পৃথিবী প্রবেশ করছে নতুন কক্ষপথে, তারপরই সূর্যের আগুনে ছবি শেয়ার নাসার
পৃথিবী প্রবেশ করছে নতুন কক্ষপথে, তারপরই সূর্যের আগুনে ছবি শেয়ার নাসার
পৃথিবী নতুন কক্ষপথে প্রবেশ করতেই সূর্যের যে ছবি ধরা পড়ল নাসার ক্যামেরায়. তা দেখলে আঁতকে উঠবেন আপনিও। পৃথিবী নয়া কক্ষপথে পা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নাসার টেলিস্কোপে বন্দি একটি ছবি শেয়ার করেছেন বিজ্ঞানীরা, যা এককথায় শ্বাসরূদ্ধকর বলে বর্ণনা করা হয়েছে।

সৌর শিখার বিস্ফোরণের প্রভাব পৃথিবীতে
নাসার শেয়ার করা ছবিতে সূর্যকে আদতে একট জ্বলন্ত অগ্নিপণ্ড বলে মনে হচ্ছে। সূর্যে থেকে শক্তিশালী সোলার ফ্লেয়ার এমনভাবেই নির্গত হচ্ছে যে, আচমকাই মনে হবে সৌর শিখার বিস্ফোরণ হয়েছে। এখনই তা ছড়িয়ে পড়বে সৌরমণ্ডলে। নাসা জানিয়েছে, সৌর শিখার এই বিস্ফোরণের প্রভাব পড়বে পৃথিবীতে।

মহাকাশযান ও মহাকাশচারীর জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ
নাসা জানিয়েছে, সৌর বিস্ফোরণের ফলে নির্গত এই অগ্নিশিখা রেডিও যোগাযোগ, বৈদ্যুতিক পাওয়ার গ্রিড এবং নেভিগেশন সংকেতকে প্রভাবিত করতে পারে। এবং মহাকাশযান ও মহাকাশচারীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই নাসার তরফে সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু তা প্রতিকারের উপায় এখনও অধরা।

সূর্যের চারপাশে নতুন কক্ষপথে প্রবেশ
নাসা সম্প্রতি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সূর্যের বয়স ৪.৫ বিলিয়নেরও বেশি। যেহেতু আমরা আমাদের সূর্যের চারপাশে একটি নতুন কক্ষপথে প্রবেশ করেছি। তাই সূর্যের এক অন্যরূপ আমরা এবার দেখতে পাবো। এবং তার ফলে প্রভাবিতও হব। সূর্যের চারপাশে পৃথিবী যে কক্ষপথে এখন বিরাজ করছে তা ৯৩ মিলিয়ন মাইল বা ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে।

মহাজাগতিকভাবে মধ্যবয়সে বিরাজ করছে সূর্য
সূর্য মহাজাগতিকভাবে মধ্যবয়সে বিরাজ করছে। এই হলুদ বামন নক্ষত্রটি গতিশীল এবং সদা পরিবর্তনশীল। প্রকৃতি ক্রমাগত সৌরজগতে শক্তি প্রেরণ করে। বিজ্ঞানীরা আমাদের সৌরজগতের সবথেকে প্রাচীন জিনিসগুলি দেখে সূর্যের বয়স অনুমান করতে পারেন, যা সূর্যের সঙ্গে একই সময় গঠিত হয়েছিল।

সৌরজগতের কেন্দ্রে সূর্য, মাধাকর্ষণে আবিষ্ট
সূর্য আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্রে রয়েছে। ৮৬৫ হাজার মাইল প্রশস্ত একটি কোর, যা ২৭ মিলিয়ন ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রায় পৌঁছয়। আমাদের সূর্যের মাধ্যাকর্যণ আমাদের সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ থেকে শুরু করে ক্ষুদ্রতম মহাকাশের ধ্বংসাবশেষ পর্যন্ত সমস্ত জিনিসকে একত্রে ধরে রাখে।

নাসার তরফে ক্যাপশনে যা লেখা হয়
নাসার তরফে একটি ক্যাপশনে যোগ করা হয়েছে, মহাকাশযানের বহর সূর্যকে ২৪/৭ পর্যবেক্ষণ করে। হেলিওফিজিক্স নামে পরিচিত বিজ্ঞানের একটি শাখায় নক্ষত্র সম্পর্কে আমাদের জ্ঞানকে প্রসারিত করে। নাসা জানিয়েছে, মহাকাশযান এই চিত্রটি নিয়েছে সোলার ডায়নামিক অবজারভেটরি থেকে।

পৃথিবীর ছায়া দিয়ে সূর্যকে অস্পষ্ট করে মহাকাশযান
এই সোলার ডায়নামিক অবজারভেটরি ভূ-সিঙ্ক্রোনাস প্যাটার্নে প়ৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। নয়া কক্ষপথে পৃথিবীর রেডিও অ্যান্টেনার দৃষ্টিতে থাকে মহাকাশযানটি। এটি বছরে দুবার গ্রহণ ঋতুতেও প্রবেশ করে, যখন মহাকাশযানটি দিনে ৭২ মিনিট পর্যন্ত পৃথিবীর পিছনে চয়ে যায়। তখন পৃথিবীর ছায়া দিয়ে সূর্যকে অস্পষ্ট করে।












Click it and Unblock the Notifications