নাসা রোভার চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহণ ৬ ভারতীয় পড়ুয়ার! মঙ্গল-চন্দ্র পৃষ্ঠের অন্বেষণে বিশেষ দায়িত্ব
মহাকাশ বিজ্ঞানে আরও এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অংশ নিতে চলেছেন ভারতীয় ছাত্ররা। এবার নাসা রোভার চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহণ করবে ৬ ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রী! তাঁরা মঙ্গল-চন্দ্র পৃষ্ঠের অন্বেষণে কাজ করবে। আগামী সপ্তাহেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রওনা দেবেন তাঁরা।
এবার এক নতুন পালক যুক্ত হবে ভারতের মহাকাশ গবেষণায়। নাসা হিউম্যান এক্সপ্লোরেশন রোভার চ্যালেঞ্জে অংশগ্রহণের জন্য ভারতের প্রত্যন্ত এলাকায় থেকে ৬ কিশোর ছাত্র-ছাত্রীকে বেছে নিয়েছে। ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সী ছাত্রদের তারা কাজে লাগাবে চাঁদ ও মঙ্গল পৃষ্ঠে নতুনের সন্ধানে।

নাসা রোভার চ্যালেঞ্জ ২০২৩-এ অংশগ্রহণের জন্য ভারতের যে সমস্ত শিক্ষার্থীদের নাসা বেছে নিয়েছে গ্রামের বুদ্ধিদীপ্ত কিশোরদের, যাঁরা গ্রামের বাইরেই হয়তো বেরোয়নি, তাঁরা পাড়ি দেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামার হান্টসভিলে নাসার মহাকাশ ও রকেট কেন্দ্রে।
ওড়িশার ইয়ং টিঙ্কার এডুকেশনাল যা নবনমেশ প্রসার ফাউন্ডেশন নামে পরিচিত ছিল সেখানে থেকে প্রশিক্ষিত ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে সুযোগ এসেছে নাসার হয়ে কাজ করার। নাসা মোট বিশ্বব্যাপী ৬১টি দল তৈরি করছে। তার মধ্যে একটি হল এই ভারতের ৬ পড়ুয়ার দলটি।

ভারতীয় ছাত্রদের দলে রয়েছে সিদ্ধান্ত ঘোষ তার বাড়ি মুম্বইয়ে, অন্ধ্রপ্রদেশের চিত্তিনেনি আকর্ষ ও সাই অক্ষরা ভেমুরি আর ওড়িশার বাসুদেবা ভোই, আকাঙ্খা দাস ও ওম সোধি। তারা একটি রোভার তৈরি করেছে। এই রোভার মঙ্গল ও চাঁদের পৃষ্ঠ অন্বেশণ করতে এবং ডেটা ও ছবি সংগ্রহ করে প্রেরণে সক্ষম।
তারা এবার আন্তর্জাতিকস্তরে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য যাচ্ছে নাসার ডাকে। ১৪ এপ্রিল তারা হান্টসভিলে নাসার মহাকাশ ও রকেট কেন্দ্রের উদ্দেশে রওনা দেবে। এই মিশনে অংশ নিতে পাঁচ হাজারের বেশি পড়ুয়া শামিল হয়েছিল। তাদের মধ্য থেকে ভারত থেকে নাসা রোভার চ্যালেঞ্জের জন্য ছয়জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়।

নাসা তাদের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে। ওড়িশার ইয়ং টিঙ্কার এডুকেশনাল সংস্থার পড়ুয়ারা জানিয়েছে, "আমরা সমস্ত নির্দেশিকা অনুসরণ করে একটি লাইটওয়েট রোভার তৈরি করেছি। এর ফলে গত সংস্করণে আমরা বিশ্ব তিন নম্বর র্যা ঙ্ক পেয়েছি। এ বছর আমরা বিশ্বের মধ্যে প্রথম র্যা ঙ্কের আশা করছি।"
নাসার এই পরিকল্পনা ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিভা বিকাশের একটা ক্ষেত্র তৈরি করে দেবে। ভারতের প্রত্যন্ত গ্রামেও যে প্রতিভা ছড়িয়ে রয়েছে, তাদের কাজও যে বিশ্ববন্দিত হতে পারে, তার প্রমাণ নাসার এই হিউম্যান এক্সপ্লোরেশন রোভার চ্যালেঞ্জ। অনাথ আশ্রমেও যে প্রতিভার লালন-পালন হয়, তা দেখিয়ে দিয়েছে ওড়িশার এডুকেশনাল প্রতিষ্ঠান।












Click it and Unblock the Notifications