Travel: পাহাড়ের নির্জনতায় সঙ্গীর সঙ্গে কাটিয়ে আসুন এই অফবিট লোকেশনে
উত্তরবঙ্গের পরেই বাঙালি পর্যটকদের সেরা পছন্দের জায়গা হল সিকিম। সিকিমে আমাদের প্রতিবেশী রাজ্য হলেও। ওখানকার বাসিন্দারাও যেন মনে প্রাণে বাঙালি হয়ে উঠেছে। সিকিমের সিংহভাগ এলাকা বাসিন্দাই বাংলা বুঝতে পারেন। সেখানে মেলে বাঙালি খাবারদাবারও।
সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকে একাদিক বাঙালি হোটেলও রয়েছে। এক কথায় বাঙালি পর্যটকদের দ্বিতীয় ঘর বলতে সিকিমকেই বোঝায়। কাজেই যাঁরা হানিমুনে সিকিমে যাওয়ার কথা ভাবছেন তাঁরা চলে আসতে পারে এই অফবিট লোকেশনে। যার নাম দরাপ গ্রামে। একেবারেই অচেনা একটা জায়গা।

এই সময় সিকিম আরও সুন্দরী হয়ে ওঠে। ধীরে ধীরে ঠান্ডার দাপট থেকে বেরিয়ে এসে বসন্তের দিতে এগোতে থাকে পাহাড়। পেলিংয়ের একেবার কাছেই রয়েছে এই ছোট গ্রাম। পেলিংয়ের কথা আমরা সকলেই জানি। সিকিম মানে পেলিং সাইড সিইং তো আবশ্যিক। এই পেলিংয়ের কাছেই রয়েছে দরাপ ভিলেজ। পেলিংয়ের কাছে হলেও এখানে এখনও তেমন পর্যটকদের দেখা মেলেনি।
একেবারে সিকিমের আনকোড়া গ্রাম যেমন হয় দরাপ গ্রামও তেমনই। সিকিমের বাসিন্দাদের যেমন ঘর থাকে তেমনই ঘরবাড়ির দেখা মিলবে। এখান থেকে কাঞ্জনজঙ্ঘা ছাড়াও একাধিক তুষারমাখা পাহাড়ের ভিউ পাওয়া যায়। গ্রামের চারপাশ জুড়ে পাহাড়ের ভিউ। এই গ্রামে মূলত লেপচা বাসিন্দাদের বাস।
লেপচা গ্রামবাসীদের আতিথেয়তায় মুগ্ধ হয়ে যাবেন। হুড়োহুড়ি করে পাহাড় দেখা নয়। একেবারে নির্জনতায় পাহাড়ের শব্দ শুনতে শুনতে দিন কাটাতে পারবেন। পাহাড়ের নির্জনতা আক্ষরিক অর্থেই এখান থেকে উপভোগ করা যায়। সারাদিন গ্রামের মধ্যে স্লো ওয়াকিং বা ভিলেজ ওয়াক করে কাটিয়ে দিতে পারবেন। তার সঙ্গে সিকিমের নানা রকমের খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন।
লেপটা জনজাতির গ্রামে কীরকমের হয় খাবারদাবার। কীভাবে রান্না করা হয় সব কিছু দেখতে পাবেন। গ্রামে ঘুরতে ঘুরতেই দিন কেটে যাবে। অসংখ্য অর্কিডের বাগান দেখতে পাবেন। পেলিং থেকে গাড়ি নিয়েও যাওয়া যায়। আবার ৩ মিনিট হেঁটে গেলেই যাওয়া যায় দরাপ ভ্যালি।












Click it and Unblock the Notifications