২৬ জানুয়ারির ছুটিতে ঘুরে আসুন দার্জিলিংয়ের কাছেই এই অচেনা পাহাড়ি গ্রামে
প্রজাতন্ত্র দিবসে উপলক্ষ্যে বেশ একটা লম্বা উইকেন্ড পাওয়া যাচ্ছে। শুক্রবার ২৬ জানুয়ারি তারপরে শনিবার আর রবিবার। একেবারে পরপর তিনদিন ছুটি। আর পর পর তিন দিন ছুটি মানেই তো বেড়ানো। কোথায় বেড়াতে যাবেন তা ভেবে পাচ্ছেন না অনেকেই।
হঠাৎ করে তিনদিন ছুটি হাতের কাছে চলে এলে যেমনটা হয়। এই সুযোগে চলে আসুন উত্তর বঙ্গের পাহাড়ে। এই সময় পাহাড়ের আবহাওয়া অত্যন্ত ভাল। ঝকঝকে আকাশ। কাঞ্চন জঙ্ঘা প্রায় সারাদিনই দেখা যায় কোনও না কোনও জায়গা থেকে। ঠান্ডা নিয়ে ভাবার বেশি প্রয়োজন নেই। কারণ দার্জিলিং আর কলকাতার তাপমাত্রা এখন মোটের উপর প্রায় এক।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে পাহাড়ের কোথা যাবেন। সব জায়গা তো ভর্তি। অফবিট লোকেশনগুলিতেও ধীরে ধীরে পর্যটকদের সংখ্যা বাড়ছে। তবে এই ভিড়ের মাঝেই একা হয়ে যেতে হলে চলে আসতে হবে দার্জিলিংয়ের কাছেই একেবারে অচেনা জায়গা লপচুতে। এই পথ দিলেই দার্জিলিং, লামাহাটি, তিনচুলে যাওয়া যায় সেই পথেই রয়েছে এই ছোট্ট গ্রাম লোপচু।
এনজেপি থেকে এখােন আসতে হলে তিস্তা বাজার হয়ে আসতে হবে। সেপ্টেম্বর মাসেই তিস্তাবাজারের সিংহভাগ প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এখন আবার প্রায় সবটা স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। ফের যানচলাচল করছে তিস্তাবাজারে। তিস্তা বাজার থেকে খুব বেশি দূরে নয় এই জায়গাটি। যাওয়ার পথে টয়ট্রেনের সঙ্গেও দেখা হয়ে যাবে।
পথে যেতে যেতেই পাবেন পেশক চা বাগানের অসাধারণ একটা ভিউপয়েন্ট। চাবাগানে দাঁড়িেয় কাঞ্জনজঙ্ঘা উপভোগ করতে পারবেন। এখান থেকে কালিম্পং এবং নামচিকে একসঙ্গে দেখা যায়। পেশক চা বাগান পেরিয়েই পড়বে লপচু। একেবারে আনকোড়া একটি জায়গা। রাস্তার উপরেই রয়েছে অনেক থাকার জায়গা। যদিও লপচুতে তেমন ভাবে হোমস্টে এখনও গড়ে ওঠেনি। কয়েকটি মাত্র হোমস্টে রয়েছে।
এলাকায় মূলত নেপালিদের বসবাস বেশি। এখানে টেন্টে থাকার বন্দোবস্তও রয়েছে। কাজেই সব দিক দিয়েই এখানে অ্যাডভেঞ্চারের সুযোগ রয়েছে। সামনেই দেখা মিলবে বিস্তৃত কাঞ্জনজঙ্ঘার। এই সময় ঠান্ডাটা একটু কমের দিকেই থাকবে পাহাড়ে। তাই খুব একটা কষ্ট হবে না। যাঁরা ফেব্রুয়ারিতে যেতে চাইছেন তাঁদের জন্যে এই লপচু সেরা ডেস্টিনেশন তাতে কোনও সন্দেহ নেই।












Click it and Unblock the Notifications