অভিষেকের প্রয়াণের পরই খড়কুটো’র টাইম স্লটের পরিবর্তন, কী বলছে অনুগামীরা
অভিষেকের প্রয়াণের পরই খড়কুটো’র টাইম স্লটের পরিবর্তন, কী বলছে অনুগামীরা
বাংলা ধারাবাহিক দেখেন না এমন মানুষের সংখ্যা কিন্তু নিতান্ত কম নয়। খড়কুটো’ ও 'মোহর’ বেশ জনপ্রিয় ধারাবাহিক। অভিনেতা অভিষেক চট্টোপাধ্যায় প্রয়াণের পরই শেষ হতে দেখা গেল মোহর ধারাবাহিকটি। অভিষেকের ছবি সামনে রেখে কেক কাটতে দেখা গেছিল সিরিয়ালের কলাকুশলীদের। তারপরেই আবার খড়কুটো ধারাবাহিকটির টাইম স্লট পরিবর্তন করতে দেখা যাচ্ছে।

টিআরপি অনেকদিন ধরেই কমতে দেখা যাচ্ছে খড়কুটো ধারাবাহিকের। তাই অনেকদিন আগেই কিন্তু এই সিরিয়ালের টাইম পরিবর্তন করা হয়েছে। আগে দেখা যেত দুপুরের সময়। এবার তা চলে এলো দুপুর দুটোয়। তাহলে কি এই ধারাবাহিক এবার বন্ধ হতে চলেছে? সকলে মনে করছেন এই ধারাবাহিক জলদি বন্ধ করে দেবেন চ্যানেল। এপ্রিল মাসের ৪ তারিখ সোমবার থেকে গুনগুনের পরিবার অর্থাৎ খরকুটো ধারাবাহিক নতুন সময় দেখানো হবে।
দুই ধারাবাহিকে নিয়ে অনুগামীরা জানিয়েছিলেন, যাতে অভিষেকের জায়গায় আর নতুন কাউকে না নেওয়া হয়। শেষ হয়ে যাবে এই ধারাবাহিক? সিরিয়ালের লেখিকা জানান, নতুন ভাবেই আগামীদিনের গল্পের চিত্রনাট্য সাজানো হবে। এই চরিত্রে উপস্থিত গুনগুনের ড্যাডিকে আর দেখা যাবে না। মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগেও অভিনেতা অভিষেক কিন্তু ছিলেন শুটিংয়ে।

উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালে ৩০ এপ্রিল কলকাতার বরানগরের জন্মগ্রহণ করেছিলেন অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৭। কয়েক দিন ধরে পেটের ব্যথায় ভুগছিলেন অভিনেতা। কাজ পাগল মানুষটি কিন্তু অসুস্থ হলেও কাজ ঠিক চালিয়ে গেছেন। গতকাল একটি রিয়েলিটি অংশ নিয়েছিলেন তিনি। হঠাৎ শ্যুটিং শেটে অসুস্থ হয়ে পড়েন। অনেক কষ্টেই বাড়ি ফিরলেন তিনি। বাড়ি ফিরেও রেহাই মিলল না অসুস্থতা থেকে। তাঁকে সুস্থ করার জন্য স্যালাইনের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। যদিও ভাগ্য সহায় দেয় তাহলে কী করা সম্ভব ! শেষ রক্ষা করতে পারলো না পরিবার। আজ ভোরেই পরিবারসহ ভক্তদের কাঁদিয়ে চিরবিদায় নিলেন অভিনেতা। তাঁর মৃত্যু খবরের শোকস্তব্ধ টলিউড ইন্ডাস্টির।
কাজ পাগল লোকটি শ্যুটিং সেট, লাইট, ক্যামেরা, অ্যাকশন থেকে একদম দূরে থাকতে পছন্দ করতেন না। অভিনেতার মৃত্যু অনেকই মানতে পারছেন না। জানা গিয়েছে অসুস্থ হওয়ার পর অনেক বার বমিও করেছিলেন তিনি। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা কথা বলেছিলেন সহকর্মীরা। কিন্তু সে কথাতে রাজি হননি। বাড়িতে চিকিৎসা হোক সেটাই তিনি চেয়েছিলেন। কষ্ট পেলেন অনুগামীরা।












Click it and Unblock the Notifications