Bonedi Barir Durga Puja: শ্রীরামকৃষ্ণদেব নিজে দেখতে এসেছিলেন, দেখে আসুন চাঁদ সদাগরের উত্তর পুরুষের বাড়ির পুজো
বাঁকুড়ার প্রাচীণ দুর্গাপুজো গুলির মধ্যে একটি হল কোতুলপুর জমিদারবাড়ির পুজো। এই বাড়ির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অনেক ইতিহাস। পৌরাণিক কাহিনী। শোনা যায় কোতুলপুর জমিদারবাড়ির ভদ্ররা ছিলেন চাঁদ সদাগরের উত্তরপুরুষ। তাঁদের মূল ব্যবসা ছিল লবন আমদানি ও রপ্তানি করা।
প্রায় সাড়ে তিনশো বছর আগে বর্ধমানের তৎকালীন রাজা উদয়চাঁদ মহতাবের কাছ থেকে কোতুলপুরের ১৭টি তালুকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন তাঁরা। সেই থেকেই এই জমিদার বাড়ির জন্ম। একদিকে ব্যবসা আরেকদিকে জমির সত্ত্ব দুয়ে মিলে বেশ প্রতিপত্তি তৈরি করেছিলেন এই কৌতুলপুরের ভদ্র পরিবার।

আরও প্রতিপত্তি যাতে বাড়ে তার জন্য দুর্গাপুজোর সূচনা করেছিলেন তাঁরা। ঠাকুরদাস ভদ্র এবং গোবিন্দরাম ভদ্র দুই ভাই পরে পৃথক হয়ে গিয়ে দুটি পুজো করা শুরু করেন। তবে শিবদুর্গার মূর্তি একত্রেই পুজো হয়ে থাকে। এই পরিবারের বংশধরদের কাছে শোনা যায় ১২৮৭ বঙ্গাব্দ নাগাদ নাকি রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব এসেছিলেন তাঁদের বাড়িতে। এবং দুই বাড়ির পুজোর আরতি দেখেছিলেন তিনি।
এখন আর এই জমিদারবাড়ির পুজোয় সেই জৌলুস না থাকলেও ঐতিহ্য মেনে পুজোটা ঠিক হয়। এই কোতুলপুরে কিন্তু পুজো ছাড়াও দেখার অনেক কিছু রয়েছে। ভদ্রদের পূর্ব মুখী পঞ্চরত্ন শ্রীধর জিউ মন্দির। পশ্চিমমুখী গিরি গোবর্ধন মন্দির। হালদার পাড়ার ইটের দক্ষিণমুখী দালান মন্দির। কাজেই পুজোর কটা দিন একটু অন্যরকম ভাবে কাটাতে চাইলে বেড়িয়ে আসুন সেখান থেকে।












Click it and Unblock the Notifications