জঙ্গলে ঘেরা রাস্তা আর চা-বাগান, বেড়িয়ে আসুন দার্জিলিংয়ের কাছে অফবিট রঙ্গারুন থেকে
গরমে জেরবার রাজ্যবাসী তলতি তলপা নিয়ে ছুট দিচ্ছে পাহাড়ে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াংয়ে এখন ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই দশা। যাঁরা হোটেল বুকিং পাচ্ছেন না তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে দার্জিলিংয়ের কাছে অফবিট লোকেশন রঙ্গারুন।

গরমের পাহাড় মুখী পর্যটকরা
দিঘা-মন্দিরমনির দিকে ভুলেও তাকাচ্ছেন না কেই। সেখানকার হোটেলগুলো যেন খাঁ খাঁ করছে। গরমের দাপট এতটাই যে সমুদ্রের জল গায়ে লাগলেই ফস্কা পড়বে। বাঙালি তাই এবার পাহাড় মুখী। যে পারছেন উত্তরবঙ্গে পাড়ি দিচ্ছে। তাই পাহাড় এবার পর্যটনে সুপারহিট হয়ে গিয়েছে। পর্যটকদের ঢল এতটাই যে উত্তরবঙ্গের প্রধান পাহাড়ি এলাকা দার্জিলিং, কালিম্পং, কার্শিয়াং, লাভা, লোলেগাঁও, রিশপ কোথাও আর জায়গা নেই। হোটেল থেকে হোমস্টে সর্বত্র ভিঁড়ে ঠাসা।

অফবিট রঙ্গারুন
কোথাও যেহেতু জায়গা পাওয়া যাচ্ছে না। ছুটি কাটানোর তাই ভরসা এখন পাহাড়ের ছোটছোট অফবিট ডেস্টিনেশনগুলি। তার মধ্যে একটি রঙ্গারুন। দার্জিিলংয়ের কাছে। এখানকার হোমস্টে গুলিতে ঘর থেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। কাজেই দার্জিলিংয়ে থাকতে না পারার কষ্ট অনায়াসেই ভুলিয়ে দেবে এই রঙ্গারুন। কাছেই রয়েছে চা-বাগানও। জোরবাংলো হয়ে যেতে হয় রঙ্গারুনে।

জঙ্গলের রাস্তায় ভ্রমণ
রঙ্গারুন যেতে হলে জোরবাংলো হয়ে যেতে হয়। ধাপে ধাপে সমতলের রাস্তা পাহাড়ে ওঠে। পথে যেতে যেতেই বদলে যায় পরিবেশ। পাহাড় ধীরে ধীরে উঁচু হতে থাকে। ধাপে ধাপে পাক খেয়ে খেয়ে উঠতে থাকে রাস্তা। রঙ্গারুন যেতে হলে জঙ্গলের পথ দিয়ে। সেই জঙ্গে বন্য জন্তুর বাস। ভাগ্য ভাল থাকলে দেখা হয়ে যেতে পারে ব্ল্যাক প্যান্থার-রেড পান্ডার। খুব একটা চওড়া রাস্তা নয় । তবে এই জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে যাওয়ার একটা রোমাঞ্চ আছে।

পাইনের জঙ্গল আর চা বাগান
রঙ্গারুনে কাটিয়ে দেওয়া যায় বেশ কয়েকটা দিন। পাহাড়ের ধাপ কেটে কেটে তৈরি করা হয়েছে চায়ের বাগান। এখানে ট্রেক করার ব্যবস্থাও রয়েছে। এখানে চা প্রসেসিং ইউনিটও রয়েছে। যেখানে গেলে দেখা যায় কী ভাবে চা তৈরি হয়। এখানে ব্রিটিশ আমলে চা প্রসেসিং ইউনিট রয়েছে। সেটা মিউজিয়াম করে রাখা হয়েছে। দার্জিলিং থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে রয়েছে এই রঙ্গারুন। এখান থেকে ট্রেক করে টাইগার হিল যাওয়া যায়।
ছবি উত্তরবঙ্গের প্রতীকী ছবি












Click it and Unblock the Notifications