Hanuman Janmabhoomi: কর্নাটক নয়, রাম ভক্ত হনুমান নাকি জন্মে ছিলেন এখানে, কলকাতার কাছেই বেড়িয়ে আসুন সেখানে
সকলেই দাবি করে থাকেন কর্নাটক হচ্ছে হনুমানজির জন্মভূমি। সেকারণে কর্নাটককে ল্যান্ড অব হনুমানজি বলা হয়ে থাকে। এই কার্নাটকের যে পর্বতে হনুমানজির জন্ম হয়েছিল। সেখানে প্রতিবছর অগুনতি ভক্ত-পর্যটক ভিড় করেন। কিন্তু অনেকে আবার বিশ্বাস করেন কর্নাটক নয় ঝাড়খণ্ডের গুমলায় জন্মেছিলেন হনুমানজি।
সেখানে নাকি একটি পাহাড় রয়েছে। গুমলা শহর থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে। সেই পাহাড়ের গুহাতেই নাকি জন্মেছিলেন হনুমানজি। সেই পাহাড়ের নাম ঋষ্যমক। রামায়ণেও নাকি সেই পাহাড়ের উল্লেখ রয়েছে। ছোটনাগপুর মালভূমির এই জায়গাকে অত্যন্ত পবিত্র বলে মনে করেন এখানকার বািসন্দারা। প্রতিিদনই এখানে পূন্যার্থীরা আসের পুজো দিতে।

কলকাতা থেকে বেশি দূরে নয় ঝাড়খণ্ডের এই জায়গাটি। বর্ষায় ছত্তিশগড়ের আবহাওয়া অত্যন্ত মনোরম থাকে। কলকাতা থেকে কয়েক ডিগ্রি কম তাপমাত্রা। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা অনেকটাই নেমে যায়। সেকারণে গায়ে চাদর দিয়ে ঘুরতে হয়। কাজেই সপ্তাহান্তের ছুটিতে অনায়াসে বেড়িয়ে আসতে পারেন ঝাড়খণ্ডের এই জায়গা থেকে।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের িদক দিয়েও ঝাড়খণ্ড এখন মনোরম। ছোট নাগপুর মালভূমির অংশ হওয়ায় পাহাড় ঝরনায় ভরা এখানকার পরিবেশ। ঝাড়খণ্ডের ছোট্ট জায়গা গুমলা। ছোট্ট একটা শহর। সেকারণে হয়তো থাকার তেমন এলাহি আয়োজন পাবেন না। তবে এখানকার সঙ্গে নাগবংশীয় রাজাদের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। সেদিক থেকে বলতে গেলে গুমলা একদিকে যেমন পৌরাণিক স্থান তেমনই ঐতিহাসিক স্থানও বটে।

আদিবাসী প্রভাবিত এলাকা। যার কারণে এখানে গেলে যেমন পুরাণ কথিত হনুমানের জন্মস্থান দেখার অভিজ্ঞতা পাবেন তেমনই এখানকার আদিবাসীদের জীবনযাত্রা দেখার সুযোগও মিলবে। গুমলায় রয়েছে তিনটি নদী। দক্ষিণ কোয়েল-উত্তর কোয়েল এবং শঙ্খ নদী। এই নদী তিনটির একাধিক জলপ্রপাত রয়েছে। সেগুলি বর্ষায় আরও সুন্দর হয়ে ওঠে। রাঁচি বা নেতারহাট স্টেশন থেেক গুমলা যাওয়া যায়। কাজেই ট্যুর প্ল্যান সাজাতে কোনো সমস্যা হবে না।












Click it and Unblock the Notifications