নাসার চন্দ্রাভিযানের আর্টেমিস-১ মিশনে হঠাৎ বাধা, ইঞ্জিন সমস্যায় স্থগিত উৎক্ষেপণ
নাসার চন্দ্রাভিযানে আর্টেমিশন-১ মিশন হঠাৎ বাধা নেমে এল। আর্টেমিস ১-এর উৎক্ষেপণ লগ্নের প্রহর গোনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। এমন সময় ইঞ্জিন সমস্যায় থমকে গেল অভিযান। ফের নতুন করে পরিকল্পনা গ্রহণ করল নাসা।
নাসার চন্দ্রাভিযানে আর্টেমিশন-১ মিশন হঠাৎ বাধা নেমে এল। আর্টেমিস ১-এর উৎক্ষেপণ লগ্নের প্রহর গোনা শুরু হয়ে গিয়েছিল। এমন সময় ইঞ্জিন সমস্যায় থমকে গেল অভিযান। ফের নতুন করে পরিকল্পনা গ্রহণ করল নাসা। ২৯ অগাস্ট আর্টেমিস ১-এর চন্দ্রাভিযানের কথা ছিল। সেই অভিযান ইঞ্জিন সমস্যা মিটিয়ে ২ সেপ্টেম্বর হবে বলেই প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে নাসার তরফে।

চাঁদের বুকে আর্টিমিস-১ যাচ্ছে প্রথম জীববিজ্ঞান পরীক্ষার উদ্দেশ্য নিয়ে। ২৯ অগাস্ট চাঁদের উদ্দেশে যাত্রার প্রস্তুতি সারা হয়ে গিয়েছিল। অপেক্ষা শুধু ছিল উৎক্ষপণের। কিন্তু তখনই ইঞ্জিন সমস্যায় তা উৎক্ষপেণ করতে পারল না। সেই সমস্যা চটজলদি মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। তারপর ফের পরীক্ষায় সফল হওয়ার পর নতুন করে শুরু হবে মিশন আর্টেমিস-১।
এই আর্টেমিস-১ কোনও মনু্ষ্য পরিবহন করবে না। তবু এই আর্টেমিস-১ মিশন নাসার কাছে মহাকশে মানুষ প্রেরণ করার লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান ছিল। তাই সতর্ক হয়েই এই অভিযান সফল করার লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে নাসা। নাসা জানিয়েছে, ইঞ্জিনিয়ে সমস্যা হয়েছে, তাই ইঞ্জিনিয়ারদের আরও সময়ের প্রয়োজন। নাসার তরফে জানানো হয়েছে, ইঞ্জিনিয়াররা মনে করছে খুব শীঘ্রই এই সমস্যার নিরসণ ঘটানো সম্ভব হবে। সেইমতো ২ সেপ্টেম্বর টার্গেট রাখা হয়েছে পরবর্তী উৎক্ষপণের।
প্রায় ৫০ বছর পর অ্যাপোলো মিশনের মতো আর্টিমিস মিশন শুরু করতে চলেছে নাসা। ফের মহাকাশে নাসার উপগ্রহে মানুষ পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তার আগে প্রথম জীববিজ্ঞান পরীক্ষা করতে চাঁদের আর্টিমিস-১ পাঠানোর উদ্যোগ নেয় নাসা। আর্টিমিস-১ চন্দ্রের কক্ষপথে পরিচালিত হবে। তা মহাকাশ বিকিরণের প্রভাবগুলিও পর্যবক্ষেণ করবে। এই মিশনের সাফল্যে পরই চাঁদে মানুষ পাঠানোর অভিযানে নামবে নাসা। এমনকী মঙ্গলের উদ্দেশেও এ ধরনের মিশন শুরু করা হবে।
এই আর্টিমিস অভিযান ছিল চাঁদে মানুষ পাঠানোর আগে একটি সতর্কতামূলক মিশন। এই মিশনে আর্টেমিস-১ মহাকাশে জীববিজ্ঞান পরীক্ষা করবে। মহাকাশ ভ্রমণে মানবদেহের উপর যে সমস্ত প্রভাব পড়ে তা জানার চেষ্টা চালাবে আর্টিমিস-১। পৃথিবী থেকে নেওয়া জৈবিক ব্যবস্থাগুলি মহাকাশে সঠিকভাবে কাজ করে কি না, তা জানাই মুখ্য উদ্দেশ্য এই মিশনের।
এই পরীক্ষাটিকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলা হচ্ছে বায়ো এক্সপেরিমেন্ট-১। এই মধ্যে চারটি ভিন্ন ভিন্ন পরীক্ষা করা হবে, যা চারটি ভিন্ন জৈবিক নমুনা কভার করবে। এই পরীক্ষা ও নমুনাগুলি বুঝতে সাহায্য করবে কীভাবে পৃথিবী থেকে নেওয়া জৈবিক ব্যবস্থাগুলি মহাকাশে ব্যবহার করা যায়। নাসার প্রোগ্রাম সায়েন্টিস্ট ডা. শর্মিলা ভট্টাচার্য মহাকাশ বিজ্ঞানের এই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখছেন।












Click it and Unblock the Notifications