Third Pole Meltdown: হাজার হাজার হিমবাহ গলছে! বিপদের মেঘ ভারত-পাকিস্তান-নেপাল-চিনে
Third Pole Meltdown: পৃথিবীর তৃতীয় মেরু হিমালয়। হিমালয়ের মধ্যে রয়েছে হিন্দুকুশ ও তিয়ানশান পর্বতমালা এবং তিব্বতের মালভূমি। জলবায়ুর পরিবর্তন থেকে শুরু করে ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা এবং বৃষ্টিপাতের ধরণ পরিবর্তনের কারণে গত ত্রিশ বছরে হিমালয়ের প্রায় ১০ হাজার হিমবাহ গলে গিয়েছে।
হাজার-হাজার হিমবাহ গলে হাজার হাজার হিমবাহী হ্রদ তৈরি হয়েছে। যা কিনা হিমালয়ের নিচের অংশের জন্য বিপজ্জনক। এইসব হিমবাহী হ্রদ ভেঙে যে কোনও সময় সিকিম, কেদারনাথ বা চামোলির মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এদের দেখতে সুস্দর হলেও, যখন ভেঙে পড়ে তখন ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনে।

চিনে ইতিমধ্যে হিমালয়ের হিমবাহের থেকে তৈরি হ্রদগুলি নিয়ে বড় গবেষণা হয়েছে। গবেষণার ফলাফল নেচার কমিউনিকেশনে প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখনই ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও চিনের এইসব হিমবাহের তৈরি হ্রদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। বিজ্ঞানীরা আরও বলছেন, বাঁচতে হলে সবকটি দেশকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
হিমাবাহ থেকে তৈরি হ্রদ ভেঙে যাওয়ার ঘটনা গত দুই দশকে দ্বিগুণ হয়েছে। ১৯৮১ সাল থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে হিমালয়ে হ্রদ ভাঙার যে ঘটনা ঘটেছিল ২০১১ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে তা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন প্রতিদশকে এইসব ঘটনা দ্বিগুণ হারে বাড়ছে। হিমালয় এবং তার নিচের অংশে বসবাসকারী মানুষের জন্য এটি বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তাঁরা।
চিনে হওয়া গবেষণায় প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজারের মতো হ্রদকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় দেড় হাজার হ্রদ অন্যন্ত বিপজ্জনক। যা উল্লিখিত চারটি দেশের জন্য যে কোনও সময় ভয়ানক হতে পারে। যে কোনও সময় এইসব হ্রদ ফেটে নিচু এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারে।
চিনের ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, এইসব হ্রদগুলি ভেঙে পড়লে, পঞ্চাশ হাজারের বেশি বাড়ি, একশোর বেশি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প, ১৯৪ বর্গ কিমি কৃষি জমি, পঞ্চাশ হাজার কিমি রাস্তা, চার হাজারের ওপর সেতু ভেঙে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও অন্তত দু-লক্ষ মানুষের প্রাণের ঝুঁকিও রয়েছে।
হিমবাহী হ্রদ ফেটে যাওয়ার ঘটনাকে গ্লেসিয়াল লেক আউটবাস্ট ফ্লাড বলা হয়। হিমবাহ গলে তৈরি হওয়া হ্রদ হিমবাহ ভাঙার কারণে ভেঙে যেতে পারে। এরপর লক্ষ লক্ষ লিটার জল দ্রুত নেমে আসতে থাকে এবং ধ্বংসযজ্ঞ চালায়।
উল্লেখ করা প্রয়োজন যে সম্প্রতি সিকিমে হিমবাহী হ্রদ ফেটে দুর্ঘটনা ঘটেছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ২০১৫ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে হিমালয়ে ১০ থেকে ৩০ হাজার হিমবাহী হ্রদ দেখা গিয়েছে। এইসব হ্রদগুলি কবে ভেঙে পড়বে তা বলা মুশকিল। গ্লেসিয়াল লেক আউটবাস্ট ফ্লাডের ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা উপগ্রহের সাহায্য নিয়ে গবেষণা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications