Barbil: রামধনু ঝরনা দেখতে চান, সপ্তাহান্তের ছুটিতে চলে আসুন বারবিল
পাহাড়-জঙ্গল-ঝরনা। একসঙ্গে এতো কিছু। তার উপরে উপি পাওনা আবার রামধনু ঝরনা। সপ্তাহান্তের ছুটিতে বেড়ানো যায় এমন জায়গা হাতছাড়া করা উচিত নয়। তার জন্য চলে আসতে হবে একেবারে পাশের রাজ্যে। সপ্তাহের শেষের ২ দিনের ছুটিতেই বেড়িয়ে আসুন বারবিল থেকে।
ওড়িশা মানেই যে পুরী নয় সেটা এই বারবিলে এলে বোঝা যায়। ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ডের সীমানায় রয়েছে জায়গািট। একসঙ্গে পাহাড়-ঝরনা আর জঙ্গলের সহাবস্থান। বর্ষাকালে তো বারবিল আরো সুন্দর হয়ে ওঠে। বর্ষার বৃষ্টিতে আরও সবুজ হয়ে যায়। কিরিবুরু পাহাড়ের কোলে রয়েছে অসাধারণ একটা জায়গা।

ওড়িশার কেওঞ্ঝর জেলার মধ্যে পড়ে বারবিল। আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা বললে ভুল হবে না। সেকারণেই মনে হয় জঙ্গলের বন্যতা আরো সুন্দর এখানে। জায়গাটি ওড়িশার হলেও এখানে দেখার অনেককিছু রয়েছে। পাহাড়ের পাশাপাশি অসংখ্য ঝরনা রয়েছে এখানে। সেই সঙ্গে কিরিবুরু পাহাড়ের সৌন্দর্য। এখানকার সানসেট মুগ্ধ করবেই। তাই সময় হাতে নিয়ে এখানকার সানসেট পয়েন্টে পৌঁছতে হবে।
বারবিলে অনেক থাকার জায়গা রয়েছে। বারবিল স্টেশন থেকে বাসে করে অথবা গাড়িতে কিরিবুরু পাহাড়ে যাওয়া যায়। সেটি অবশ্য ঝাড়খণ্ডের অংশ। তবে যেতে কোনও বাধা নেই। পাহাড়ের বিস্তৃতির মাঝে সূর্যের অস্তযাওয়া দেখতে অসাধারণ লাগে। আর বর্ষায় এই কিরিবরু পাহাড়ের সৌন্দর্য অসাধারণ হয়ে যায়।

কাছেই রয়েছে রেনবো ওয়াটারফলস। তারজন্য একটু সকাল সকাল বেরোতে হয়। ঝিকরার জঙ্গলেই রয়েছে এই রেনবো ওয়াটারফলস। পাথরের গা বেজে ঝরে পড়া জলধারার গায়ে সূর্যের আলো প্রতিফলিত হয়ে তৈরি হয় রামধনু। চোখে না দেখলে সেই সৌন্দর্য বর্ণনা করা যায় না। অপার্থিব সেই সৌন্দর্য।
এর কাছেই আবার রয়েছে মুর্গামহাদেব মন্দির। আসলে এটি একটি শিবমন্দির। শ্রাবণ মাসে এখানে ভিড় হয় বেশি। এর পাশেই রয়েছে একটি ঝরনা। সেখানেও অনেকে স্নান করে পুজো দেন। শ্রাবণ মাসে আবার এই জরনার জল শিবের মাথায় ঢালা হয়। মুর্গা অর্থাৎ মুরুগান যাঁকে আমরা শিবপুত্র কার্তিকেয় নামে জানি। আর মহাদেব শিবের আরেক নামে। এই দুই মিলে মুর্গামহাদেব। তার পাশেই রয়েছে মুর্গামহাদেব শিব মন্দির। সপ্তাহান্তের ২ দিনের ছুটিতে অনায়াসে বেড়িয়ে আসা যায় এখান থেকে।












Click it and Unblock the Notifications