Bonedi Barir Durga Puja: এখানে নবমীতে হয় কুমারী পুজো, দেখে আসুন বালির ঘোষবাড়ির পুজো
বেলুড় মঠ থেকে শুরু করে একাধিক রামকৃষ্ণ মিসনের শাখায় আজ হয়েছে কুমারী পুজো। অনেক বাড়ির পুজোতেও কুমারী পুজো হয়েছে। যাঁরা মিস করে গিয়েেছন তাঁরা আগামীকাল চলে আসুন বালির ঘোষবাড়ির পুজোতে।
মহানবমীতে এখানে হয় কুমারী পুজো। বেশ ধুমধাম করেই এই ঘোষবাড়িতে দুর্গাপুজো হয় প্রতিবছর। এই পুজো শুরু করেছিলেন বাবু হরিবোল ঘোষ। পুজো শুরুর নেপথ্যে রয়েছে সুন্দর একটি কাহিনী। কথিত আছে বাব হরিবোল ঘো,ের বাড়িতে এক বালিকা এসে হঠাৎই হাজির হয়েছিল। গা ভর্তি সোনার গয়না তার। তাঁকে দেখে মুগ্ধ হয়ে যান তিনি। বালিকা হরিবোল ঘোষকে জানায় তাঁর জিনিসপত্র গঙ্গার ঘাটে এসে গিয়েছে।

কন্যার কথা শুনে অনেকটা চমকেই গিয়েছিলেন তিনিয। কারণ তাঁর কোনো জিনিসই নদী পথে আসার কথা ছিল না। কিন্তু বালিকা নাছোড় শেষে হরিবোল ঘোষ মেয়েটির কথা মতো গঙ্গার পাড়ে রওনা হন। কিন্তু গঙ্গার পাড়ে আসতেই তিনি আর বালিকাকে দেখতে পাননি। দেখতে পাননি কোনো সামগ্রিও।
বাড়ি ফিরতেই হরিবোল ঘোষ দেখেন তাঁর বাড়িতে কুলপুরোহিত এসেছেন। তিনি জানান মা জগদম্বা তাঁর বাড়িতে পুজো পেতে চান। তিনি নাকি পুরোহিতকে স্বপ্নাদেশ দিয়েছেন। এদিকে তখন পুজো আসকতে মাত্র একমাস বাকি। এতো কমসময়ের মধ্যে কীভাবে হবে পুজোর আয়োজন। কতাতেি তাড়াহুড়ো করে গোলপাতার ছাউনি করে গঙ্গায় ভেসে আসা কাঠ দিয়ে তৈরি হয়য় কাঠামো। মাত্র ৫০ টাকা খরচ ককরে প্রথম পুজো করেছিলেন তিনি। গোটৈ বালি সেসময় বেলা ঘোষবাড়িতে প্রসাদ খেয়েছিল।
তৈারপর থেকে আজও চলে আসছে পুজো। প্রতিমার গায়ের রং হলুদ , অসুরের গায়ের রং সবুজ। ঘষ পরিবার বৈষ্ণব মতে বিশ্বাসী সেকারণে পসু বলি হয় না এই বাড়ির পুজোয়। সপ্তামী এবং অষ্টমীতে চালকুমড়ো বলি হয়। নবমীতে হয় কুমারী পুজো। দেবীকে অন্ন ভোগ দেওয়া হয় না। পাঁচ রকমের ভাজা সহ লুচি ভোগ দেওয়া হয়। এই বা়িতে প্রতিদিন চণ্ডীপাঠ হয়। সন্ধিপুজোর পর বাড়ির শিশুরা কাদামাটি খেলায় মেতে ওঠে।












Click it and Unblock the Notifications