Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

Center of the Earth: পৃথিবীর কেন্দ্রে বেড়াতে যাবেন! জানেন কী রয়েছে সেখানে, বিজ্ঞানীরা তুলে আনলেন অজানা কথা

কেমন হত যদি পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে ভ্রমণ করে পৌঁছে যাওয়া যেত ভূগর্ভে। কিংবা মাটি খুঁড়ে চলে যাওয়া যেত পৃথিবীর অন্য প্রান্তে! কী মজাই না হত! যদি পৃথিবীর কেন্দ্র ভ্রমণ করার কোনও সুনির্দিষ্ট রাস্তা থাকত। খুব সহজেই এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পৌঁছে যাওয়া যেত! তেমন ভাবনা ভেবেছিলেন বিজ্ঞানীরাও।

আর এই ভাবনা এসেছিল প্রায় ১৬০ বছর আগে ভুতাত্ত্বিক এক জার্মান অধ্যাপকের এক পাণ্ডুলিপি উদ্ধারের ঘটনা থেকে। সেটি ছিল সাংকেতিক পাণ্ডুলিপি। অট্টো লিডেনব্রক নামে ওই অধ্যাপর পাণ্ডুলিপি পাওয়ার পর ভাইপো অ্যাক্সেলের সঙ্গে মিলে তার সংকেত উদ্ঘাটনে বেরিয়ে পড়েছিলেন।

Center of the Earth

ওই পাণ্ডুলিপিতে ছিল একটি গুহায় ঢোকার গোপন পথ। ওই গোপন পথ দিয়ে যাওয়া যায় পৃথিবীর কেন্দ্রে। তাঁরা সেই পথ দিয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন পৃথিবীর কেন্দ্রে। তাঁদের অভিযান শেষ হয় একটি বিলুপ্ত আগ্নেয়গিরি ও একটি সূর্যহীন সমুদ্রে। যেখানে অভিযাত্রীরা পেয়েছিলেন প্রাগৈতিহাসিক সময়ের বন, আলোকিত শিলা আপ সামুদ্রিক জীবন চক্র।

ফরাসি লেখক জুল ভার্নের কল্পনায় 'জার্নি টু দ্য সেন্দার অব দ্য আর্থ' বইয়ের সূত্র ধরেই তত্তবগুলো অনুসন্ধানে বিজ্ঞানীরা উৎসুক হন আমরা যদি ৬ হাজার ৩৭১ কিলোমিটার নীচে যাই, তাহলে কী পেতে পারি? বিজ্ঞানীরা সেই পথের সন্ধান শুরু করে দিয়েছেন। তাঁরা ব্যাখ্যা করেছেন পৃথিবী হল পেঁয়াজের মতো।

প্রথম স্তর হল ভূত্বক। এই ত্বকেই রয়েছে প্রাণের অস্তিত্ব। এর গভীরে গেলেও মিলবে প্রাণের সন্ধান। নাইল ক্রোকোডাইল নামে এক ধরনের কুমির মাটির ১২ মিটার নীচেও থাকতে পারে। গভীর গর্তে বা গুহায় থাকতে পারে এরা। ভূত্বক থেকে ৮৫ মিটার গভীরে রয়েছে ভূ-গর্ভস্থ শহর তুরস্কের এলেনগুবু।

১৮ স্তরের টানেল দিয়ে নির্মিত গোলকধাঁধার মতো এই শহর ২০ হাজারের বেশি মানুষকে ধারণের ক্ষমতা ছিল। তা তৈরি হয়েছিল ৩৭০ খ্রিস্টপূর্বে। আর বিশ্বের সবথকে গভীরতম খনি রয়েছে চার কিলোমিটার গভীরে। দক্ষিম আফ্রিকার স্বর্ণখনির শ্রমিকরা দু-কিলোমিটার গভীরে জীবন্ত কীট খুঁজে পেয়েছেন। কিন্তু তারপর আর কোনও প্রাণের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

বিশ্বের গভীরতম কূপ খনন করা হয়েছিল রাশিয়ায়। অনেকে একে বলে নরকের দ্বার। ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গভীরতায় রয়েছে ম্যান্টল বা বিচ্ছুরিত স্তর। এটি উত্তপ্ত শিলা দিয়ে গঠিত। এই স্তরে শিলা প্রবাহিত হয় ধীরে। তখনই অনুভূত হয় ভূমিকম্প। এটি এতটাই বিশাল থেকে পৃথিবীর সব সাগরের জল ধারণ করতে পারে। তবে এখানে এক ফোঁটাও জল নেই।

আরও গভীরে গেলে আকাশি নীল রঙের রিউডাইট ক্রিস্টাল বা আকাশী নীল রঙের ম্যাগেনেসিয়াম সিলিকেটের স্ফটিক রয়েছে। আরও নীচে রয়েছে একটি ঘূর্ণায়মান জায়গা, সেখানে ক্যালিডোস্কোপেকর স্ফটিকের মতো বস্তু রয়েছে। এখানে শিলা প্লাস্টিকের মতো নমনীয়। খনিজগুলি বিরল, পৃথিবীর উপরিভাগে তার অস্তিত্ব নেই।

২৯০০ কিলোমিটার গভীরে ম্যান্টল বা বিচ্ছুরিত স্তরের শেষ প্রান্ত। তার নীচে রয়েছে বিশালাকার পরিকাঠামো। লার্জ শো শিয়ার ভেলোসিটি প্রভিন্স। এগুলোকে ট্রুজো ও জেসন বলা হয়। ট্রুজোর উচ্চতা ৮০০ কিলোমিটারেরও বেশি। অর্থাৎ ৯০টি হিমালয় পর্বতকে জুড়লে এই উচ্চতার সমান হবে। আর জেসনের উচ্চতা ১৮০০ কিলোমিটার। অর্থাৎ ২০৩টি এভারেস্টের উচ্চতার সমান।

তার নীচে রয়েছে চূড়ান্ত স্তর। ইনার কোর। এই আন্তঃকেন্দ্র পৃথিবীর সবথেকে বড়ো রহস্যের জায়গা। এটি কঠন লোহা বা নিকেলের তৈরি অতি ঘন উত্তপ্ত বলের মতো। সূর্যের উপরিভাগের তাপের মতো এই বলেরও তাপ। আর এর আকার চাঁদের থেকে কিছুটা ছোটো। এই স্তরে চাপ এতোই বেশি যে সেখানে পৌঁছনো সম্ভব নয়। তাপমাত্রা ৬০০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর চাপ ৩.৫ মিলিয়ন অ্যাটমোস্ফিয়ার।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+