মহাকাশে জন্ম নিচ্ছে নয়া নক্ষত্র, ‘জেলিফিশ’ ছায়াপথের চোখ ধাঁধানো ছবি প্রকাশ নাসার
মহাকাশে জন্ম নিয়েছে নতুন এক নক্ষত্র। জেলিফিশ গ্যালাক্সি বা ছায়াপথে এই নক্ষত্রের জন্ম হয়েছে। সেই জন্মের সময়কার চোখ ধাঁধানো ছবি প্রকাশ করেছে নাসা। আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ওই ছায়াপথকে দেখিয়েছে একেবারে মোহময়ী রূপে।
ওই নক্ষত্র মহাকাশে ভেসে বেড়াচ্ছিল। তা আমেরিকার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ন্যাশনাল অ্যারোনটিক্স অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা নাসার শক্তিশালী টেলিস্কোপে ধরা পড়ে। তা দেখে চোখ ধাঁধিয়ে যায় জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের। আস্ত একটা ছায়াপছথের বিচ্ছুরিত রশ্মি দেখতে পুরো জেলিফিশের মতো।

নাসা সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করতেই তা মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। নাসা জানিয়েছে, নতুন ওই ছায়াপথটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৯০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে। নাসার শক্তিশালী হাবল টেলিস্কোপে তা ধরা পড়েছে। কোমো বেরেনিসেস নক্ষত্রপুঞ্জের মধ্যে অবস্থান তার।
নাসার পোস্ট করা কুণিডলী পাকানো ছায়াপথের ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় শেযার করেছে নাসা। তাতে দেখা গিয়েছে এই ছায়াপথের মাধখানের অগ্নিবর্ণা। তার চারপাশ দিয়েঠিকরে বেরিয়ে আসছে নীল, সাদা ও লাল রঙের আলোর ছটা। ওই ছায়াপথটিকে নাসা উল্লেখ করেছে জেডব্লু৩৯ বলে।
নাসার বিজ্ঞানীদের দাবি, দূর থেকে যদিও ছায়াপথটিকে শান্ত ও স্থির লাগে, আসলে তা একগুচ্ছ ছায়াপথের মধ্যে আবিষ্ট রয়েছে। সেখানে গরম প্লাজমার বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে। নাসার তরফে যে ছবি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে জেডব্লু৩৯-এর উজ্জ্বল কেন্দ্রস্থলটি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। তাকে ঘিরে রয়েছে পর পর বলয়।

নাসার বিজ্ঞানীদের মতে, কুণ্ডলী আকাশের ওই ছায়াপথ আসলে পুরু এবং মোটা। ওই উজ্জ্বল নীল বর্ণ নক্ষত্রে সৃষ্টির ইঙ্গিত বহন করছে বলে মনে করেন বিজ্ঞানীরা। ফলে শুধু একটি নক্ষত্র নয়, ওই ছায়াপথে আরও একাধিক নক্ষত্র তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। নক্ষত্রের অভিকর্ষের ফলে তা প্রতি মুহূর্তে আকারের বিকৃতি ঘটাচ্ছে।
ছায়াপথের চোখ ধাঁধানো ছবি দেখে সবাই মুগ্ধ। ছায়াপথের নয়া রূপ মন ভরিয়ে দিয়েছে সকলের। নাসা ওই ছবি পোস্ট করার পর যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়া উত্তাল রহয়ে উঠেছে, তাতে স্পষ্ট ওই ছবি মোহজালে আবদ্ধ করেছে নেটিজেনদের। তাই তো শেয়ারের বন্যা বয়ে যাচ্ছে নেট দুনিয়ায়।
নক্ষত্র বিস্ফোরিত হওয়া বা নক্ষত্রের মৃত্যু দৃশ্য বহুবার টেলিস্কোপে ধরা পড়েছে। নক্ষত্র বিস্ফোরিত হয়ে যে সুপারনোভা তৈরি হয়, তার মোহময়ী আলোয় এতদিন স্নাত হয়ে এসেছেন বিজ্ঞানীরা। এবার নক্ষত্রের জন্মের পর যেভাবে আলোকপ্রভা মোহজাল ছড়াল মহাকাশে, তা এককথায় অনবদ্য।












Click it and Unblock the Notifications