Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মহাকাশে বিপজ্জনকভাবে ঘুরছে একটি গ্রহাণু, পৃথিবী কি ফের বিপদের সম্মুখীন

মহাকাশে বিপজ্জনকভাবে ঘুরছে একটি গ্রহাণু, পৃথিবী কি ফের বিপদের সম্মুখীন

এখনও একমাস হয়নি একটি গ্রহাণুর গতিপথ মহাকাশেই ঘুরিয়ে দিয়ে এসেছে নাসা, তারপর ফের আরও এক গ্রহাণুর বিপজ্জনক সংকেত পাওয়া গিয়েছে। বিপজ্জনক গ্রহাণুটি অদ্ভুতভাবে বিচরণ করছে। এটি জাপানিজ অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির ডেস্টিনি মিশনের লক্ষ্য হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

২০১৭ সালে গ্রহাণুটি শেষবার পৃথিবীর কাছে এসেছিল

২০১৭ সালে গ্রহাণুটি শেষবার পৃথিবীর কাছে এসেছিল

১৯৮৩ সালে সাইমন গ্রিন ও জন ডেভিস ইনফ্রারেড অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল স্যাটেলাইট থেকে ডেটাতে ৫.৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গ্রহাণু ফেথনকে দেখেছিলেন। তারপর ২০১৭ সালে গ্রহাণুটি পৃথিবীর কাছে এসেছিল। তখন গ্রহ থেকে মাত্র ১০ মিলিয়ন কিলোমিটার দূর দিয়ে ধেয়ে যায় গ্রহাণুটি। এখন আবার মহাকাশে অদ্ভুতভাবে বিচরণ করতে শুরু করেছে গ্রহাণুটি। বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর কাছাকাছি বস্তুর ঘূর্ণন সময়ের পরিবর্তন লক্ষ্য করে এই বিচরণের সংকেত পেয়েছেন।

এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত বৃহত্তম গ্রহাণু ফেথন

এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত বৃহত্তম গ্রহাণু ফেথন

বিজ্ঞানীরা জানতে পেরেছেন, এটি একাদশতম গ্রহাণু, যার ঘূর্ণন সময়ের পরিমাপক পরিবর্তন রয়েছে। এটি এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত বৃহত্তম গ্রহাণু। গ্রহাণু কক্ষপথটি নির্দিষ্ট নির্ভুলতার সঙ্গে পরিচিত। কিন্তু জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত নন কেন এর ঘূর্ণন সময়ের পরিবর্তন হচ্ছে। আমেরিকান অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির প্ল্যানেটরি সায়েন্সেস বিভাগের ৫৪তম বার্ষিক সভায় নতুন অনুসন্ধানগুলি ঘোষণা করা হয়েছিল।

ঘূর্ণন সময়কাল প্রতি বছর প্রায় ৪ মিলিসেকেন্ড করে কমছে

ঘূর্ণন সময়কাল প্রতি বছর প্রায় ৪ মিলিসেকেন্ড করে কমছে

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এটি পৃথিবীর অন্য কোনও বিপদ সংকেত এখনও দেয়নি। এই গ্রহাণু ফেথন প্রতি ৩.৬ ঘণ্টায় একবার ঘোরে। কিন্তু নতুন পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, ঘূর্ণন সময়কাল প্রতি বছর প্রায় ৪ মিলিসেকেন্ড করে কমছে। এই পরিবর্তন সবেমাত্র লক্ষ্যণীয় হয়েছে। ৩২ বছপ বিস্তৃত পর্যবক্ষেণমূলক ডেটার একটি বিস্তৃত সেটে ফেথনকে দেখা যায়।

২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পর্যবেক্ষণের মডেল তৈরি

২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পর্যবেক্ষণের মডেল তৈরি

এই গ্রহাণু নিয়মিতভাবে অপটিক্যাল আলোর বক্ররেখার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। ঘূর্ণনের সঙ্গে এর উজ্জ্বলতার বিভিন্নতা দেখায়। এটি নাসার গোল্ডস্টোন ডিপ স্পেস কমিউনিকেশন কমপ্লেক্স থেকে রাডার দ্বারা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল। ১৯৮৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত রাডার ডেটা অপটিক্যাল আলোর বক্ররেখার উপর ভিত্তি করে এবং ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা অবজেক্টের একটি আকৃতির মডেল তৈরি করেছেন।

গ্রহাণুর অভিযোজন বিশ্লেষণ করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা

গ্রহাণুর অভিযোজন বিশ্লেষণ করছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলেন, ফেথনকে সবথেকে উজ্জ্বল বলে পরিলক্ষিত হয়েছিল। আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে ২০২১ সালের পর্যবেক্ষণের আগে কিছুটা পরিবর্তন হয়েছে ফেথনের ঘূর্ণন সময়কাল। এটি ধূমকেতুর মতো কার্যকলাপ বলে ব্যাখা করা যেতে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। গবেষক দল নতুন ডেটা ব্যবহার করতে পারে গ্রহাণুর অভিযোজন বিশ্লেষণ করতে। এই পরিবর্তনের অর্থ হতে পারে পারে মহাকাশযানের ফ্লাইবাইয়ের সময়ে ফেথনের অভিযোজন সঠিকভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করা।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+