চিসাং ভ্যালি, কালিম্পংয়ের অজানা রূপ দেখতে চলে আসুন
বর্ষা এবার দেরিতেই ঢুকবে দেশে। কাজেই হাতে অনেকটা সময় পাওয়া গিয়েছে। আবার রবিবার থেকেই নাকি গরম বাড়তে শুরু করবে। কাজেই বেড়িয়ে পড়ুন ব্যাগ গুছিয়ে। চলে আসুন চিসাং ভ্যালিতে। বেশি দূরেও নয় একেবারে ঘরের কাছে।

চিসাং ভ্যালি
চিসাং ভ্যালি। কালিম্পংয়ের কাছে অফবিট ডেস্টিনেশন। কালিম্পং জেলার ছোট্ট গ্রাম এই চিসাং। দূরের কাঞ্জনজঙ্ঘা আর একদিকে ভুটান। এই ভ্যালিতে দাঁড়িয়ে ভুটান দেখা যায়। অর্থাৎ ভুটান সীমান্তের কাছে বলে এখানকার পরিবেশ একেবারেই অন্যরকম। কাফের গাঁও থেকে চিসাং ভ্যালিতে অনায়াসে আসা যায়। কালিম্পংয়ে এই দিকটায় খুব কম পর্যটকই আসেন। সেকারণে খুব েকটা ভিড় হয় না এখানে।

নাথুলা রেঞ্জ
চিসাং থেকে নাথুলা রেঞ্জ, জোরথাং পুরোটা দেখা যায়। চাপরামারি ফরেস্টের মধ্যে দিয়ে যেতে হয় চিসাং ভ্যালিতে। আবার কালিম্পং থেকে গরুবাথান হয়ে চালসা হয়েও চিসাং পৌঁছনো যায়। চালসা ভ্যালি থেকে চাপরামারি ফরেস্টের মধ্য দিয়ে ২০ কিলোমিটার পথ রয়েছে। এখানে এলে সময় অনেকটা এগিয়ে যায়। চিসাং ভ্যালি ভুটান সীমান্তে থাকার কারণে সময় এখানে আধঘণ্টা এগিয়ে যায়। কারণ ভুটানের সময় ভারতের সময় থেকে আধঘণ্টা এগিয়ে।

ইন্টারনেট ভুটানের
চিসাং যেহেতু একেবাবে ভুটান সীমান্তের একটা গ্রাম। সেকারণে এখানে ভারতের বিএসএনএল ছাড়া আর কোনও ফোনের টাওয়ার পাওয়া যায় না। ভুটানের সিম থাকতে তবেই মোবাইলের টাওয়ার পাওয়া যায়। এয়ারটেল বা ভোডাফোন, জিও কোনও কিছুর নেটওয়ার্ক এখানে পাওয়া যায় না। এক কথায় ইন্টারনেট মোবাইল ছাড়া নির্ভেজাল ছুটি কাটানো যায়। সারাদিন কেবল প্রকৃতির সঙ্গে কথা বলে কাটিয়ে দিতে পারবেন সকলে।

জিরো পয়েন্ট
সকাল সকাল ব্রেক ফাস্ট সেরে বেড়িয়ে আসা যায় জিরো পয়েন্ট। অর্থাৎ দুই দেশের সীমান্ত যেখানে মিশে গিয়েছে। ভুটান পাহাড় এখান থেকে পরিষ্কার দেখা যায়। জিরো পয়েন্ট থেকে ভুটানের সীমান্ত আরও পরিষ্কার দেখায়। পুরো ৩৬০ ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায়। সীমানা খোলা নদী দেখা যায় এই িজরো পয়েন্ট থেকে। এখান থেকে নামার সময় মূর্তি নদীর পাড়ে বেশ কিছটা সময় কাটিয়ে দেওয়া যায়।












Click it and Unblock the Notifications