নাসার মিশন ডার্ট পরীক্ষা সফল! মহাকাশযানের পাল্টাল গ্রহাণুর গতিপথ
পৃথিবীর মহা আতঙ্কের দিন শেষ। ডার্ট মহাকাশযানের ধাক্কায় গ্রহাণুর গতিপথ বদলে গেল। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গ্রহকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানোর উপায়ের পরীক্ষায় সফল হয়েছে নাসা। ২৬ সেপ্টেম্বর রাতের ঘটনা।
পৃথিবীর মহা আতঙ্কের দিন শেষ। ডার্ট মহাকাশযানের ধাক্কায় গ্রহাণুর গতিপথ বদলে গেল। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গ্রহকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচানোর উপায়ের পরীক্ষায় সফল হয়েছে নাসা। ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে নাসার ডার্ট মহাকাশযানটি হাইপারসনিক গতিতে একটি দূরবর্তী গ্রহাণুতে সফলভাবে আঘাত করে বিশ্বের প্রথম গ্রহ প্রতিরক্ষা পরীক্ষায় সফল হয়েছে।

২০২১-এর নভেম্বরে ডার্ট চালু হওয়ার ১০ মাস পরে ওয়াশিংটন ডিসির বাইরে মিশন অপারেশন সেন্টার থেকে একটি গ্রহাণু বা কোনও মহাকাশীয় বস্তুর গতি পরিবর্তন করার চেষ্টা এই প্রথম। লাইভ স্ট্রিমিং-এ ডার্ট-এর ক্যামেরায় তোলা ছবিগুলিকে কিউব-আকৃতির ইমপ্যাক্টর বাহন হিসেবে দেখানো হয়েছে। পৃথিবী থেকে যা ছিল প্রায় ৬.৮ মিলিয়ন মাইল দূরে।
একটি মহাকাশযান গতিশক্তির মাধ্যমে একটি গ্রহাণুর গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে কিনা তা জানতে এই মিশন তৈরি করা হয়েছিল। এই পরীক্ষাটি সঠিকভাবে হল কিনা তা জানতে অবশ্য কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে। পরের মাসের টেলিস্কোপের মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ না হওয়া পর্যন্ত এব্যাপারে চূড়ান্ত কিছু বলা যাবে না। তবে সোমবার পরীক্ষার পরে তাৎক্ষণিক ফলাফলের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, মহারাশযানটি তার উদ্দেশ্যে সফল হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা সফল হওয়ার পরে নাসার ডেপুটি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর পাম মেলরয় বলেছেন, নাসা মানবতার সুবিধার জন্য কাজ করে। মেরিল্যান্ডের লরেলর জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির অ্যাপ্লায়েড ফিডিক্স ল্যাবরেটরি মিশনের অপারেশন সেন্টার থেকে সোমবার পুরো বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হয়। সেখানে গ্রহাণুর প্রত্যেক সেকেন্ডের ছবিগুলি দেখা হয়। শেষ পর্যন্ত সিগন্যাল হারিয়ে যআওয়ার ঠিক আগে পর্যন্ত যে ছবি এসেছে, তাতে গ্রহাণুর গতিপথ বদলে গিয়েছে।
ডিমরফস এবং ডিডাইমস উভয়েই ধ্বংসাত্মক চিক্সুলাব গ্রহাণুর তুলনায় ছোট যা প্রায় ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে আঙাত করেছিল এবং ডাইনোসর-সহ বিশ্বের তিন-চতুর্থাংশ উদ্ভিদ এবং প্রাণীকে নিশ্চিহ্ন করেছিল।
IMPACT SUCCESS! Watch from #DARTMIssion’s DRACO Camera, as the vending machine-sized spacecraft successfully collides with asteroid Dimorphos, which is the size of a football stadium and poses no threat to Earth. pic.twitter.com/7bXipPkjWD
— NASA (@NASA) September 26, 2022












Click it and Unblock the Notifications