Bonedi Barir Durga Puja: ভিড় এড়িয়ে চলে আসুন শহরের কাছে এই গ্রামে, দেখে আসুন ৩০০ বছরের প্রাচীন পুজো
শ্রীভূমিতে এখন থেকেই জনজোয়ার শুরু হয়ে গিয়েছে। বাদ যাচ্ছে না সুরুচি সংঘ। শহরের রাস্তায় যাকে বলে জনজোয়ার নেমেছে। এই ভিড়ে অনেকেই ঠাকুর দেখতে পছন্দ করেন না তাঁরা চলে আসুন শহরের একটু বাইরে ডায়মন্ড হারবারের বারদ্রোণ গ্রামে।
গঙ্গার পাড়ে ভট্টাচার্য পরিবারের ৩০০ বছরের প্রাচীন পুজো। অত্যন্ত নিষ্ঠা ভরে পুজো অনুষ্ঠিত হয় এই বাড়িতে। পুজোর চারদিন এখানে অতিথিদের জন্য অবারিত দার। পুজোর চারদিন কাটিয়ে যান এই নির্ঝঞ্ঝাট পুজোর ছুটি কাটিয়ে আসুন।

এই পুজো ঘিরে অনেক গল্প কাহিনী শোনা যায়। কথিত আছে, জমিদার লক্ষ্মীকান্ত ভট্টাচার্যর মৃত্যুর পর তাঁকে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। দাহ করার আগে অবিশ্বাস্যভাবে জমিদারের পুনর্জন্ম হয়! বেঁচে ফিরে দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে ভট্টাচার্য পরিবারে দেবী দুর্গার পুজো শুরু করেন তিনিই।
পুজো দেখা এবং ডায়মন্ডহারবার ঘোরা দুই একসাথে হয়ে যায়। ডায়মন্ডহারবার নদীর ধার বরাবর এগিয়ে গেলে হটুগঞ্জ মোড় থেকে একটু এগোলেই পড়বে বারদ্রোণ গ্রাম। সেখানেই রয়েছে ভট্টাচার্যবাড়ি। গ্রামের কাছেই রয়েছে একাধিক হোটেল, লজ। থাকার জায়গার কোনও অভাব নেই। সারাদিন পুজো দেখে ঘোরাঘুরি করুন গ্রামে। তারপর বেড়িয়ে পড়ুন নদীর ধারে সময় কাটাতে। এখানে গাড়ি নিয়ে যাওয়ার বন্দোবস্তও রয়েছে। কাজেই আর দেরি না করে েবড়িয়ে আসুন সেই গ্রাম থেকে।












Click it and Unblock the Notifications