(ফটোফিচার)গরমের হাসফাঁসানি কাটাতে উইকএন্ডে ঘুরে আসতে পারেন ঘরের কাছের এই জায়গায়
রাজ্যের অস্বস্তির গরম থেকে বাঁচতে ঘুরে আসতেই পারেন ৬ হাজার ফুট ওপরে। বলছি দার্জিলিং থেকে ১৯ কিলোমিটার দূরের লেপচা জগতের কথা।
রাজ্যের অস্বস্তির গরম থেকে বাঁচতে ঘুরে আসতেই পারেন ৬ হাজার ফুট ওপরে। বলছি দার্জিলিং থেকে ১৯ কিলোমিটার দূরের লেপচা জগতের কথা। এককথায় শহরের চেনা কংক্রিটের ঘোরাটোপ থেকে দূরে জঙ্গলে মোড়া এক আলাদা জগত এই লেপচাজগত। জঙ্গলের আনাচেকানাচে এখানে 'মেঘপিওনের' ঘোরাঘুরি![বিদেশ ভ্রমণের আগে ভারতের এই জায়গাগুলি অবশ্যই ঘুরে দেখুন]
ওক আর রোডোডেনড্রনে মোড়া লেপচাজগত মূলত একটি গ্রাম। দার্জিলিং কে অন্যভাবে চিনে নেওয়ার জন্য লেপচাজগতের জুড়ি নেই। দার্জিলিং এর কাঞ্চনজঙ্ঘার শোভা যেমন পর্য়টকদের মন কাড়ে তেমনই লেপচাগতও আপনার মন কাড়তে বাধ্য ।কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন ভাবছেন? তাহলে তা জেনে নেওয়া যাক।[উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সে ঘুরে তরতাজা হয়ে ফিরুন কয়েকদিনেই]

কী রকম জায়গা এই লেপচা জগত?
লেপচাজগত শব্দতেই বলা রয়েছে, যে এজায়গা লেপচা উপজাতির মানুষদের বাস। বর্তমানে এই এলাকা জঙ্গলের আধিপত্যে রয়েছে। লেপচাজগতের একটা বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে রিজার্ভ ফরেস্ট। প্রকৃতিপ্রেমী মানুষদের কাছে এই জায়গা অবশ্যই ভালোলাগবার মতো।[উত্তরাখণ্ডে স্বর্গ আছে এই জায়গাতেই]

কীভাবে যাবেন লেপচাজগত?
আকাশপথে যেতে গেলে প্রথমে বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামতে হবে। সেখানে থেকে প্রায় ৮৫ কিলোমিটার দূরে লেপচাজগত। এছাডা়ও উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে, গাড়িতে নেমে ৯৫ কিলোমিটারের রাস্তা পেরোতে হবে লেপচাজগত যেতে গেলে। আর যাঁরা দার্জিলিং থেকে যেতে চান তাঁদের গাড়িতে ২২ কিলোমিটারের মতো সফর করতে হবে এখানে পৌঁছতে হলে।[গরমে ঘুরে আসুন উত্তর ভারতের সেরা এই হিল স্টেশনগুলির কোনও একটিতে]

থাকার জন্য রয়েছে হোটেল থেকে হোমস্টে সবই
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বনদফতরের একটি লজ রয়েছে এখানে। যার ভাড়া সাধারণ মধ্যবিত্তের আওতায়। এছাড়াও রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বনদফতরের একটি বাংলো। যেখানের ভাড়া মোটামুটি হাজার টাকা থেকে ২ হাজারের মধ্যে। এছাড়াও রয়েছে 'পাখরিন হোমস্টে', যেখানে বাড়ির মতো করে থাকা সম্ভব। এই হোমস্টের যোগাযোগ নম্বর-০৯৬১৪২৭০০৪৪। এছাড়াও রয়েছে বহু হোটেল।[জানেন কী এই শহরগুলির সাথে কোন ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে?]

এখান থেকে ঘুরে আসতে পারেন জোরপোখরি
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭৪০০ ফুট ওপরে রয়েছে এক জলাশয় ঘেরা শহর জরপখরি । এশহর লেপজগতের কাছেই। শহরের লেক বা জলাশয়ে পাখির আনাগোনা থাকে বলে এই শহরের নাম জরপখরি। এখানের জলাশয়ে প্রচুর হাঁসের আনাগোনা। এই শহরেও রয়েছে জঙ্গল, ধুপি ফরেস্ট।[(ছবি) হোলির লম্বা উইকেন্ডে রাজ্যের এই জায়গাগুলি হোক আপনার 'ডেস্টিনেশন']

দেখে আসতে পারেন ওল্ড ঘুম মনস্ট্রি থেকে
১৮৫০ সালের চোয়েলিং মনেস্ট্রি হল দার্জিলিং এর সবচেয়ে পুরনো মনেস্ট্রি। অনেকেই বলেন এর আসল নাম ঘুম মনেস্ট্রি। এখানে রয়েছে ১৫ ফুটের বিশাল বুদ্ধমূর্তি। মূর্তিটি মৈত্রেয় বুদ্ধের আদলে তৈরি।

পশুপতি মার্কেট
ইন্দো-নেপাল সীমান্তে অবস্থিত এই পশুপতি মার্কেট । এই মার্কেটে পছন্দ মতো বাজার করতে প্রায়ই ভিড় হয় পর্যটকদেরয কারণ বিদেশ থেকে আসা জিনিসপত্র বিক্রি করা হয় এই মার্কেটে।

মানেভঞ্জন এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণীয় জায়গা
সান্দাকফু যাওয়ার পথে মানেভঞ্জনকে বেস ক্যম্প হিসাবে ধরা হয়। এখানে রয়েছে সিংগলিলা ন্যাশনাল পার্ক। চোখজোড়ানো সৌন্দর্যের জন্য মানেভঞ্জন ইতিমধ্যেই পর্যচকদের পছন্দের যায়গা হয়ে উঠছে।












Click it and Unblock the Notifications