মঙ্গলেও বইত সমুদ্র! লাল গ্রহের মাটিতে নোনা জলের আরও প্রমাণ দিলেন বিজ্ঞানীরা

মঙ্গলেও বইত সমুদ্র! লাল গ্রহের মাটিতে নোনা জলের আরও প্রমাণ দিলেন বিজ্ঞানীরা

মঙ্গলে জলের প্রমাণ আগেও দিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। আবারও দিলেন। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আগে জানিয়েছিলেন মঙ্গলে বইত সমুদ্র! এবার লাল গ্রহের মাটিতে নোনা জলের আরও প্রমাণ রাখলেন বিজ্ঞানীরা। পাথুরে লাল গ্রহ হিসেবে পরিচিত হতে মঙ্গলের মেরুতে লবণাক্ত জলের হদিশ মিলেছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় উঠে এসেছে তথ্য।

২০১০ থেকে ২০১৯-এর ডেটায় প্রমাণ

২০১০ থেকে ২০১৯-এর ডেটায় প্রমাণ

ইউনিভার্সিটি অফ সাউদার্ন কুইন্সল্যান্ডের অধ্যাপক গ্রাজিয়েলা ক্যাপ্রেরেলি একটি আন্তর্জাতিক দলের অংশ যারা মঙ্গল পৃষ্ঠের নীচে উজ্জ্বল প্রতিফলিত সংকেতগুলি খতিয়ে দেখেছে। মার্স এক্সপ্রেস বোর্ডে রাডার সাউন্ডার মার্সিসের মাধ্যে ২০১০ থেকে ২০১৯-এর মধ্যে ডেটা সংগ্রহ করে একটি প্রামাণ্য রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়েছে।

মঙ্গলে লবণাক্ত হ্রদের প্যাচওয়ার্ক

মঙ্গলে লবণাক্ত হ্রদের প্যাচওয়ার্ক

প্রাথমিকভাবে ইতালীয় দলটি প্রস্তাব করেছিল প্রতিফলনগুলি লবণাক্ত হ্রদের একটি প্যাচওয়ার্কের দিক নির্দেশ করে। ২০১৮ সালে বিজ্ঞানে এবং ২০২১ সালে প্রকৃতি জ্যোতির্বিদ্যায় তাদের গবেষণা রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। ইতালীয় ওই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের দল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকরদের সহায়তায় নতুন প্রমাণ সরবরাহে সফল হয়।

মাটি পরীক্ষায় লবণাক্ত বরফের হদিশ

মাটি পরীক্ষায় লবণাক্ত বরফের হদিশ

এই গবেষণার ফলাফল নেচার কমিউনিকেশনস এবং জার্নাল অফ জিওফিজিক্যাল রিসার্চ প্ল্যানেটে প্রকাশিত হয়েছে। অধ্যাপক ক্যাপ্রেরেলি বলেন, নতুন পরীক্ষাগারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিমুলেশন বিকল্প বাতিল করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আমরা প্রশ্নগুলি অন্বেষণ করেছি। শক্তিশালী রাডার সংকেতগুলি পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে, রাডার সংকেতগুলি মাটি ও লবণাক্ত বরফের মতো অন্যান্য ধরণের উপকরণ দ্বারা গঠিত।

তাপীয় মডেলগুলি পরীক্ষায় সিদ্ধান্ত

তাপীয় মডেলগুলি পরীক্ষায় সিদ্ধান্ত

সম্প্রতি প্রফেসর ক্যাপ্রেরেলি তাপীয় মডেলগুলি পরীক্ষা করেছেন এবং দক্ষিণ মেরুতে স্তরের নীচে তাপমাত্রার পরিসর গণনা করেছেন। এই পরীক্ষার পর তিনি বলেন আমরা বরফ ও ধূলিকণার মাধ্যমে রাডার তরঙ্গগুলির প্রচারের মডেলিং করে ভৌত বৈশিষ্ট্যগুলি পর্যবেক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি জানান, নতুন এই গণনাগুলি থেকে জানা যায় ৫ শতাংশ থেকে ১২ শতাংশ মধ্যে ধূলিকণার অন্তর্ভুক্তি সীমাবদ্ধ। আর স্তরের নীচে তাপমাত্রা মাইনাস ৪৩ ডিগ্রি সেন্ডিগ্রেডের উচ্চ সীমায় নির্ধারিত।

দক্ষিণ মেরুর গোড়ার তাপমাত্রা বিশ্লেষণে

দক্ষিণ মেরুর গোড়ার তাপমাত্রা বিশ্লেষণে

অধ্যাপক ক্যাপ্রেরেলি আরও বলেন, আমাদের গবেষণাগুলি দেখায় যে, দক্ষিণ মেরুর গোড়ার তাপমাত্রা অন্যান্য গবেষকদের দ্বারা গণনা করা হয়েছে। তা পরিবর্তিক হয়ে সহজেই মাইনাস ৪৩ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড থেকে মাইনাস ৭৩ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডে পৌঁছতে পারে। এই তাপমাত্রা পার্ক্লোরেট গলে যাওয়ার তাপমাত্রা বলে তিনি জানান। ইতালির রোমা ট্রে ইউনিভার্সিটি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ-ওয়াস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের গবেষণাগারগুলিতে পরিচালিত নতুন পরীক্ষাগারে এই তথ্য প্রমাণিত হয়েছে। এই সংশোধিত তাপমাত্রায় ব্রাইনগুলির বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণরূপে বেস থেকে অর্জিত রাডার সংকেতের শক্তির সঙ্গে সামাঞ্জস্যপূর্ণ।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+