জ্যোতির্বিজ্ঞানে অবিশ্বাস্য উল্কা ঝরণা দেখা মিলবে শুক্রবার রাতেই, দেখা যাবে অনলাইনেও
জ্যোতির্বিজ্ঞানে অবিশ্বাস্য উল্কা ঝরণা দেখা মিলবে শুক্রবার রাতে
আগামী কয়েকদিনের মধ্যে মহাকাশে অবিশ্বাস্য বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটতে চলেছে। সেই অবিশ্বাস্য ঘটনার সাক্ষী হতে জ্যোতির্বিজ্ঞানের অনুরাগীরা যে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। ২৫ অক্টোবর বছরের শেষ আংশিক সূর্যগ্রহণ হবে। তার আগে উল্কা ঝরনার মতো একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা মহাকাশে ঘটতে চলেছে বলে জানা গিয়েছে।

শুনতে অবিশ্বাস্য লাগলেও উল্কা ঝরনার মতো ঘটনা ঘটছে মহাকাশে। ২১ অক্টোবর থেকে এই উল্কা ঝরনার দৃশ্য দেখা যাবে। চলতি মাসের শুরুতে ড্রাকোনিডসগুলো দেখতে পাওয়া গিয়েছিল। বর্তমানে ওরিওনিড বা উল্কা ঝরনার সাক্ষী হতে চলেছে। হ্যালির ধুমকেতুর কারণে অরিওনিড উল্কাপাত হয়। প্রতি ৭৫ বছর অন্তর হ্যালির ধুমকেতু পৃথিবীর কাছে চলে আসে। মহাজাগতিক ধুলিকনা বা ধ্বংসাবশেষ তার পথে রেখে যায়। পৃথিবী এই ধূলিকনার মধ্যে দিয়ে ভেসে যায়। যা অরিওনিড বা উল্কা ঝরনার সৃষ্টি করে।
মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তরফে একটি রিপোর্টে জানানো হয়েছে, মনে করা হচ্ছে ২১ অক্টোবর ঝরণা সর্বোচ্চ হবে। ঘণ্টায় ২০টি উল্কা দেখতে পাওয়া যেতে পারে। ওরিওনিডস ঘণ্টায় ১৪৮,০০০ মাইল বেগে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে আঘাত করবে। যার জেরে কয়েক মিনিট জন্য ভগ্নাংশের জ্বলন্ত অংশ দেখতে পাওয়া যাবে। ওরিয়ন, মিথুন ও বৃষরাশির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সূর্যোদয়ের আগে পর্যন্ত পৃথিবীর যে কোনও অঞ্চল থেকে এই উল্কা ঝরনা দেখতে পাওয়া যাবে। তবে দেখার সব থেকে ভালো সময় রাত একটা বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন।
পৃথিবীর যে কোনও অঞ্চল থেকে যেখানে দূষণ কম সেখান থেকে উল্কা ঝরনা দেখতে পাওয়া যাবে। দূষণের কারণে পৃথিবীর বড় বড় শহরগুলো থেকে এই উল্কা ঝরনা দেখতে পাওয়া যাবে না বলে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন। তবে অনলাইনে উল্কা ঝরনা দেখতে পাওয়া যাবে। বিজ্ঞানীরা উল্কা ঝরনা ইউটিউবের দেখানোর ব্যবস্থা করেছে। যার জেরে পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তের উল্কার ঝরনা দেখতে পাওয়া যায়। ইউটিউবে লাইভ ভিডিওয়ের ব্যবস্থা জ্যোতির্বিজ্ঞানের বিভিন্ন চ্যানেলে করা হয়েছে।
উল্কা ঝরনা দেখার জন্য ইতিমধ্যে বিশ্বের জ্যোতির্বিজ্ঞানী অনুরাগীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। সাধারণ মানুষও এই উল্কা ঝরনা স্বচক্ষে দেখতে চাইছে। তবে বিশ্বের একাধিক অঞ্চলে এই উল্কা ঝরনা দেখতে পাওয়া যাবে না শুধু দূষণের কারণে। সেক্ষেত্রে জ্যোতির্বিজ্ঞানী অনুরাগীদের ইউটিউব চ্যানেলগুলোর ওপর ভরসা করতে হয়।












Click it and Unblock the Notifications