সূর্যের বিশাল টুকরো ভেঙে পড়ল, ভয়ঙ্কর বিপদের মুখে পৃথিবী! বিস্মিত বিজ্ঞানীরা
সাম্প্রতিক অতীতে সূর্যে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে একাধিকবার। তবে এবার যা ঘটল, এমন ‘ঘূর্ণি’ আগে কখনও দেখেননি বিজ্ঞানীরা।
সূর্যের বিশাল টুকরো ভেঙে পড়ল। যা দেখে বিস্মিত বিজ্ঞানীরা। কী করে সম্ভব হল তা, তবে কি বড় বিপদ ধেয়ে আসতে চলেছে পৃথিবীর বুকে? সৌর জগতে কি ঘটে যাবে বিরাট পরিবর্তন? সমস্ত সম্ভাবনাই খতিয়ে দেখছেন বিজ্ঞানীরা। সবার আগে তারা দেখছে পৃথিবী কোনও বিপদের মুখে পড়তে পারে কি না!
নাসা থেকে শুরু এসা বা পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের কাছে এখন একটাই লক্ষ্য হয়ে উঠেছে, সূর্যের বিশাল টুকরো ভেঙে পৃথিবীতে কী প্রভাব ফেলতে পারে। সূর্যে সাম্প্রতিক অতীতে এমনই সব ঘটনা ঘটছে, যা যথেষ্ট ভাবনার।

নাসা জানিয়েছে, সূর্য যো গোটা সৌর জগৎকে আলো প্রদান করছে। পৃথিবীর আকাশে একটি বড় উজ্জ্বল অগ্নিপিণ্ড গোটা জগৎসংসারকে আলোকিত করে তুলেছে। ফলে সূর্যের উপর পৃথিবী-সহ গোটা সৌর জগতের গ্ররমণ্ডলী নির্ভরশীল। ফলে এ ধরনের ঘটনা ঘটা মানে মহাবিশ্বে কিছু পরিবর্তনের পূর্বাভাস বলে ধরে নেওয়া হয়।
অতীতেও এরকম বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে যা দেখে বিজ্ঞানও স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। সোলার পোলার ভর্টেক্সের পর্যবেক্ষণ তা জানার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। মার্কিন ন্যাশনাল সেন্টার ফর অ্যাটমোস্ফিয়ারিক রিসার্চের সৌর পদার্থবিদ স্কট ম্যাকিনটোসও এই ঘটনার পর পর্যবেক্ষণ শুরু করেছেন। তিনি কয়েক দশক ধরে সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করে চলেছেন। এবার তিনি সূর্যের এই বিরাট অংশ ভেঙে পড়া দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছেন।
বিজ্ঞানীরা বলেন, সাম্প্রতিক অতীতে সূর্যে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে একাধিকবার। তবে এবার যা ঘটল, এমন 'ঘূর্ণি' তিনি কখনও দেখেননি। সৌর বায়ুমণ্ডলে সেকেন্ডে ৯৬ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সৃষ্টি হল। পৃথিবী থেকে নাসার অত্যাধুনিক টেলিস্কোপে তা ধরা পড়েছে। তারপর এই ঘটনাকর পর্যবেক্ষণে গবেষণা শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা।
মহাকাশ বিজ্ঞানীরা এখন অদ্ভুত ঘটনাটি বিশ্লেষণ করছেন। এর সম্পর্কে আরও বিশদ তথ্য সংগ্রহ করতে চাইছেন তাঁরা। চাইছেন একটি পরিষ্কার চিত্র উপস্থাপন করতে। যদিও সূর্যতে চব্বিশ ঘন্টা পর্যবেক্ষণ করার কাজ চালিয়ে যা্চ্ছেন বিজ্ঞানীরা। সেই পর্যবেক্ষণ চালাকালীনই এই বিস্ময় সামনে এসেছে।
এর আগে সূর্য থেকে একাধিক শক্তিশালী অগ্নিশিখা ছড়িয়ে পড়েছে। তা পৃথিবীতে যোগাযোগ ব্যাহত করেছে। কিন্তু এমন বিশালাকার অগ্নিপিণ্ড খসে পড়া বিরল। এ থেকেই বিজ্ঞানীরা বোঝার চেষ্টা করছেন, সেই অগ্নিপিণ্ড সৌরজগতে কোথায় স্থান পায়, তা থেকে অন্য কোনও গ্রহ বা উল্কার সৃষ্টি হয় কি না।












Click it and Unblock the Notifications