Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

নাসার টেলিস্কোপে নতুন পৃথিবীর দর্শন! রহস্যময় এই বিশ্বকে দেখতে কেমন, জানালেন বিজ্ঞানীরা

নাসার টেলিস্কোপে নতুন পৃথিবীর দর্শন পেলেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা রহস্যময় এই বিশ্বকে দেখলেন খুব কাছ থেকে। কেমন সেই পৃথিবী, সেই ব্যাখ্যা দিলেন বিজ্ঞানীরা। নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ সৌরজগতের বইকে একটি দূরবর্তী গ্রহ পর্যবেক্ষণ করেছে। এই রহস্যময় বিশ্বকে মিনি নেপচুন বলে অভিহিত করেছেন তাঁরা।

নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপে ধরা পড়া ভিন্ন নক্ষত্রমণ্ডলে অবস্থিত এই গ্রহের নাম দেওয়া হয়েছে জিজে১২১৪বি। এই গ্রহটিতে তরল জলের মহাসাগর রয়েছে বলে ধারণা নাসার। তবে তা বসবাসযোগ্য নয়। কারণ গ্রহটি খুব গরম, বাষ্পীভূত জল এই গ্রহের বায়ুমণ্ডলের একটি প্রধান অংশ হতে পারে।

নাসার টেলিস্কোপে নতুন পৃথিবীর দর্শন!

মেরিল্যান্ড ইউনিভার্সিটির গবেষক এবং নেচার জার্নালে প্রকাশিত একটি নতুন গবেষণাপত্রের প্রধান লেখক এলিজা কেম্পটন বলেছেন, "গ্রহটি একধরনের কুয়াশা বা মেঘের স্তর দ্বারা সম্পূর্ণরূপে আবৃত।" এই পর্যবেক্ষণের আগে পর্যন্ত বায়ুমণ্ডলটি নিয়ে কোনো আভাস ছিল না বিজ্ঞানীদের কাছে।

তিনি আরো বলেন, যদি সত্যিই এই নতুন গ্রহ জল-সমৃদ্ধ হয়, তাহলে গ্রহটি একটি জলজগৎ হতে পারত। এই গ্রহ গঠনের সময় প্রচুর পরিমাণে জলযুক্ত এবং বরফযুক্ত উপাদান ছিল। গবেষক দলটি এই পর্যবেক্ষণে একটি অভিনব পদ্ধতি নিয়েছিল। আদর্শ পর্যবেক্ষণের মধ্যে গ্রহের বায়ুমণ্ডলের মধ্যে নক্ষত্রের আলোও পড়েছে।

গবেষক দলটি নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করার সময় গ্রহের এক ধরনের তাপ মানচিত্র তৈরি করতে সক্ষম হয়েছিল। গ্রহের কক্ষপথ নক্ষত্রের পিছনে নিয়ে যাওয়ার ঠিক আগে তাপের মানচিত্রটি প্রকাশ করেছে। এর দিন ও রাত উভয়ই বায়ুমণ্ডলের গঠনের বিশদ বিবরণ দেয়।

নাসার টেলিস্কোপে নতুন পৃথিবীর দর্শন!

কেম্পটন বলেন, "গ্রহটি কীভাবে দিনের দিক থেকে রাতের দিকে তাপ বিকিরণ করে, তা বোঝার জন্য একটি সম্পূর্ণ কক্ষপথের দিকে দৃষ্টি দিতে হবে। তাহলেই বোঝা যাবে দিন এবং রাতের মধ্যে অনেক বৈসাদৃশ্য রয়েছে। দিনের তুলনায় রাতের দিকটা বেশি ঠান্ডা।

প্রকৃতপক্ষে তাপমাত্রা ৫৩৫ থেকে ৩২৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা ২৭৯ থেকে ১৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। এত বড় পরিবর্তন শুধুমাত্র ভারী অণু দ্বারা গঠিত বায়ুমণ্ডলেই সম্ভব বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। জল ও মিথেন পর্যবেক্ষণ করার সময় একইরকম জিনিস দেখতে পাবেন।

এর মানে হল জিজে১২১৪বি-র বায়ুমণ্ডল প্রধানত হালকা হাইড্রোজেন অণু দ্বারা গঠিত নয়। কেম্পটন গ্রহের ইতিহাস ও গঠনের গুরুত্বপূর্ণ সূত্র তুলে ধরে জানান জলীয় পদার্থ দিয়েই তৈরি বায়ুমণ্ডল। এবং এটি একটি আদিম পরিবেশ নয়।

তিনি বলেন, গ্রহটি হাইড্রোজেন-সমৃদ্ধ বায়ুমণ্ডল দিয়েই শুরু নয়, এটি ভারী উপাদান থেকে তৈরি হয়েছিল। অর্থাৎ আরো বরফযুক্ত, জল-সমৃদ্ধ উপাদান ছিল। এই গ্রহটি আমাদের সৌরজগতের গ্রহ নেপচুনের একটি ছোটো আকারের সংস্করণ।

প্রতীকী ছবি সৌজন্য পিক্সেলস

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+