Bhalukhop: নির্জন পাহাড়ি গ্রামে কাটিয়ে যান নির্ঝঞ্ঝাট কয়েকটা ছুটির দিন, কালিম্পংয়ের কাছেই রয়েছে সেই লোকেশন
আকাশ ভর্তি মেগের মাঝে উঁকি দেল সূর্য। পাহাড়ের উপরে সটান এসে পড়ে সেই আলো। দূর থেকে দেখে মনে হয় কেউ যেন চর্চ জ্বেলে দিয়েছে। এখানে এলো এমনি সুন্দর দৃশ্য উপভোগ করতে পারবেন। ভালুখোলা নদীর কাছেই রয়েছে এই জায়গাটি। ছোট ছোট ঝোরা এসে মেশে সেই নদীতে।
একেবারে গ্রাম। এখানে এলে পাহাড়ের ট্র্যাডিশনাল বাড়ি দেখা যায়। পাহাড়েও যে মাটির বাড়ি হয় সেটা এখানে এলে দেখা যায়। বাঁশের বেড়া দিয়ে কাঠামো তৈরি করে তার উপরে লেপে দেওয়া হয় মাটি। পাহাড়ি মানুষের হাতের নিপুনতায় গড়ে ওঠে বাড়ি গুলি। পাহাড়ের প্রায় সব গ্রামের বাড়িতেই পশুপালন করতে দেখা যায়।

এখানে এলে একেবারে গ্রামীণ জীবন যাত্রা দেখতে পাবেন পাহাড়ি মানুষের। কীভাবে পাহাড়ে খামারে কাজ করেন সেখানকার বাসিন্দারা। কীভাবে হয় পশু প্রতিপালন, চাষাবাদ। সবটাই খতিয়ে দেখা যায়। সে এক অনন্য অভিজ্ঞতা। দিনভর গ্রামের রাস্তায় এবাড়ি ওবাড়ি ঘুরে বেড়াতে পারবেন। সকলেই হাঁসি মুখে অতিথি আপ্যায়ণ করেন।
খুব বেশি জনবসতি নেই ভালুখোপে। অফবিট লোকেশন হওয়ায় খুব কম লোকের আনাগোনা হয় এখানে। একটি বা দুটি হোমস্টে রয়েছে। পাহাড়ে সেপ্টেম্বর থেকে খুলে গিয়েছে। বুকিং শুরু হয়ে গিয়েছে। কাজেই আর দেরি না করে এখনই বুকিংটা সেরে ফেলুন।

তবে শিলিগুড়ি থেকে সরাসরি ভালুখোপ আসা যায় না। এই জায়গাটি এতোটাই অফবিট যে অধিকাংশ গাড়ির চালকই চেনেন না জায়গাটি। সেকারণে এখানে যে হোমস্টে বুক করবেন গাড়ির জন্য তাঁদের আগে থেকে বলে রাখুন। তাঁরাই গাড়ির ব্যবস্থা করে দেবে। তাহলে আর পরিবার নিয়ে আসার কোনও চিন্তাই থাকে না।












Click it and Unblock the Notifications