয়া জেলায়।

পুরুলিয়ার সুন্দরবন

পুরুলিয়ার সুন্দরবন

পুরুলিয়ায় সুন্দরবন? শুনেই অনেরকে অবাক হবেন। রুক্ষ-শুস্ক মালভূমিতে সুন্দরবন কীভাবে সম্ভব। সুন্দরবন তো জলা জায়গায় হয়। মোহনায় ব-দ্বীপ এলাকায়। যেখানে লবনাক্ত জলের সঙ্গে মিঠে জলের সংমিশ্রন ঘটে। যেখানে উঁকি দেয় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। যার জলে কুমীর-ডাঙায় বাঘ। কিন্তু মালভূমিতে এমন পরিবেশ কোথায়। সেই রহস্য নিয়েই অপেক্ষা করছে পুরুলিয়ার সুন্দরবন। সেই রহস্যের সমাধান করতে হলে আসতে হবে এই অন্যরুটের সুন্দরবনে।

কোথায় আছে সুন্দরবন

কোথায় আছে সুন্দরবন

পুরুলিয়া জেলা জুড়ে বয়ে গিয়েছে দ্বারকেশ্বর নদ। সেই দ্বারকেশ্বর নদীর পাড়েই তৈরি হয়েছে সুন্দরবন। পুরুলিয়ার কাশিপুরে রয়েছে এই সুন্দরবন। যাকে এলাকার লোকেরা বলে রঞ্জনডি যোগমায়া সরোবর। দ্বারকেশ্বর নদের ব্রিজ পেিরয়ে যেতে হয় সেখানে। কাশিপুর টাউন থেকে এর দূরত্ব ৫৫ কিলোমিটার। এখানে নৌকা করে যেেত হবে সেই সুন্দরবন দেখতে। জলা জমিতে গজিয়ে ওঠা জঙ্গল। আর তার জন্যই একে বলা হয় সুন্দরবন। সুন্দরী গাছের দেখা না মিললেও জলে জঙ্গলে সুন্দরবনের থেকে কম কিছু নয়।

কীভাবে যাবেন

কীভাবে যাবেন

পুরুলিয়া শহরের কাছেই রয়েছে রঞ্জনডি। নিকটবর্তী রেলস্টেশন আদ্রা। তার থেকে এই সুন্দরবনের দূরত্ব ১৪ থেকে ১৬ কিলোমিটার। আবার সড়ক পথেও যাওয়া যায়। পুরুলিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে এই রঞ্জনডি যোগমায়া সরোবরের দূরত্ব ৪০-৪৩ কিলোমিটার। গাড়ি নিয়ে অনায়াসে চলে আসা যায়। নৌকা বিহারের ব্যবস্থাও রয়েছে এখানে। যোগমায়া সরোবরের টলটলে জলে নৌকাবিহার মনে করিয়ে দেবে সুন্দরবনের কথা।

থাকার জায়গা

থাকার জায়গা

এখানে ইচ্ছে করলে থাকতেও পারেন। থাকার জায়গাও রয়েছে এখানে। সরোবরের একেবারে পাশেই রয়েছে একানে থাকার জায়গা। পূর্ণিমার রাতে আরও মনোরম হয়। সরোবরে একাংশে রয়েছে সোনা ঝুড়ির জঙ্গল। নৌকা করে েসখানে চলে যাওয়া যায়। জলের অর্ধেক অংশে ডুবে রয়েছে সোনাঝুড়ি গাছ। আবার ডাঙায় রয়েছে সোনাঝুড়ির জঙ্গল। সেখানে পিকনিকও করা যেতে পারে।

ছবি সৌ:এমআর দা এক্সপ্লোরার

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+