Travel: বুড়িগঙ্গায় নৌকাবিহার আর সন্ধে বেলা ঝুমুর নাচের আসর, বড়দিনের পারফেক্ট চড়ুইভাতি করতে চলে আসুন এখানে
শীত মােই চড়ুইভাতির হুজুক। আর শীতের ছুটি এগিয়ে আসছে প্রায়। তার আগে শনি-রবিবার তো রয়েইছে। কাজেই শীতের ছুটি মানেই পিকনিক। সেটা বাড়ি বা ফ্ল্যােটর ছাদই হোক বা ঘরের কাছের কোনও জায়গাই হোক। কলকাতা শহরের চারপাশে কিন্তু ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য পিকনিক স্পট।
তার মধ্যে বেশ কিছু চেনা জায়গা রয়েছে আবার বেশ কিছু অচেনা জায়গাও রয়েছে। আবার চেনা জায়গাগুলিকেই নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে শীতের মরশুমের জন্য। এমনই একটি জায়গা শান্তিপুর। ভাগীরথী নদীর তীরে শান্তিপুরের কথা অনেকেই জানেন। কেউ গিয়েছেন আবার কেউ জাননি। এই শীতে একবার শান্তিপুর ঘুরে আসুন।

চেনা শান্তিপুরই শীতকালে অচেনা হয়ে ওঠে। শান্তিপুরের সঙ্গে বাংলা শিল্প-সংস্কৃতির অনেক যোগ রয়েছে। শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে শান্তিপুরের ইতিহাস। এতো গেল ইতিহাসেরক কথা কিন্তু শান্তিপুরের প্রাকৃিতক সৌন্দর্য দেখেছেন কখনও। শীতের ভোরে গঙ্গাবক্ষে নৌকাবিহার করেছেন। এবার শীতে সেটা করে আসুন।
বুড়িগঙ্গায় দুপুরের মিঠে রোদ গায়ে মেখে নৌকা বিহার। সেই নৌকায় করেই উপভোগ করতে পারবেন সূর্যাস্তের অসাধারণ দৃশ্য। তারসঙ্গে পরিযায়ী পাখিদের আনাগোনা উপভোগ করতে পারবেন সকলে। সন্ধে নামলে ফিরে আসুন তরঙ্গিনীতে। বিশাল জায়গা নিয়ে তৈরি সেই রিসর্ট। সেখােন বসে ঝুমুর গানের আসর। একেবারে জমজমাট একটা দিন।
শান্তিপুরে দেখার অনেক জিনিস রয়েছে। সকাল সকাল পৌঁছে গেলে দেখে নিতে পারেন কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের পৈতৃক ভিঁটে। ফুলিয়ায় কবি কৃত্তিবাস ওঝার জন্মস্থান। রয়েছে জলেশ্বর শিবমন্দির। নবাবি আমলোর তোপখানা। আর তাঁত শিল্পের কথা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না।












Click it and Unblock the Notifications