জানেন কি এই বঙ্গের মাটিতেই জন্মেছিলেন রামায়ণের লব-কুশ? জেনে নিন কোথায় রয়েছে সেই বাল্মীকির তপোবন

জানেন কী এই বঙ্গের মাটিতেই জন্মেছিলেন রামায়ণের লব-কুশ? জেনে নিন কোথায় রয়েছে সেই বাল্মীকির তপোবন

জানেন কি কোথায় জন্মেছিলেন রামায়ণের লব-কুশ? কোথায় ছিল রামায়ণ রচয়িতা ঋষি বাল্মীকির আশ্রম। এই বঙ্গের মাটিতেই রয়েছে তার প্রমাণ। তার জন্য আসতে হবে ঝাড়গ্রামে। সেখানেই রয়েছে ঋষি বাল্মীকির তপোবন আশ্রম। রয়েছে সীতাকুণ্ড যার আগুন কখনো নেভে না। রয়েছে সীতা নালা যেখানে কোনও ঋতুতে জল শুকিয়ে যায় না।

ঝাড়গ্রাম

ঝাড়গ্রাম

পশ্চিমের জেলা গুলির মধ্যে অন্যতম ঝাড়গ্রাম। আগে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত হলেও এখন ঝাড়গ্রাম আলাদা জেলা হিসেবেই পরিচিত। পর্যটকরা অনেকেই ঝাড়গ্রামে বেড়াতে আসেন। তৈরি হয়েছে অনেক হোটেল রিসর্ড। সাধারণ আদিবাসীদের গ্রাম ঘিরেই পর্যটন কেন্দ্রগুলি গড়ে উঠেছে। ঝাড়গ্রামের পাশেই রয়েছে ঝাড়খণ্ড। অনেকেই ঝাড়গ্রাম থেকে ঝাড়খণ্ডে বেড়াতে যান। শীত কালে মূলক ঝাড়গ্রামে পর্যটকদের ভিড় দেখা যায়। ঝাড়গ্রামকে পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তুলতে অনেক কাজ করেছে রাজ্য সরকার।

বাল্মীকির আশ্রম

বাল্মীকির আশ্রম

এই ঝাড়গ্রামেই রয়েছে বাল্মীকির আশ্রম। রামায়ণ রচয়িতার আশ্রম যে এখানে ছিল সেটা অনেকেই জানেন না। সেকারণে পর্যটকরা এখানে আসেন না বললেই চলে। সেকারণেই এখানে কোনও পাবলিক ট্রান্সপোর্ট পাওয়া যায় না। গাড়ি ভাড়া করে এই তপোবন আশ্রমে আসতে হবে। ঝাড়গ্রাম থেকে তপোবনের দূরত্ব ৬৪ কিলোমিটার। লোধাশুলির জঙ্গল পেিরয়ে রোহিনী হয়ে সুবর্ণ রেখা নদীর পাড়ে রয়েছে ঋষি বাল্মীকির তপোবন। শীতকালে শুকিয়ে যায় সুবর্ণরেখা নদী। সুবর্ণ রেখা নদী পেরিয়ে যেতে হবে শাল-পিয়ালের জঙ্গল। সেখানেই রয়েছে তপোবন আশ্রম।

কী কী রয়েছে দেখার

কী কী রয়েছে দেখার

লাল মাটির রাস্তা চিড়ে ঘন জঙ্গলের মধ্যেই রয়েছে রামায়ণ রচয়িতা ঋষি বাল্মীকির তপোবন। জঙ্গলের বেশ গভীরে রয়েছে সেই আশ্রম। বনদফতরে আওতায় রয়েছে সেই তপোবন। এই জঙ্গলেই হতো দস্যু রত্নাকর থাকতেন। তপোবন আশ্রমে ঢুকতেই দেখা যায় একটি বড় উইয়ের ঢিবি। এর কাছেই রয়েছে একটি বড় শিবলিঙ্গ। সুবর্ণরেখা নদী একটা সময়ে এই তপোবনের পাশ দিয়েই বয়ে যেত। প্রাকৃতিক কারণে সেটা সরতে শুরু করে। এই আশ্রমেই জন্ম হয়েছিল লব - কুশ।

সীতার পর্নকুটির

সীতার পর্নকুটির

তপোবনেই রয়েছে সীতার পর্নকুটির। সেটি যদিও এখন পাকা কুটির তৈরি হয়েছে। লব কুশের জন্মের পর তাঁদের গায়ে তাপ দিতে আগুন জ্বেলেছিলেন সীতা। সেই আগুনের কুণ্ড এখনও জ্বলছে। পাশেই রয়েছে লব কুশের আঁতুরঘর। এখান থেকে কিছু দূরে যেতেই একটি ঘোড়ার মূর্তি দেখা যায়। আসলে এই জায়গাতেই অশ্বমেধের ঘোড়া আটকে রেখেছিল লবকুশ। তার কিছু দূর দিয়েই বয়ে গিয়েছে সীতা নালা। যে নদীর জল কখনও শুকোয় না।
এই আশ্রমেই নস্বর দেহ ত্যাগ করেছিলেন ঋষি বাল্মীকি। তার সমাধিস্থলও রয়েছে সেখানে। এই আশ্রমের কাছেই রয়েছে তিলক মাটির ঢিবি।

ছবি সৌ:ইউটিউব

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+