ছোট্ট ছুটিতে ছোট্ট ঠিকানা নিরিবিলি বড়ন্তি
আরও পড়ুন: ছুটিতে চলুন স্বল্পচেনা সিলারিগাঁও
কেন যাবেন: প্রথম কারণ, বড়ন্তির সৌন্দর্য। দ্বিতীয় কারণ, নিরিবিলি পরিবেশ।
জয়চণ্ডী পাহাড় থেকে ২১ কিলোমিটার দূরে শান্তসবুজ বড়ন্তি। পাশ দিয়ে কুলকুল বইছে বড়ন্তি নদী। লাল মাটি। আর চারদিকে শাল, সেগুন, শিশু, মহুয়া, পলাশ গাছের জঙ্গল। খরগোশ, হরিণ, শিয়ালের বাসভূমি এই জঙ্গল। সকালে ঘুম ভাঙবে পাখির কলকাকলিতে। ঋতু ভেদে বড়ন্তির রূপ বদলায়। বর্ষায় ঘন সবুজ বেশ, আর বসন্তে পলাশ ফুলের ভিড়ে লালে লাল হয়ে যায় বড়ন্তি। এখানে রয়েছে রামচন্দ্রপুর জলাধার। সাঁঝবেলায় জ্যোৎস্না পড়ে সেই জল থেকে যেন বিচ্ছুরিত হয় রুপোলি আভা। সঙ্গে তিরতিরে বাতাস। এক কথায়, রোমান্টিক পরিবেশ। নিরালা পরিবেশ বড়ন্তির অতিরিক্ত পাওনা।
বড়ন্তি থেকে সকাল সকাল ঘুরে আসতে পারেন ১৯ কিলোমিটার দূরে রঘুনাথপুরে। এখানে গুটিপোকা বা রেশম চাষ দেখে নিতে পারেন। যাওয়া যেতে পারে ১২ কিলোমিটার দূরে পাঞ্চেত পাহাড়, ২২ কিলোমিটার দূরে পাঞ্চেত জলাধারও।
কীভাবে যাবেন: হাওড়া থেকে ৫৮০১১ হাওড়া-চক্রধরপুর প্যাসেঞ্জারে উঠে পড়ুন। ট্রেনটি হাওড়া থেকে ছাড়ছে রাত এগারোটা পাঁচে। আপনাকে নামতে হবে আদ্রা জংশন। ভোর সওয়া পাঁচটায় পৌঁছে যাবেন। আদ্রা জংশন থেকে লোকাল ট্রেনে আসুন মুরাডি। অথবা হাওড়া কিংবা শিয়ালদহ থেকে চলে আসুন আসানসোল। সেখান থেকে লোকাল ট্রেন ধরেও পৌঁছতে পারেন মুরাডি। এখান থেকে গাড়ি বা রিকশায় পৌঁছে যান ছ' কিলোমিটার দূরে বড়ন্তি।
কলকাতা থেকে গাড়িতে এলে এনএইচ-২ ধরে আসতে হবে আসানসোল পর্যন্ত। সেখান থেকে নিয়ামতপুর হয়ে বাঁদিকে ঘুরে দিশেরগড় সেতু পেরিয়ে ধরতে হবে বরাকর-পুরুলিয়া রোড। সুভাষ মোড় থেকে আবার বাঁদিকে ঘুরে মুরাডি পেরিয়ে পৌঁছতে হবে বড়ন্তি। সড়কপথে কলকাতা থেকে বড়ন্তি ২৬৩ কিলোমিটার।
কোথায় থাকবেন: থাকতে পারেন বড়ন্তি ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড নেচার স্টাডি হাটে। এখানে রয়েছে আটটি দ্বিশয্যার ঘর। বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ: ৯৮৩০০৮৫৪৮৩, ৯৮৭৪৮৮৭০৪৬, ৯৪৩৩০৭৭৯৫১ এবং ৯৩৩০৯৫৮৯২৬।
এ ছাড়া রয়েছে পলাশবাড়ি রিসর্ট। বুকিংয়ের ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন: ৯৮০৪৩৪০৩২৬।
যদি রামচন্দ্রপুর জলাধারের কাছে থাকতে চান, তা হলে রয়েছে আকাশমণি রিসর্ট। বুকিংয়ের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন: ৯৮৩১৪২৯৯৫৬।













Click it and Unblock the Notifications