তিস্তাকে সাক্ষী রেখে কাঞ্চজঙ্ঘার দেখার সুযোগ, চলে আসুন এই পাহাড়ি গ্রামে
সামনেই পয়লা বৈশাখ। দাপিয়ে গরম পড়বে। তারপরেই স্কুল ছুটি। শুরু হয়ে যাবে সামার ভ্যাকেশন। কোথায় বেড়াতে যাবেন এখনও যাঁরা ঠিক করে উঠতে পারেননি তাঁদের জন্য অপেক্ষা করছে ভালুখোপ। একেবারে অফবিট একটা পাহাড়ি গ্রাম। তিস্তা আর কাঞ্চনজঙ্ঘাকে একসঙ্গে দেখা যায় এই গ্রাম থেকে।

ভালুখোপ
অদ্ভুত একটা নাম ভালুখোপ। অনেকেই বাববেন ভাল্লুক থাকে নাকি। না সেরকম নয়। এখানে ভাল্লুক েদখা যায় না ঠিকই তবে যেটা দেখা যায় সেটা কোনওদিন ভোলার নয়। এমনই সুন্দর একটি গ্রাম এটি। দার্জিলিং-কালিম্পংয়ের শহুরে জট কোলাহল থেকে একটু দূরেই রয়েছে এই গ্রাম। একদিকে খাত জুড়ে বয়ে গিয়েছে তিস্তা নদী আর আকাশের দিকে চাইলেই কাঞ্চনজঙ্ঘা। একেবারে ১৮০ ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায় এই গ্রাম থেকে।

পাইনের জঙ্গলে ঢাকা গ্রাম
গ্রামের পরিবেশ এতটাই মনোরম যে ফিরতে মন চাইবে না। ৫৩০০ ফুট উচ্চতায় রয়েছে গ্রামটি। এর আরেকটি সৌন্দর্য পাইন গাছের জঙ্গল। বলা হয় িহমালয়ান পাইনের হাওয়া খেলে নাকি সর্দি-কাশি সেরে যায়। নিরিবিলি জঙ্গলে ঘেরা গ্রামটি পায়ে পায়ে হেঁটে দেখতে মন্দ লাগবে না। যাঁরা একটু নিরিিবলিতে সময় কাটাতে পছন্দ করেন তাঁদের জন্য আদর্শ জায়গা ভালুখোপ। হেঁটে হেঁটে দিনভর জঙ্গলের পথে পথে ঘুরে বিকেলে হোমস্টের বারান্দায় বসে ধোঁয়া ওঠা চায়ে চুমুক দেওয়া।

আর কি আছে দেখার
এখান থেকে আরও অনেক জায়গায় যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। ডেলো পাহাড়, সিলেরি গাঁও, ইচ্ছেগাঁও, ক্যাকটাস গার্ডেন, দূরপীন মনেস্ট্রি। রয়েছে একাধিক ভিউ পয়েন্ট। সেখান থেকে একাধিক রূপে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে দেখার সুযোগ রয়েছে। এখানে গেলে স্বর্গসুখ বলেই মনে হবে। কোনও ভাবেই সেটা এতটাই সুন্দর এখানকার প্রকৃতি। ছোট্ট একটা গ্রামে গুটি কয়েক বাড়ি। রয়েছে হোমস্টেও। সেখানে মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে পারলে এর থেকে ভাল ছুটি কাটানো যায় না।

কীভাবে যাবেন
শিয়ালদহ বা হাওড়া থেকে যথারীতি পৌঁছে যাওয়া নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে। সেখান থেকে গাড়িতে দার্জিলিং অথবা কালিম্পং থেকে গাড়িতে চলে আসা যায় ভালুখোপে। আবার হোম স্টেতে বলে রাখলে তারাও গাড়ি পাঠিয়ে দেয় সোজা এনজেপিতে। কাজেই আর দেরি না করে এখনই ঠিক করে ফেলুন এবারে গরমের ছুটিতে কোথায় যাবেন। কোন ডেস্টিনেশনে যাবেন আপনারা।
ছবি সৌ:ফেসবুক












Click it and Unblock the Notifications