Bonedi Barir Durga Puja: পটচিত্রেই হয় দেবীর আরাধনা, কলকাতার কাছেই দেখে যান এই বাড়ির পুজো
কোন মাটির মূর্তি নয়, বাঁকুড়ার সিমলাপালের পার্শ্বলা, কুকড়াকোন্দড় আর রানিবাঁধের আখখুটার মল্লিক বাড়িতে দেবী দুর্গা পূজিতা হন পটচিত্রে। গ্রামের মল্লিক বাড়ির ব্যতিক্রমী এই পূজোকে ঘিরে আনন্দোৎসবে মেতে ওঠেন এলাকার মানুষ।
মল্লিক পরিবার সূত্রে খবর, ২৮০ বছরেরও বেশি আগের কথা, হুগলির গোঘাটের শ্যামবাজার ফুলুই গ্রামে মহামারির প্রকোপ দেখা দিলেন বাঁকুড়ার সিমলাপালের পার্শ্বলা গ্রামে চলে আসেন পেশায় ব্যবসায়ী জনৈক ক্ষেত্রমোহন মল্লিক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

এখানে এসেই স্থানীয় রাজার কাছ থেকে পার্শ্বলা, কুকড়াকোন্দড়, আখখুটা সহ ২২ টি মৌজা কেনেন। এর আগে শ্যামবাজার-ফুলুই গ্রামের মল্লিক বাড়িতে দেবী দুর্গার প্রস্তর মূর্তিতে মহাধূমধামে পূজা হতো। পরে সেই মূর্তি পার্শ্বলা গ্রামে আনার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের কাছ থেকে বাধা পান।
পরে কুলগুরুর নির্দেশে পটচিত্র অঙ্কন করে দেবী দুর্গার আরাধণা শুরু হয়। সেই প্রথা এখনো চলে আসছে। তবে পরবর্ত্তী সময়ে মল্লিক পরিবারের সদস্যরা আখখুটা ও কুকড়াকোন্দড়ে ছড়িয়ে পড়ায় একইভাবে ওই দুই জায়গাতেও পটচিত্রে দেবী আরাধণা শুরু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
শুধু পটচিত্র নয়, ক্ষেত্রমোহন মল্লিকের হাত দিয়ে শুরু হওয়া এই পূজোর নিয়ম কানুনেও রয়েছে বৈচিত্রের ছোঁয়া। সপ্তমী থেকে নবমীতে আখ-কুমড়ো বলির পাশাপাশি সন্ধিক্ষণে ছাগ বলির প্রথা এখনো বজায় আছে। তবে ঘট বিসর্জন থেকে সিঁদুর খেলা সবকিছুই রাতের বেলায় অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে।












Click it and Unblock the Notifications