Chopta: ঘরের কাছেই মিনি সুইৎজারল্যান্ড, দার্জিলিং না গিয়ে বেড়িয়ে আসুন এই স্বর্গীয় পাহাড়ি গ্রামে
স্বর্গের মতো সুন্দর সেই উপত্যকা। দুচোখ ভরে দেখেও যার সৌন্দর্য শেষ হয় না। এতোটাই সুন্দর এই পাহাড়ি গ্রাম। যাকে ভারতের সুইৎজারল্যান্ড বা মিনি সুইৎজারল্যান্ড বলা হয়। সুইৎজার ল্যান্ডে বিশ্বের সবাই ছুটে যান প্রকৃতির সৌন্দর্যের টানে। অথচ আমারের ঘরের কাছেই রয়েছে সেই সৌন্দর্য।
উত্তরাখণ্ডের ছোট্ট গ্রাম চোপসা। উত্তরাখণ্ড মানেই বাঙালির কাছে হরিদ্বার, ঋষিেকশ আর চার ধাম। কিন্তু তার বাইরেও উত্তরাখণ্ডের সৌন্দর্য যে অসীম সেটা অনেকেই জানেন না। চোপতা সেরকমই একটি জায়গা। পর্যটকের সমাগম খুব বেশি নয়। কারণ উত্তরাখণ্ড দেবভূমি বলেই মনে করেন অধিকাংশ পর্যটক। সেকারণে তীর্থস্থানগুলিতেই ভিড় করেন সকলে।

কিন্তু চোপতার সৌন্দর্য এতোটাই একে মিনি সুইৎজারল্যান্ড বলা হয়। গাড়োয়াল হিমালয়ের অংশ এটি। একে প্যারাডাইস বললে ভুল হবে না। সারা বছরই চোপতায় যাওয়া যায়। তবে অক্টোবর মাস থেকে চোপতার সৌন্দর্য আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায়। পঞ্চকেদারে যাঁরা যান তাঁরা এই চোপতায় হল্ট করেন। কিন্তু চোপতার সৌন্দর্য উপভোগ করেন না।
চোপতা একটি মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত উপত্যকা। যার একদিকে রয়েছে কেদারনাথ, মদমহেশ্বর আর আরেক দিকে রয়েছে রুদ্রনাথ, কল্পেশ্বর, তুঙ্গনাথ। তুঙ্গনাথকে ভারতের সবচেয়ে উঁচ্চস্থানে অবস্থিত শিবমন্দির বলা হয়। যাঁরা তুঙ্গনাথ ট্রেক করে যান তাঁরা চোপতায় থাকেন।

হিমালয়ের এই ছোট্ট উপত্যকা থেকে দেখা যায় বিস্তীর্ণ হিমালয়। ত্রিশূল-নন্দাদেবী ও চৌখাম্বা পিক একসঙ্গে দেখা যায় এই চোপতা থেকে। ২৬৮০ মিটারক উচ্চতায় অবস্থিত এই উপত্যকা। সূর্যের আলোয় হিরের মতো ঝকঝক করে হিমালয়ের শিখরগুলি। চোপতার চারিদিকে রয়েছে জঙ্গল। দেবদারু-রডোডেনড্রন, ম্যাপেল জঙ্গল। অসম্ভ সুন্দর এই উপত্যকায় আসার সহজ পথ হল উখি মঠ থেকে গাড়িতে চোপতা আসা। আবার হরিদ্বার থেকে সোজা গাড়িতেও আসা যায় এই চোপতায়।
তবে চোপতায় যাওয়ার আগে কয়েকটা জিনিস জেনে রাখা ভাল। এখানে বিদ্যুৎ নেই। নেই কোনও মোবাইলের টাওয়ারও কাজেই। প্রকৃতির সঙ্গে নিবিড় হয়ে মেশার সুযোগ রয়েছে এখানে। চোপতায় থাকার খুূব একটা এলাহি থাকার জায়গা নেই। কয়েকটি ছোট ছোট েগস্ট হাউস রয়েছে মাত্র। সেখানেই সাদা মাঠা খাওয়াদাওয়া থাকার বন্দোবস্ত।












Click it and Unblock the Notifications