Chalsa: নদীর জলে পা ডুবিয়ে কাটিয়ে দিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা, সপ্তাহান্তের ছুটিতে চলে আসুন এখানে
পড়ন্ত বিকেলের রোদ গায়ে মেখে নদীর জলে পা ডুবিয়ে বসে থাকা অসীম অবসরে। সপ্তাহান্তের এমন একটা দিন পাওয়া কিন্তু খুব একটা সুঃসাধ্য নয়। তার জন্য আসতে হবে ডুয়ার্সের এই জায়গায়। অনেকেই এখন ডুয়ার্সের কথা বললে ভাববেন বর্ষায় তো জঙ্গল বন্ধ।
সেটি ঠিক কথা কিন্তু শুধু জঙ্গল নিয়েই যে ডুয়ার্স নয় সেটা অনেকেই জানেন না। জঙ্গলের বাইরেও ডুয়ার্সের অনেক কিছু রয়েেছ। অনেক দেখার জায়গা রয়েছে। ঠিক সেরকমই একটি জায়গা এই চালসা। পাহাড়ের পাদদেশের এই জায়গাটির নাম চালসা। অনেকেই নাম শুনে থাকবেন কিন্তু বেড়ানোর জায়গা হতে পারে সেটা অনেকেই জানেন না।

কিন্তু চালসা সত্যিই অসম্ভব সুন্দর একটি জায়গা। যেখানে গেলে মন ভাল হতে বাধ্য। ছোট ছোট অজানা দুটি পাহাড়ি নদী একসঙ্গে এসে মিশেছে। পাথুরে খাতের মধ্যদিয়ে ছুটে যাচ্ছে উচ্ছ্বল গতিতে। মাঝে মাঝে বড় বড় পাথরে দুদণ্ড জিরিয়ে নিতে পারবেন। সেখানে গেলে মনে হবে কোনও জলরঙে আঁকা ছবির মতো চারিদিক।
নদীর দুই দিকে দু রকম দৃশ্য একদিকে জঙ্গল যেখানে এখন যাওয়া নিষেধ। আরেক দিকে চা বাগান। মােঝ একফালি উপত্যকা। সেখানে আবার রয়েছে একটি রেস্তোরাঁ। পর্যটকদের কথা মাথায় রেখেই সেই রোস্তোরাঁ করা হয়েছে। বর্ষাস্নাত চা বাগান আরও সবুজ দেখায়। এবার দেরিতে বর্ষা আসার কারণে চা চাষে অনেক ক্ষতি হয়েছে। যদিও সেই ক্ষতি পুষিয়ে দিয়েছে বৃষ্টি।

বর্ষার প্রথম থেকে ভেসেছে উত্তরবঙ্গ। আর সবুজ থেকে সবুজ হয়েছে চা বাগান। চালসাকে সাধারণত ডুয়ার্সের গেটওয়ে বলা হয়ে থাকে। পাহাড় আর সমতলের পারফেক্ট সঙ্গম বললে ভুল হবে না। এতোটাই সুন্দর চালসা। জঙ্গল না দেখলেও কোনও ক্ষতি নেই চালসার এমনি ঘুরে বেড়ালেই মন ভাল হয়ে যায়। মাঝে মাঝে একটু চা বাগানেও হেঁটে নিতে পারেন। মোটের উপর উপভোগ্য সময় এখানে কাটিয়ে আসতে পারেন সকলে।












Click it and Unblock the Notifications