ডিব্রুগড়কে কেন ‘Tea city of India’ বলা হয়? কীভাবে যাবেন, ঘুরতে গেলে এগুলি দেখতে ভুলবেন না
চা খেতে পছন্দ করেন আমাদের দেশের বেশির ভাগই ব্যক্তিই। চা প্রেমীদের সংখ্যা গুণে শেষ করা কঠিন! এমন অনেকেই রয়েছেন যারা বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ঘুরতে গেলে চা খান আবার রাতে ঘুম না এলেও অনেকে চা খান। এক কথায় চা হচ্ছে সুখ দুঃখের সাথী! তবে আপনি কি চা খেতে ভালোবাসেন?
তাহলে অবশ্যই এই জায়গায় একবার হলেও ঘুরে আসুন। চা উৎপাদনে ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। উৎপাদিত চা ৮০ শতাংশ দেশেই থাকে, ২০ শতাংশ বিদেশে রপ্তানি করা হয়। উত্তর ও দক্ষিণ ভারতে চা উৎপাদিত হয় বেশি।

কোন জায়গাকে tea city of India’ বলা হয়
৮৩ শতাংশ উত্তর ভারত ও ১৭ শতাংশ দক্ষিণ ভারতে চা উৎপাদন হয়। আপনি কি জানেন, সব থেকে বেশি চা কোথায় উৎপাদন হয়? ডিব্রুগড়কে 'tea city of India’ বলা হয়?
চা উৎপাদনে ভারতের একমাত্র শহর ডিব্রুগড়। আর সেই চায়ে কিন্তু সারা বিশ্বে রপ্তানি হয়। যদি আপনি চা খেতে ভালোবাসেন, তাহলে ডিব্রুগড়ে যেতে পারেন।
কোথায় অবস্থিত এই জায়গাটি
ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত অসম। যেখানে ডিব্রুগড় শহর। যা চায়ের জন্যই কিন্তু বিশেষতভাবে পরিচিত। অসম গেলে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি নানান উদ্ভিদ দেখতে পাবেন। সেই সঙ্গে চারিধারেই কিন্তু সুন্দর চা বাগান রয়েছে। যেখানে গেলে আপনার মন ভালো থাকবে।
ডিব্রুগড়কে চায়ের শহর বলা হয় কেন?
ডিব্রুগড়কে চায়ের শহর বলা হয় কেন? কেনই বা অসম ধীরে ধীরে চা শিল্পের জন্য বিখ্যাত হয়ে উঠছে? এখানকার চা বাগানে চা শুধু দেশেই নেই বিদেশেও রপ্তানি হয়। এখানকার চা পাতার রঙ গাঢ়। এই চায়ে দারুন গন্ধ। অসমের ডিব্রুগড়কে চায়ের শহর বলা হয়। তার কারণ এখানে সব থেকে বেশি চা উৎপন্ন হয়।
চায়ের জন্য বিখ্যাত
এখানকার চায়ের নানান গুণ কিন্তু একদমই আলাদা। যা বিশ্বের বাজারে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে। তাছাড়াও ডিব্রুগড় শুধু চায়ের জন্যই নয়, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিখ্যাত। সবুজ চা বাগান, সুন্দর পাহাড়, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত স্থানটি অত্যন্ত সুন্দর। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যও বিখ্যাত।
তাছাড়াও ডিব্রুগড়ের সংস্কৃতি, অসমীয়া, ঐতিহ্য উৎসবে সমৃদ্ধ। অসমের বহু লোকসংগীত ও নৃত্যের কারণে অন্যান্য জায়গার তুলনায় এই জায়গাটি বেশি আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
বিমানে কীভাবে যাবেন
আপনি ডিব্রুগড়ে যেতে চান, তাহলে এখানে পৌঁছাবার জন্য প্লেনে, ট্রেনে কিংবা বাসে যেতে পারেন। মোহনবাড়ি বিমানবন্দর থেকে খুব সহজেই পৌঁছে যাবেন এই জায়গায়। তাছাড়া ডিব্রুগড় থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই জায়গাটি। দিল্লি থেকে কলকাতা হয়ে গুয়াহাটি থেকে আপনি বিমান পেয়ে যাবেন।
ট্রেনে যান এই উপায়ে
যদি ট্রেনে যান, তাহলে ডিব্রুগড়ের দুটি রেল স্টেশন রয়েছে। একটি ডিবিআরটি, আরেকটি ডিবিআরজি রেলওয়ে স্টেশন। ভারতের প্রথম শহর গুলির সঙ্গে কিন্তু সংযুক্ত এটি। দিল্লি থেকে ডিব্রুগড় প্রায় তিনটি ট্রেন চলে।
সড়ক পথ
আপনি যদি সড়ক পথে যান, তাহলে গুয়াহাটি থেকে ডিব্রুগড়ের দুরত্ব প্রায় ৪৫০ কিলোমিটার। এই এখানে যেতে গেলে বাস, ট্যাক্সি খুব সহজেই পেয়ে যাবেন
কী কী দেখবেন
এখানে ঘুরতে গেলে অবশ্যই চা বাগানে যাবেন। ডিব্রুগড় আপনি গিয়ে সবুজ চা বাগান দেখতে পাবেন। কীভাবে চা চাষ করা হচ্ছে, কোথায় চা গাছ রাখা হচ্ছে সব দেখতে পাবেন। আর অবশ্যই ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত ডিব্রুগড় শহরটি কিন্তু অসাধারণ। এখানকার সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্তের অপরূপ দৃশ্য দেখতে একদমই ভুলবেন না।












Click it and Unblock the Notifications