Venus: শুক্রের বায়ুমণ্ডলে উল্কার ঝলকানি থাকতে পারে, কিন্তু বজ্রপাত নেই! গবেষণায় চাঞ্চল্যকর তথ্য
শুক্রের বায়ুমণ্ডলেও আলোর ঝলকানি দেখা যায়। তাহলে কি শুক্রেও ব্রজপাত হয়, বিদ্যুৎ চমকায়? তা দেখে বিদ্যুতের ঝলকানি বা বজ্রপাত মনে হলেও, এটি আসলে তা নয়। বিজ্ঞানীরা সাম্প্রতিক গবেষণায় জানতে পেরেছে, শুক্র গ্রহে আলোর ঝলকানি বজ্রপাত নয়, তা আদতে উল্কার ঝলকানি।
নতুন গবেষণায় চাঞ্চল্যকর যে তথ্য সামনে এনেছেন বিজ্ঞানীরা, তা হল-শুক্র গ্রহে বজ্রপাত নেই। শুক্রের মেঘ থাকলেও বজ্রপাত থেকে সুরক্ষার প্রয়োজন হয় না। মাঝে মাঝে ঝলকানি শুক্রের মেঘের আবরণকে আলোকিত করে। কিন্তু তা ভয়ের কিছু নেই।

পূর্ববর্তী বিশ্লেষণগুলি ইঙ্গিত দিয়েছিল শুক্রে আলোর বিস্ফোরণগুলি আদতে বজ্রপাত। তবে একটি নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, বেশিরভাগ ফ্ল্যাশগুলি উল্কাপাত থেকে এসেছে। শুক্র গ্রহের জন্য পরিকল্পনা করা আসন্ন মিশনে বিজ্ঞানীরা আলোর উৎস বের করতে আগ্রহী।
বিজ্ঞানীরা জানান, যদি ফ্ল্যাশগুলি বজ্রপাত হয়, তবে বৈদ্যুতিক ঘটনাটি শুক্রের বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে পতিত হলে তা ভবিষ্যতের অনুসন্ধানের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির একজন গ্রহ বিজ্ঞানী ক্লেয়ার ব্লাস্ক বলেছেন, বায়ুমণ্ডলে পুড়ে যাওয়া ছোটো উল্কাগুলি অবশ্য খুব একটা বিপদ ডেকে আনবে না।
শুক্রের পূর্ববর্তী ল্যান্ডাররা প্রায়শই এএম রেডিওতে তোলা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক স্ট্যাটিক শনাক্ত করেছে। পৃথিবীতে বজ্রপাতের সময় বজ্রপাতের কারণে যা ঘটেছিল, তেমনই কিছু অরবিটার ও টেলিস্কোপগুলি শুক্রের বায়ুমণ্ডলে সংক্ষিপ্ত, উজ্জ্বল ঝলকানি শনাক্ত করেছে।
কিন্তু স্থির এবং অপটিক্যাল ফ্ল্যাশগুলি একসাথে কখনও শনাক্ত করা যায়নি বলে জানিয়েছেন ব্লাস্ক। সেন্ট লুইসের ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির গ্রহ বিজ্ঞানী পল বাইর্ন এই গবেষণায় জড়িত না থাকলেও উল্লেখ করেছেন, "এটা পরিষ্কার নয় যে, শুক্রে বজ্রপাতের সম্ভাবনা আছে। কারণ শুক্রের বায়ুমণ্ডলের গতিশীলতা কম।
দুটি আলোর ঝলকানি ধরা পড়েছে। তার মধ্যে একটি অ্যারিজোনার মাউন্ট বিগেলোতে একটি টেলিস্কোপ দ্বারা এবং একটি জাপানের আকাতসুকি অরবিটারে থাকা যন্ত্র দ্বারা। সেই তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে, প্রতি বছর এই ধরনের ফ্ল্যাশ হয় ১০ হাজার থেকে ১ লক্ষ। গবেষকরা সেপ্টেম্বরে জার্নাল অফ জিওফিজিক্যাল রিসার্চে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন।
এটি উল্কা দ্বারা সৃষ্ট অনেক বেশি আলোক ঝলকানি বলে মনে হতে পারে। সর্বোপরি, শুক্র পৃথিবীর সবথেকে কাছে মহাজাগতিক গ্রহ। তবে সেখানে উল্কাগুলি যথেষ্ট উজ্জ্বল হবে। মহাকাশের শিলাগুলি শুক্রের বায়ুমণ্ডলের মধ্য দিয়ে প্রায় ২৫ কিলোমিটার প্রতি সেকেন্ডে জিপ করে। সেই তুলনায় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশকারী উল্কাগুলি প্রতি সেকেন্ডে ২০.৩ কিলোমিটার বেগে যায়।
-
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
ভবানীপুরে আজ শক্তি প্রদর্শনে বিজেপি, শুভেন্দুর মনোনয়নে সঙ্গী অমিত শাহ -
'খুব দ্রুত যুদ্ধ শেষ করব'! ইরান ইস্যুতে কড়া বার্তা মার্কিন প্রেসিডেন্টের, কী বললেন? -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
কালিয়াচক কাণ্ডে উত্তেজনা চরমে! বিচারকদের ঘেরাও-ভাঙচুরে তৃণমূলকে নিশানা সুকান্তর, কী বললেন দিলীপ? -
মালদহের অশান্তি নিয়ে বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলল মমতা, সুতির সভা থেকে শান্তির বার্তা -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
বসন্তের শেষে বাড়ছে পারদ! গরমে কী নাজেহাল হবে শহরবাসী? কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস? জানুন -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ












Click it and Unblock the Notifications