নাসা শুরু করে দিল মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতি, চুক্তি ব্লু অরিজিনস নিউ গ্লেনের সঙ্গে
"নাসা এই মঙ্গল মিশনে দীর্ঘ ঐতিহ্য অনুসরণ করে এগোচ্ছে। এই মিশনে যুক্ত হতে পেরে আমারা রোমাঞ্চিত এবং আমাদের কোম্পানিও গর্বিত। "
নাসা আর্টেমিস মিসন ওয়াবনে প্রভূত সাফল্যে পেয়েছেন। এবার আরও দুটি চন্দ্রাভিযানে যাবে নাসা। তারপর তাঁদের অভিযান মঙ্গলে। ২০২৫-এ চন্দ্র অভিযান চাঁদের মাটিতে পা রাখার পর মঙ্গলে যাওয়ার পরিকল্পনা হলেও এখন থেকেই সেই পরিকল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে।

নাসা তাদের মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতিতে ইতিমধ্যে চুক্তি করে ফেলল ব্লু অরিজিনের নিউ গ্লেনের সঙ্গে। আমেরিকান মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবার এস্কেপ অ্যান্ড প্লাজমা অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ডায়ানামিক্স এক্সপ্লোরারসের দায়িত্ব দিয়েছে ব্লু অরিজিনস নিউ গ্লেনকে। এটি একটি আমেরিকান বেসরকারি অর্থায়িত মহাকাশ প্রস্তুতকারক এবং সাব-অরবিটাব স্পেসফ্লাইট পরিষেবা সংস্থা।
নাসার সঙ্গে চুক্তির পর একটি অফিসিয়াল বিবৃতিতে বলা হয়েছে এস্কেপ অ্যান্ড প্লাজমা অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ডায়ানামিক্স এক্সপ্লোরারস হল একটি স্মল ইনোভেটিভ মিশন ফর প্ল্যানেটরি এক্সপ্লোরশান প্রোগ্রামের অংশ, যা মঙ্গল গ্রহের চৌম্বকমণ্ডল নিয়ে গবেষণায় সাহায্য করবে। একটি দ্বৈত মহাকাশযান মিশন চালাবে নাসার সঙ্গে।
ব্লু অরিজিনস নিউ গ্লেন অনুসারে, এস্কেপ অ্যান্ড প্লাজমা অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ডায়ানামিক্স এক্সপ্লোরারস হল একটি টুইন-স্পেসক্রাফ্ট ক্লাস ডি মিশন, যা মঙ্গলের অনন্য হাইব্রিড ম্যাগনেটোস্ফিয়ারের মাধ্যমে সৌর বায়ু শক্তি স্থানান্তর নিয়ে গবেষণা করবে।
একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, এস্কেপ অ্যান্ড প্লাজমা অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ডায়ানামিক্স এক্সপ্লোরারস হল নাসার ভেঞ্চার-ক্লাস অ্যাকুইজিশন অফ ডেডিকেটেড অ্যান্ড রাইডশেয়ার লঞ্চ পরিষেবা চুক্তির অধীনে একটি টাস্ক অর্ডার। গত বছর বিভিন্ন ধরনের মহাকাশযান লঞ্চের জন্য ১৩টি কোম্পানির মধ্যে সর্বাধিক ৩০০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছিল।
২০২২ সালের ২৬ জানুয়ারি ব্লু অরিজিনস নিউ গ্লেনের সঙ্গে চুক্তিতে করার কথা বলা হয়েছিল। এই চুক্তির মেয়াদ পাঁচ বছরের। এই সংস্থার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জ্যারেট জোন্স বলেন, নাসা এই মঙ্গল মিশনে দীর্ঘ ঐতিহ্য অনুসরণ করে এগোচ্ছে। এই মিশনে যুক্ত হতে পেরে আমারা রোমাঞ্চিত এবং আমাদের কোম্পানিও গর্বিত। নাসা এই প্রোগ্রামে ব্লু অরিজিনস নিউ গ্লেনকে মঙ্গল গ্রহের চৌম্বকমণ্ডল অধ্যয়ন করার জন্য বেছে নিয়েছে।
বর্তমানে, ব্লু অরিজিন নিউ গ্লেন সেই ভবিষ্যত মিশনের জন্য কাজ করে চলেছে। পুনঃব্যবহারযোগ্য লঞ্চ ভেহিকেল এবং ইন-স্পেস সিস্টেমে নিরাপদে অথচ কম খরচে যাতে নাগরিক, বাণিজ্যিক এবং প্রতিরক্ষা গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করা যায় সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সংস্থাটি।
এই সংস্থার প্রচেষ্টার মধ্যে রয়েছে নিউ শেপার্ডে মহাকাশে নভোচারীদের উড়ানে সাহায্য করা, পুনরায় ব্যবহারযোগ্য তরল রকেট ইঞ্জিন তৈরি করা, নিউ গ্লেনের সঙ্গে একটি অরবিটাল লঞ্চ ভেহিকল তৈরি করা, পরবর্তী প্রজন্মের মহাকাশ বাসস্থান তৈরি করা এবং চাঁদের পৃষ্ঠে ফিরে আসা।












Click it and Unblock the Notifications