মিনি দার্জিলিং, গরমের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন এমনই অফ অফবিট লোকেশনে
দার্জিলিং কিন্তু দার্জিলিং নয়। শুনে অনেকেই অবাক হবেন। একথায় বলতে গেলে দার্জিলিংয়ের কাছে সেকেন্ড দার্জিলিং বা মিনি দার্জিলিং। এমননিতে বাতাসিয়া লুপের থেকে দার্জিলিংয়ের উচ্চতা কম। সেকারণে কাঞ্জনজঙ্ঘার সবচেয়ে ভাল ভিউ পাওয়া যায় এই বাতাসিয়া লুপ থেকে।

অফবিট উত্তরবঙ্গ
উত্তরবঙ্গ মানেই বেড়ানো। যেদিকে ২ চোখ যায় সেদিকে মন ছুটে যায়। একবার এনজেপি স্টেশনে নামতে পারলে হল। এখনতো আর ট্রেনের অভাব নেই। একদিনেই পাহাড়ে চড়ে পরা যায়। বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের দৌলতে বাঙালির পায়ের সরষে যেন আরও গতিশীল হয়ে উঠেছে। হাওড়া স্টেশনে যখনই পৌঁছন না কেন এখন এনজেপি পৌঁছনোর ট্রেনের অভাব নেই। কাজেই একবার মনস্থির করে ফেলতে পারলেই হল।

মিনি দার্জিলিং
উত্তরবঙ্গে বিশেষ করে পাহাড়ে অফবিট লোকেশনের ছড়াছড়ি। দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং ছেড়ে এখন সকলে অইফবিল লোকেশনেই ছুটছেন। এমনই একটা অফবিট লোকেশন মিনি দার্জিলিং। দার্জিলিং জেলার মধ্যে দার্জিলিং শহরের কাছে কিন্তু সেটাকে দার্জিলিং বলা যায় না। অথচ এখানে কাঞ্চজঙ্ঘার বিস্তৃতি দার্জিলিংকেও হার মানাবে। আসনে জায়গাটির নাম মিলন বস্তি।

দার্জিলিং শহর থেকে কতদূরে?
দার্জিলিং শহর থেকে খুব বেশি দূরে নয় এই মিলন বস্তি। ৩ থেকে চার কিলোমিটার দূরে। সেখানে হোম স্টে থেকে কাঞ্জন জঙ্ঘার বিস্তৃতি অপূর্ব। সামনেই আবার চা বাগান। কাঞ্চনজঙ্ঘা যেন চায়ের আঁচল পেতে বসে রয়েছে। হোম স্টের ব্যালকনিতে বসেই দেখা যায় কাঞ্জন জঙ্ঘা। বিছানাতে শুয়েও দুচোখ ভরে কাঞ্জনজঙ্ঘা দেখতে পারবেন। এতটাই স্পষ্ট এখানকার ভিউ।

সূর্যোদয়ের অপরূপ দৃশ্য
এখানে থাকলে কাকভোরে উঠে টাইগার হিলে দৌড়তে সময় লাগবে না। ঘরে বসেই সূর্যোদয় দেখা যায়। আর রাতের সৌন্দর্য তো আরও অসাধারণ। ঘরে বসে বা হোম স্টের বারান্দায় বসে রাতের আলো ঝলমলে দার্জিলিংকে উপভোগ করতে পারবেন। অন্ধকার নামতেই জোনাকি পোকার মত পাহাড় জুড়ে জ্বলে ওঠে সহস্র আলো। এতটাই সুন্দর এখানকার ভিউ। আবার দার্জিলিংও বেশি দূরে নয়। এখান থেকে অনায়াসে যাওয়া যায়।
প্রতীকী ছবি সৌজন্য ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications