Belari Village: নদীর পাড়ে বসে কেটে যাবে দিন, সপ্তাহান্তের ছুটিতে চলে আসুন কলকাতার কাছেই এই জায়গায়
হঠাৎ হঠাৎ বৃষ্টি। কি করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। ছাতা মাথায় দিয়ে রেনকোট গায়ে চাপিয়ে কতটা আর বেড়ানো যায়। আবার বর্ষাকে দূরছাই করবেন সেটাও সম্ভব নয়। দুই বজায় রেখে বেড়াতে গেলে বাড়ির কাছাকাছি কোনও জায়গায় যাওয়া জরুরি। বর্ষার এক ঘেয়েমি কাটাতে অব্যর্থ জায়গা হল বেলাড়ী গ্রাম।
একেবারে ছোট্ট একটা গ্রাম। খুূব বেশি পরিচিতি নেই তাঁর। শীতকালেই মানুষের আনাগোনা বাড়ে এখানে। বছরের বাকি সময়গুলো ফাঁকাই পড়ে থাকে। এই গ্রামে আদর্শ হতে পারে বর্ষায় বেড়ানোর জন্য। কারণ একেবারে নদীর পাড়ে রয়েছে গ্রামটি। হুগলি নদীর পাড়ের এই গ্রামে রয়েছে সবুজ বিস্তীর্ণ প্রান্তর। আর তার পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে টইটুম্বুল হুগলি নদী।

সারা বছরই নদীতে জলের অভাব হয় না। কিন্তু বর্ষাকালের কথা আলাদা। বর্ষাকালে যেন যৌবন ফিরে পায় হুগলি নদী। জলতরঙ্গের মতো ঢেউ উঠতে থাকে জলে। আর সবুত প্রান্তরের পাড়ে এসে ভাঙে একের পর এক ঢেউ। মাঝে মধ্যেই আবার মাছ ধরার নৌকা উঁকি দিয়ে যায় পাড়ে। সারা দিন নদীর পাড়ে বসেই কাটিয়ে দেওয়া যায় এমন একটি জায়গা এটি।
কলকাতা থেকে এর দূরত্ব নগন্য বললে ভুল হবে না। কলকাতা থেকে বেলাড়ী গ্রামের দূরত্ব মাত্র ৫৭ কিলোমিটার। উলুবেড়িয়া হয়ে আসতে হয়। উলুবেড়িয়ার বেলাড়ী মোর থেকে এক কিলোমিটার দূরেই রয়েছে এই বেলাড়ী গ্রাম। মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যে এখানে গাড়িতে পৌঁছে যাওয়া যায়। আর ট্রেনে যাঁরা আসবেন তাঁরা উলুবেড়িয়া স্টেশনে নেমে টোটোতে করে আসতে হবে বেলাড়ী মোড়। সেখান থেকে হেঁটেই পৌঁেছ যাওয়া যায় বেলাড়ী গ্রামে।

শুধু যদি গঙ্গার পাড়ে বসে থাকতে মন না চায় তাহলে কাছেই রয়েছে বেলাড়ী রাম কষ্ণ মিশন। সেখানে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে আসতে পারেন। সুন্দর বাগান রয়েছে সেখানে। তবে খাবার তেমন কোনও বন্দোবস্ত নেই। তাই খাবার খেতে হলে সঙ্গে করে নিয়ে আসাই ভাল। তাতে একটা ছোট্ট মনসুন পিকনিক হয়ে যায়।












Click it and Unblock the Notifications