চাঁদে প্রাণ থাকতে পারে! আর্টেমিস মিশনে মানব অভিযানের আগে চাঞ্চল্যকর দাবি নাসার বিজ্ঞানীদের
চাঁদে প্রাণ থাকতে পরে বলে সম্প্রতি নাসার বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন। যখন চাঁদের বুকে মানব অভিযান নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়েছে, তার আগে চাঞ্চল্যকর দাবি করে বসলেন বিজ্ঞানীরা। চাঁদের মাটিতে এতদিন জল, অক্সিজেন, ইত্যাদির খোঁজে নানা গবেষণা চলছে, তার মধ্যে প্রাণ থাকার দাবি বিস্ময়ের।
নাসা জানিয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যেই মহাকাশচারীরা চাঁদের পৃষ্ঠে নামতে চলেছেন। যদি সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চলে, তবে চাঁদকে আরো হাতের মুঠোয় এনে ফেলতে পারে নাসা ও মহাকাশ সংস্থাও। কিন্তু চাঁদে প্রাণ থাকার যে দাবি করা হয়েছে, তা উসকে দিয়েছে জল্পনা।

নাসা চাঁদ নিয়ে গবেষণা চালিয়েই যাচ্ছে। এখনও চাঁদই সবথেকে বেশি আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। নাসার বিজ্ঞানীরা স্বাকীর করেছেন, আমাদের কাছে সবথেকে আকর্ষণীয় জিনিসগুলির মধ্যে একটি হল চাঁদ। সেখানে নির্দিষ্ট কিছু জীবন টিকে থাকতে পারে।
সাম্প্রতিক গবেষণার প্রেক্ষিতে তাঁরা বলেন, চাঁদের কোনো সুরক্ষিত অঞ্চলে জীবাণু জাতীয় জীবনের জন্য সম্ভাব্য বাসযোগ্য কুলুঙ্গি থাকতে পারে। নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের একজন গ্রহ গবেষক প্রবাল সাক্সেনা জানিয়েছেন, চন্দ্রের দক্ষিণ মেরুর স্থায়ীভাবে ছায়াযুক্ত গর্তে জীবাণু থাকতে পারে।
সাক্সেনা মনে করেন, পৃথিবীতে যে প্রাণের উদ্ভব হয়েছিল, তার আগে সেখানেও কোনো জীবন থাকতে পারে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ ছিল। পৃথিবীর তৎকালীর আবহাওয়ায় কোনো প্রাণ বেঁচে থাকতে পারে কি না, সেটা ছিল বড়ো প্রশ্ন। চাঁদের ক্ষেত্রেও সেটা হতে পারে।

নাসা এখনও তার আসন্ন আর্টেমিস থ্রি মিশন শুরু করেনি। তারা চাঁদের কোন কোন ক্ষেত্রকে বেছে নেবে চাঁদের মাটিতে পা রাখার জন্য তাও নিশ্চিত হয়নি। দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি ১৩টি অবস্থান রয়েছে, এই অবস্থানে কোনো চমকপ্রদ ঘটনা ঘটতে পারে। উল্লেখ্য, অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় পরে চাঁদের পৃষ্ঠে প্রথম ক্রু মিশন শুরু হচ্ছে।
সাক্সেনা এবং তাঁর দল সম্প্রতি এই সম্ভাব্য অবতরণ স্থানগুলি সম্পর্কে একটি গবেষণা উপস্থাপন করেছেন তাঁর কর্মশালায়। তিনি যুক্তি দিয়ে বুজিয়েছেন আমাদের চাঁদে জীবাণুজীবের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কতটা। যদিও বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, জৈব অণুগুলি উল্কার মাধ্যমে মহাকাশে তাদের পথ তৈরি করতে পারে।

আরও একটি সম্ভাবনার কথা গবেষণায় বলা হয়েছে। মানুষ চাঁদে জীবাণু ছেড়ে গিয়েছিল। সেই জীবাণু বেঁচে থাকতে পারে কি না, সেটাই এখন দেখার। নাসা গডার্ড জৈব ভূ-রসায়নবিদ হিথার গ্রাহাম স্পেসকে বলেন, "আমাদের অনুসন্ধানের ইতিহাস বলছে, চাঁদ প্রাথমিকভাবে স্থলজগৎ হওয়া সত্ত্বেও সেখানে অণুজীবের থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications